বিএনপির লোকজনও মাদকে জড়িত: সেতুমন্ত্রী

0
3701

চলমান মাদক নির্মূল অভিযানে সমর্থন জানিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী নির্দেশে সারাদেশে মাদকবিরোধী অভিযান শুরু হয়েছে। আর এই মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

Advertisement

ওবায়দুল কাদের বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো গালিগালাজ ছাড়া অন্য কিছু জানে না। তারা যদি মাদক-সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কথা বলতো, তাহলে দেশে মাদকের এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হতো না। মাদক বিক্রেতা ও অস্ত্র কারবারীদের মধ্যে যোগসাজশ আছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান চালাতে গেলে এ দুটি পক্ষ হামলা করে। সেক্ষেত্রে নীরব ভূমিকা পালন করতে পারে না আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, আত্মরক্ষার্থে তাদেরও পাল্টা গুলি ছুড়তে হয়। সারাদেশের মানুষ খুশি, তবে শুধু গাত্রদাহ কাদের? বিএনপির। কেন? তারা এতো চিৎকার চেঁচামেচি করছে কেন? কারণ, তাদেরও লোকজনও মাদকে জড়িত। আর মাদক ব্যবসায়ীরা যেভাবে সিন্ডিকেট করে অস্ত্র নিয়ে মোকাবিলা করছে তাতে কি র‍্যাব-পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করবে? আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগ সরকার এনকাউন্টার করছে, আতঙ্ক তৈরি করছে- বিএনপির এমন দাবির বিষয়ে আওয়ামী লীগ কী মনে করে? জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডে বিশ্বাস করে না। তবে মাদক নিয়ে যারা ব্যবসা করে তাদের সঙ্গে অস্ত্রধারীরা আছে। মাদক ব্যবসায়ীদের ধরতে গেলে তারা অস্ত্র নিয়ে মোকাবিলা করছে। এখানে এনকাউন্টার হয়। অভিযানে উভয়পক্ষের হাতে অস্ত্র থাকছে। এই এনকাউন্টারকে তো আমরা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বলতে পারি না। ওরা অস্ত্র নিয়ে মোকাবিলা করবে আর পুলিশ কি সেখানে জুঁই ফুলের গান গাইবে? চলমান মাদক নির্মূল অভিযানে সমর্থন জানিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী নির্দেশে সারাদেশে মাদকবিরোধী অভিযান শুরু হয়েছে। আর এই মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো গালিগালাজ ছাড়া অন্য কিছু জানে না। তারা যদি মাদক-সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কথা বলতো, তাহলে দেশে মাদকের এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হতো না। মাদক বিক্রেতা ও অস্ত্র কারবারীদের মধ্যে যোগসাজশ আছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান চালাতে গেলে এ দুটি পক্ষ হামলা করে। সেক্ষেত্রে নীরব ভূমিকা পালন করতে পারে না আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, আত্মরক্ষার্থে তাদেরও পাল্টা গুলি ছুড়তে হয়। সারাদেশের মানুষ খুশি, তবে শুধু গাত্রদাহ কাদের? বিএনপির। কেন? তারা এতো চিৎকার চেঁচামেচি করছে কেন? কারণ, তাদেরও লোকজনও মাদকে জড়িত। আর মাদক ব্যবসায়ীরা যেভাবে সিন্ডিকেট করে অস্ত্র নিয়ে মোকাবিলা করছে তাতে কি র‍্যাব-পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করবে? আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগ সরকার এনকাউন্টার করছে, আতঙ্ক তৈরি করছে- বিএনপির এমন দাবির বিষয়ে আওয়ামী লীগ কী মনে করে? জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডে বিশ্বাস করে না। তবে মাদক নিয়ে যারা ব্যবসা করে তাদের সঙ্গে অস্ত্রধারীরা আছে। মাদক ব্যবসায়ীদের ধরতে গেলে তারা অস্ত্র নিয়ে মোকাবিলা করছে। এখানে এনকাউন্টার হয়। অভিযানে উভয়পক্ষের হাতে অস্ত্র থাকছে। এই এনকাউন্টারকে তো আমরা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বলতে পারি না। ওরা অস্ত্র নিয়ে মোকাবিলা করবে আর পুলিশ কি সেখানে জুঁই ফুলের গান গাইবে?

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here