নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে দুটি মসজিদে ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞের ভিডিওচিত্র রাখা ও পরিবেশেনের দায়ে অভিয্ক্তুদের প্রাণনাশের হুমকি দেয়া হচ্ছে। মঙ্গলবার নিউজিল্যান্ডের স্থানীয় গণমাধ্যমে একথা বলা হয়।
গত ১৫ মার্চ ব্রেন্টন টারান্ট নামে এক শ্বেতাঙ্গ উগ্রপন্থী ও বন্দুকধারী ওই হামলা চালায়। এতে ৫০ জন নিহত হয়। হামলাকারী হামলা চালানোর সময় ফেসবুকে সরাসরি সম্প্রচার করে। এরপর মুহূর্তের মধ্যে ইন্টারনেটের মাধ্যমে তা ছড়িয়ে পড়ে। নিউজিল্যান্ড কর্তৃপক্ষ এই ভিডিওটি শেয়ার না করার জন্য মানুষকে সতর্ক করে। নিউজিল্যান্ডে ভিডিওটিকে অবৈধ ঘোষণা করা হয়। ১৫ মার্চের ওই বর্বরোচিত হামলার ভিডিওচিত্র রাখা ও ছড়িয়ে দেয়ার অভিযোগে ৬ জনকে সোমবার আদালতে হাজির করা হয়। প্রসিকিউটর পিপ কারির বরাত দিয়ে ক্রাইস্টচার্চ কোর্ট নিউজ ওয়েবসাইট জানায়, ‘ওই হামলার ভিডিওচিত্র রাখা ও ছড়িয়ে দেয়ার জন্য অনেককে ইতিমধ্যে প্রাণনাশের হুমকি দেয়া হয়েছে।’ আরো ছয় জনের মধ্যে পাঁচ জনকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়া হয়েছে। আদালতের নির্দেশের প্রেক্ষিতে তাদের নাম প্রকাশ করা যাবে না বলে খবরে বলা হয়েছে। বিচারক স্টিফেন ও’ক্রিস্কোল জামিনে তিন জনকে মুক্তি দিয়েছেন। তিনি গোপনীয়তা রক্ষা করা ও আইন নিজের হাতে তুলে না নেয়ার নির্দেশ দেন।

