ভন্ড কবিরাজ এর লক্ষ লক্ষ টাকার প্রতারণা বাণিজ্য

0
867

চট্টগ্রাম মহানগরীর ইপিজেড থানাধীন গত ১৩ এপ্রিল শনিবার সন্ধ্যা ৭:০০ ঘটিকার সময় আমীর সাধু সংলগ্ন সিইপিজেড চট্টগ্রামে হাফেজ মাওলানা কামাল শাহ্ এর বিভিন্ন প্রকার চিকিৎসার নামে প্রতারণামূলক নামে লক্ষ লক্ষ টাকার আত্মসাতের ঘটনা ঘটে।

Advertisement

 

বিবরণে প্রকাশ বাগেরহাট জেলার শরণখোলা উপজেলার পূর্ব খন্দকার পাড়া গ্রামের মৃত্যু নেয়াজ উদ্দিনের পুত্র হাফেজ মাওলানা কামাল শাহ্ চট্টগ্রাম ইপিজেড থানাধীন আমীর সাধু বাড়ী, আমীর সাধু বাড়ী সংলগ্ন, সিইপিজেড চট্টগ্রামে একটি ঘর ভাড়া নিয়া এই প্রতারনা ও ভন্ডামির কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে বলে ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসী জানিয়েছেন। তাহার এই ভন্ডামি ও অপচিকিৎসার ধরণগুলো হলো * বান কাটা * জ্বিনের আছর * স্বামী স্ত্রীর মিল * বিবাহ হয় না * সন্তান হয় না বা চে না * শিশুদের জ্বিনের আসর * মহিলাদের গোপন রোগ ও ইত্যাদি রোগের চিকিৎসা করে থাকেন। এবং তারই সাথে সাথে লাইসেন্স বিহীন বিবাহ কাবিন ও নোটারী পাবলিক বাসায় বসে রেজিষ্টার করার কাজটিও করে থাকেন বলে তথ্য পাওয়া যায়। অনুসন্ধানী একটি সংবাদকর্মী দল গত ১৩ এপ্রিল ২০১৯ রোজ শনিবার সন্ধ্যা ৭:০০ ঘটিকায় এসব তথ্য জানা যায় এবং উপস্থিতি কাবিন করার জন্য ১০০ টাকা মূল্যমানের ২টি নন জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে অলিখিত অবস্থায় পাত্র পাত্রি স্বাক্ষরকৃত অবস্থায় পাওয়া যায় এবং তার ঘরে ওষধের র‌্যাকের উপর আড়াই ফুট লম্বা একটি ধারালো অস্ত্র সংরক্ষিত অবস্থায় পাওয়া যায় এবং তার ঘরের মধ্যে বিভিন্ন কোম্পানির ওষুধও বিক্রির জন্য সাজিয়ে রাখিয়াছে। এ বিষয় হাফেজ মাওলানা কামাল শাহ্ এর নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান আমার এই কবিরাজি এবং ঔষধ বিক্রির জন্য কোন প্রকার লাইসেন্স বা সরকারি অনুমোদন লাগে না। তার একটি ডায়েরী খাতায় লক্ষ লক্ষ টাকার হিসাব সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি জানান এক একটি রোগীর নিক থেকে ১৫-৩৫ হাজার টাকা নিয়ে চিকিৎসা করে থাকি। এব্যাপারে কোন সরকারি অনুমোদন বা লাইসেন্স এর প্রয়োজন হয় না। এ বিষয়ে দৈনিক কালের ছবি পত্রিকার চট্টগ্রামের ব্যুরো প্রধান জনাব গোলাম মোস্তফা তালুকদার ইপিজেড থানা পুলিশের সাথে যোগাযোগ করা হলে উক্ত থানার এএসআই আনোয়ার হোসেনকে বিষয়টি অবগত করাইলে তিনি তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে গিয়ে উল্লেখিত ঘটনার বিবরণের সত্যতা পাওয়া সত্ত্বেও তিনি হাফেজ মাওলানা কামাল শাহ এর বিরুদ্ধে কোন প্রকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করে থানায় চলে আসেন। বিষয়টি জরুরী ভিত্তিতে স্থানীয় প্রশাসনকে ঘটনাস্থল তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্যে স্থানীয় ও ভুক্তভোগীরা জোর দাবী জানিয়েছে। এ বিষয়ে মহানগরী চট্টগ্রাম ইপিজেড থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব মীর মোহাম্মদ নূরুল হুদা সাহেবের নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে কোন অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here