কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়নের কমরভাঙ্গী ঈদগাঁহ মাঠ হতে পুর্ব দিকে বাইমমারী গ্রামে যাওয়ার পথে খালের উপর নতুন ব্রীজ ও শৌলমারী ইউনিয়নের মন্ডল পাড়া গ্রামের সামনে শৌলমারী এলাকার ৮ গ্রামের মানুষের চলাচলের রাস্তায় ব্রীজ নির্মান হয়েছে। কিন্তু দু’পাশে কিছু মাটি ভরাট করলেও বন্যার পানির চাপে ভেঙ্গে যায়। এ কারনে সেতুটির
উপর দিয়ে পরিবহন ও জনসাধারনসহ কিশোর ছাত্র ছাত্রীদের চলাচলে ভোগান্তির স্বিকার হয়েছে। এতে প্রায় দুই এলাকার ১২টি গ্রামের প্রায় ১০ হাজার মানুষের চলাচলে দুর্ভোগে পড়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় সেতুর দু’পাশ দিয়ে প্রায় ৬ ফুট উচু মাটি নেই। গ্রামের জনসাধারন চলাচলের লক্ষে এক সাইড মাটি দ্বারা ও অন্য সেতুটি বাঁশ দিয়ে ঠিক করে নিয়ে মোটা মোটি ভাবে হাট বাজারে ও ছাত্র ছাত্রীদের বিদ্যালয়ে আসা যাওয়ার ব্যাবস্থা করেছে। বাইমমারী গ্রামের সেতুর পাশে থাকা মিজানুর রহমান মাষ্টার বলেন, সেতু নির্মানের আগে খাল থাকলেও গ্রামবাসীদের কাছ থেকে বাশ সংগ্রহ করে ও চেয়ারম্যান মেম্বারদের কাছ থেকে কিছু অর্থ নিয়ে শক্ত ও মজবুত করে বাঁশের সেতু নির্মান করে চলালের সুন্দর ব্যবস্থা হয়েছিল। কিন্তু গত কয়েক মাস আগে সেতু নির্মান হয়েছে ও হালকা মাটিও দিয়েছিল তা হঠাৎ করে মাটি দেবে য়ায়। শৌলমারী গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশিদ বলেন, আমাদের এলাকায় চলাচলের ব্রীজটি দির্ঘদিন থেকে সেতুটির দু’পাশে বন্যায় মাটি ভেঙ্গে যাওয়ায় সেতুর উপর দিয়ে এখন কোন যানবাহন চলাচল করতে পারছে না। বাজার ঘাটে কোন ভারী মালামাল পরিবহন করা যায় না। এ কারনে এলাকার মানুষের চরম দুর্ভোগ আকার ধারন করেছে। এমন অবস্থার সেতু রৌমারী উপজেলার অনেক রয়েছে। এলাকার সামছুআরা, আলমঙ্গীর, আব্দুস সবুর, এনামুল হক, রহমান আলী, ছালমা খাতুনসহ বলেন, জমির আলু, বেগুন, মরিচ, মুলা, ধান চাউলসহ ভারী মালামাল নিয়ে তারা বাজারে নিতে না পারায় এখন বিপাকে পরেছেন। কোন প্রকারের যান বাহন আসেনা। ফলে প্রায় ৩ কিলোমিটার রাস্তা হেটে চলাচল করতে হয়। শিশু সহ শিক্ষার্থীরা বেশি কষ্টে রয়েছে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আজিজুর রহমান বলেন, সেতুটি দুর্যোগ ও ত্রান মন্ত্রনালয়ের অর্থায়নে নির্মিত হয়েছিল। আমি রৌমারীতে নতুন জয়েন্ট করে বিষয়টি জেনেছি সেতুর দু’পাশে মাটি বন্যার কারনে দেবে গছে। ঠিকাদারকে বলেছি মাটি ভরাট করে দিতে এবং চেয়ারম্যানকেও বিষয়টি নিয়ে দেখতে বলা হয়েছে। ও অপর শৌলমারী রাস্তার ব্রীজের দু’পাশে প্রকল্প ধরিয়ে মাটি দিয়ে ভরাট করে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। যাদুরচর ইউপি চেয়ারম্যান সরবেশ আলীকে জিজ্ঞাস করলে তিনি জানান, বাইমমারী সেতুটির দু’পাশে মাটি ভরাট করে দেওয়ার কথা ঠিকাদারকে বলা হয়েছে। শৌলমারী চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান বলেন, প্রকল্প দেয়া হয়েছে বাজেট হয়ে আসলে মাটি দিয়ে ভরাট করে দেয়া হবে।

