আপাদমস্তক রাজনীতিবিদ। নাটকের মঞ্চ কাঁপানো সেই বাকের ভাই খ্যাত আসাদুজ্জামান নূর রাজনীতিতেও সফল। নীলফামারীর রাজনীতিতে এখনো অপ্রতিদ্বন্দ্বী।
দল-মত নির্বিশেষে সমান জনপ্রিয় ব্যক্তিটি এবারো নৌকার মাঝি হচ্ছেন। বৈঠা যে তার হাতেই যাচ্ছে এটা প্রায়ই নিশ্চিত। তাই বাকের ভাইয়ের বেড়েছে ব্যস্ততা। বেড়েছে গণসংযোগ, ঘন ঘন গাঁয়ে আসা। ১৯৯৮ সালের গোড়ার দিকে অনেকটা আচমকাই নীলফামারী আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে আবির্ভাব ঘটে এক সময়ের তুখোড় ছাত্র ইউনিয়ন করা আসাদুজ্জামান নূরের। দেশ সেরা আবৃত্তিকার ও নাট্যভিনেতা নূরকে নিয়ে সে সময় নীলফামারী আওয়ামী লীগের রাজনীতি চরম অস্থির হয়ে ওঠে। পক্ষ-বিপক্ষ নিয়ে নানা ঘটনা-অঘটনাকে পিছনে ফেলে অল্পদিনেই নিজের অবস্থান সুসংহত করেন মঞ্চ মাতানো অভিনেতা, নাট্যব্যক্তিত্ব আসাদুজ্জামান নূর। সেই ২০০১ থেকে টানা ৩ বারের এমপি তিনি। উত্তরা ইপিজেড এর ব্যাপক কর্মসংস্থান, নার্সিং ইনস্টিটিউট, টিটিসি, যুব উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের মতো নানামুখী কর্মক্ষেত্রগুলো এলাকার মানুষের মনে দাগ কাটলেও সর্বশেষ নীলফামারী মেডিকেল কলেজ নূরের অবস্থান আরো সুসংহত করেছে। ২৫০ শয্যার আধুনিক হাসপাতাল, উত্তরাঞ্চলের সর্ববৃহৎ আধুনিক শেখ কামাল স্টেডিয়াম, দীর্ঘ প্রত্যাশিত নীলফামারী-সৈয়দপুর প্রধান সড়ক ও বাইপাস সড়কের বর্ধিতকরণ কাজ নূরকে মানুষের মনে জিইয়ে রাখবে অনেক দিন। সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান আবুজার রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আহসান রহীম মঞ্জিল ও জেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক আমজাদ হোসেন বলেন, সদালাপি নির্মোহ আসাদুজ্জামান নূরের ব্যাপক উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, রাস্তা ঘাটের ব্যাপক উন্নয়ন, স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসাসহ সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ছাড়াও শিক্ষা, সাংস্কৃতিক অঙ্গন ও ক্রীড়াঙ্গনে ব্যাপক অবদানের সাথে আসাদুজ্জামান নূরের আকাশ ছোঁয়া ব্যক্তি ইমেজ আগামী নির্বাচনেও তাকে এগিয়ে রাখবে অনেক দূর। তার উপর নীলফামারীর রাজনীতিতে বিএনপি জামায়াত জোটের কেউ কাউকে ছাড় না দেয়ার নীতি বাড়তি সুবিধা যে নৌকার পালেই লাগবে তা নিঃসন্দেহে বলা যায়।

