ফ্লাই রাবার এন্ড ফুট ওয়্যার ইন্ডাষ্ট্রিজ লিঃ নিয়ম বহির্ভুতভাবে ১৮ কোটি টাকা শিল্প ঋণ লোপাট দুদক’র হস্তক্ষেপ কামনা

0
1108

স্টাফ রিপোর্টার ঃ সোনালী ব্যাংক লিমিটেড এর হলমার্ক কেলেঙ্কারী বহুল আলোচিত ঘটনা। এটি এ যাবত কালের সবচেয়ে বড় কেলেঙ্কারী ঘটনা। দেশে আর কোন ব্যাংকে এ ধরণের এবং এত বড় ঘটনা সংঘটিত হয়নি। এহেন কর্মকান্ডের পরেও কর্মকর্তাদের কোনো পরিবর্তন হয়নি। দেশের এ রকম একটি জনপ্রিয় রাষ্ট্রীয় ব্যাংক এর কিছু অসাধু কর্মকর্তারা নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করতে ব্যাংক এর দীর্ঘ দিনের সুনাম হুমকির দিকে ঠেলে দিচ্ছে। অসাধু এসব কর্মকর্তাগণ এখনো একের পর এক অবৈধ কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছেন। সম্প্রতি রাজধানীর লালবাগের মেসার্স ফ্লাই রাবার এন্ড ফুট ওয়্যার ইন্ডাষ্ট্রিজ লিঃ এর নামে একটি নাম সর্বস্ব প্রতিষ্ঠানকে নিয়ম বহির্ভুতভাবে ১৮ কোটি টাকা শিল্প ঋণ প্রদান করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, সোনালী ব্যাংক লিমিটেড শিল্প ঋণ কর্মসূচির আওতায় হাটাব, মাসুমাবাদ, রূপগঞ্জ নারায়ণগঞ্জে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য উল্লেখ হলেও প্রকল্পের কোনো কার্যক্রম সেখানে পরিলক্ষিত হয়নি। শুধু তাই নয়, মেসার্স ফ্লাই রাবার এন্ড ফুট ওয়্যার ইন্ডাষ্ট্রিজ লিঃ এর প্রধান কার্যালয় রাজধানীর লালবাগ এর ৫০ সুবোল দাস রোডে কাগজপত্রে দেখানো হলেও সেখানে কোনো প্রতিষ্ঠান নেই। এ বিষয়ে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের অনুসন্ধান করা উচিত বলে সচেতন মহল অভিমত ব্যক্ত করেন। জানা গেছে, উক্ত প্রকল্প কর্মকর্তারা হলেন, সোনালী ব্যাংক এর শিল্প প্রকল্প অর্থায়ন ডিপার্টমেন্টের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার আবুল কালাম মোঃ ইছাহাক ও সহকারী ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মোঃ মাহবুবর রহমান। আইন, ঋণ আদায় ও মনিটরিং বিভাগ এর সহকারী জেনারেল ম্যানেজার কাজী ইকবাল হোসেন। কৃষি ভিত্তিক প্রকল্প অর্থায়ন ডিপার্টমেন্ট এর সহকারী জেনারেল ম্যানেজার উত্তম কুমার সাহা। শিল্প প্রকল্প অর্থায়ন ডিপার্টমেন্ট এর সিনিয়র এক্সিকিউটিভ অফিসার মোঃ নজরুল ইসলাম।  শিল্প প্রকল্প অর্থায়ন ডিপার্টমেন্ট-১ এর সহকারী ইঞ্জিয়ার (মেকানিক্যাল) শেখ জায়েদ বীন নাজিম। সূত্রটি আরো জানায়, মেসার্স ফ্লাই রাবার এন্ড ফুট ওয়্যার ইন্ডাষ্ট্রিজ লিঃ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সোনালী ব্যাংক এর প্রকল্প কর্মকর্তাদের মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে ম্যানেজ করে নিয়ম বহির্ভুতভাবে এ শিল্প ঋণ হাতিয়ে নেন। জানা গেছে,  ফ্লাই রাবার এন্ড ফুট ওয়্যার ইন্ডাষ্ট্রিজ লিঃ এর উক্ত প্রকল্পের জন্য আমদানীতব্য যন্ত্রপাতির মূল্য আনুমানিক ৭ লাখ ডলার ওভার ইনভয়েস করা হয়েছে। যেখানে অনুরুপ প্রকল্পে আমদানীতব্য যন্ত্রপাতির মূল্য জনতা ব্যাংক এর সাথে তুলনা করলে আনুমানিক ৭ লাখ ডলার ওভার ইনভয়েস করা হয়েছে বলে প্রতিয়মান হয়। এ ব্যাপারে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অনুসন্ধান করলে বেরিয়ে পড়বে এ জাল-জালিয়াতির নেপথ্য তথ্য-উপাত্ত।

Advertisement
Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here