আশকিুর রহমান হান্নান ঃ
নষিদ্ধি জগতে মাদকই সবচয়েে লাভবান ব্যবসা ও বশেি আলোচতি বষিয়। বশিষে করে ফনেসডিলি ও ইয়াবা সহজলভ্য ও বহনযোগ্য বলে এর বস্তিার বাংলাদশেজুড়।ে দশেরে এমন কোনো উপজলো খুঁজে পাওয়া যাবে না যখোনে মাদকরে থাবা নইে। দশেজুড়ে এক বশিাল জাল বস্তিার করে আছে এই মরণ নশোর ভয়াবহ ব্যবসায়ী সন্ডিকিটে। র্বতমান নশোসক্ত তরুণ-তরুণীদরে মধ্যে ইয়াবা ও ফন্সেডিলি বশেি জনপ্রয়ি। একে ঘরিে দশেব্যাপী গড়ে উঠছেে বশিাল নটেওর্য়াক। ফনেসডিলিরে চয়েে ইয়াবাই বশেি জনপ্রয়ি হয়ে উঠছে।ে এই মরণ নশোর বস্তিারে সমাজে একদকিে যমেন অপরাধ বাড়ছ,ে তমেনভিাবে বশিৃঙ্খলতা তরৈি হচ্ছ।ে মাদকরে ব্যবহার নয়িন্ত্রণ এবং মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার জন্য, যারা মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়তি তাদরে বরিুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ যমেন জরুর,ি তমেনভিাবে যারা মাদক সবেনে বর্পিযস্ত তাদরে ফরিয়িে আনার উদ্যোগও জরুর।ি ব্যক্তগিত র্পযায়ে এবং সরকারি উদ্যোগে মাদকাসক্তদরে পুর্নবাসনরে ব্যবস্থা রয়ছে।ে তবে সরকারি মাদকাসক্তি নরিাময় কন্দ্রে গুলো প্রত্যাশতি সবো দতিে পারছে না; বরং সরকারি এই কন্দ্রে গুলোই এখন নানা রকম দুরবস্থায় পততি।
দশেে এখন কোন রাজনতৈকি আন্দোলন সংঘাত-সহংিসতা না থাকলওে পারবিারকি-সামাজকি অপরাধ ও সহংিসতার শকিার হচ্ছে অসংখ্য মানুষ। চুর,ি ডাকাত,ি ছনিতাই, চাঁদাবাজি ও অবধৈ অস্ত্ররে ব্যবহারও অতীতরে যে কোন সময়রে চয়েে ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করছে।ে এ ধরনরে সামাজকি পরস্থিতিরি পছেনে মাদক বাণজ্যি, মাদক সন্ত্রাসী সন্ডিকিটেরে সম্পৃক্ততা সুস্পষ্ট। সরকাররে আইন-শৃঙ্খলা বাহনিী সাম্প্রতকি সময়ে জঙ্গবিাদী হুমকি ও নটেওর্য়াক ধ্বংসে জরিো টলারন্সে নীততিে কঠোর পদক্ষপে গ্রহণ করলওে জঙ্গবিাদরে চয়েওে ভয়াবহ ও দৃশ্যমান সামাজকি হুমকি হয়ে ওঠা সত্ত্বওে মাদকরে ভয়ঙ্কর নটেওর্য়াকরে বরিুদ্ধে তাদরে তৎপরতা তমেন উল্লযেোগ্য নয়। মাদক সন্ত্রাসীরা বছররে পর বছর ধরে বাঁধাহীনভাবে তাদরে নটেওর্য়াক বস্তিৃত করতে করতে এখন অপ্রতরিোধ্য হয়ে পড়ছে।ে
ভয়াবহ মাদকরে মরণ ছোবলে আক্রান্ত বাংলাদশে। শহর, নগর, বন্দর, জলো, উপজলো পড়েয়িে প্রত্যন্ত গ্রাম অঞ্চল র্পযন্ত ব্যাপক হারে এর বস্তিার ঘটছে।ে ‘মাদকদ্রব্য’ র্বতমান সমাজে যমেন সংকট সৃষ্টি করছে ভবষ্যিতে এর বরিুপ প্রতফিলন দশেরে মণুষ্য সমাজকে এক ভয়াবহ সংকটরে মুখে ঠলেে দবেে বলে গবষেকরা মনে করছনে। তাদরে দাবী বাংলাদশেে নশোদ্রব্যরে বস্তিার জ্যামতিকি হারে যমেন বাড়ছে তমেনি মাদকাশক্তরে সংখ্যাও অনরূপ আশংকাজনক হারে বড়েইে চলছে।ে গবষেকদরে এ দাবীর যর্থাথতা আছ।ে র্বতমানে দশেরে ১৬ কোটি মানুষরে মধ্যে প্রায় ১০ শতাংশ মানুষ কমবশেী মাদকাশক্ত হয়ে পড়ছে।ে এর হার ক্রমান্বয়ে বড়েে চলছে।ে এদরে মধ্যে ২ শতাংশ স্পরিটি, ২ শতাংশ ফনেসডিলি, হরিোইন ও গাঁজা ও ১ শতাংশ প্রচলতি বাংলা চোলাই বা চুয়ান,ি ৩ শতাংশ ইয়াবা বড়,ি ২ শতাংশ দশেী ও বদিশেী বভিন্নি ব্যান্ডরে মাদক পান করে থাক।ে এই মাদক সবেীদরে মধ্যে রয়ছেে প্রাপ্ত বয়স্ক যুবক, ছাত্র, পশোজীবি শ্রমকি, চাকুরীজীব,ি চকিৎিসক, ব্যবসায়ী, ও রাজনীতবিদি। যদওি মাদক দ্রব্যরে কনো-বচো করা আইনত: নষিদ্ধি এবং সরকারি বধিি নষিধে আছ।ে এর পরওে গোটা দশেইে অবাধে মাদকদ্রব্যরে বকিকিনিি চলছ।ে আইন থালওে এর প্রয়োগ নইে কোথাও। মাদকদ্রব্য নয়িন্ত্রন অধদিপ্তর থাকলওে তার তৎপরতা নইে। অবধৈ মাদক দ্রব্যরে চোরাচালান ও বক্রিি কোথাও বন্ধ নইে। থানা পুলশি ও মাদক নয়িন্ত্রন অধদিপ্তররে র্কমর্কতা র্কমচারীদরে সাথে মাদক ব্যবসায়ীদরে মাসকি মোটা অংকরে র্অথ চুক্ততিে সারাদশেে মাদক ব্যাবসার ব্যাপক বস্তিার ঘটছ।ে বষিয়টি অনকেটা ওপনে সক্রিটে। মাদক সবেনরে নীল দংশনে প্রতবিছর দশেরে অসংখ্য তরতাজা প্রান নরিব,ে নভিৃত্তে ধুকে ধুকে মারা যাচ্ছে সে খবর রাখে কে ? এখন প্রায়শই খবররে কাগজগুলোতে খবর হসিবেে দখো যায়, মাদকসবেী পুত্ররে অত্যাচারে অতষ্টি হয়ে পতিা তার পুত্রক,ে আবার মাদকসবেী পতিার কারনে পুত্ররা তাদরে পতিাকে পুলশিরে হাতে তুলে দয়িে জলেখানার নরিাপদ আশ্রয়ে পাঠাচ্ছ।ে কন্তিু জলেখানাও মাদকমুক্ত নয়। জলেরে অভ্যন্তরওে মাদক দ্রব্য ধরাপড়া ও সবেনরে সংবাদ খবররে কাজগুলোতে দখো যাচ্ছ।ে র্বতমানে নশো একটি ভয়ানক সামাজকি অভশিাপ হসিবেে দখো দয়িছে।ে এই অভশিাপ সুস্থ পরবিারকে ঠলেে দচ্ছিে ধ্বংসরে মুখ।ে সারাদশেে এমন বহু পরবিার আছে যগেুলো এই নশোর কারনে অতষ্টি। নশোর দংশনে কউে কউে র্অথ সংগ্রহ করতে গয়িে জড়য়িে পড়ছে নানা অসামাজকি কাজ।ে লপ্তি হচ্ছে সন্ত্রাসী, ছনিতাই, ডাকাত,ি চুরি সহ নানা অপরাধ।ে সমাজে সৃষ্টি হচ্ছে নানা সমস্যা। পরবিারে সৃষ্টি করছে অশান্ত।ি এ থকেে মুক্তি পাবার উপায় কি ? এ প্রশ্নরে উত্তর সরকার ও দশেবাসীকে দ্রুত খুঁজে বরে করতে হব।ে এ সকল খবর দশেবাসীকে হতাশ কর।ে মাদককে নয়িন্ত্রন না করা গলেে দশেরে সামাজকি শৃঙ্খলা রক্ষা ও আইনরে শাসন প্রতষ্ঠিা করা কঠনি হয়ে পড়ব।ে দশেব্যাপী এ মাদকদ্রব্য বস্তিাররে সাথে যে রাজনতৈকি পৃষ্ঠপোষকতা রয়ছেে সটেি অস্বীকার করার উপায় নইে। র্পদার অন্তরালে থকেে কখনও প্রকাশ্যে ক্ষমতাবলে সন্ডিকিটে করে রাজনীতবিদি ক্ষমতাধরদরে কউে কউে মাদক ব্যবসা ও চোরাকারবারীদরে নয়িন্ত্রন করনে। এ সকল ক্ষমতাধরদরে হাত অনকে লম্বা। কারবাররে ময়দান থকেে মন্ত্রনালয় র্পযন্ত এদরে চইেন অফ কমান্ড অনকে শক্তশিালী। কারন তাদরে পকটেে থাকে অবধৈ পথে উর্পাজতি কোটি কোটি টাকা।
মানুষরে কাছে অনায়াসলব্ধ জনিষিরে যমেন মূল্য থাকনো তমেনি নষিদ্ধি জনিষিরে প্রতি আর্কষন থাকে শতগুন বশেী। এ বাক্যটরি যর্থাথতা উপলব্ধি করে সরকারকে দশেব্যাপী মাদকনয়িন্ত্রনরে জন্য নতুন সাজে নতুন কাঠামোয় এগয়িে আসতে হব।ে অবধৈ মাদক ব্যবসায়ীদরে বরিুদ্ধে আইনরে কঠোরতা সহ অবধৈ মাদক ব্যবসার অপরাধে গ্রফেতারকৃত আসামীদরে জামনি অযোগ্য ধারা প্রযোজ্য আইন প্রনয়ন করা যতেে পার।ে ঢলেে সাজাতে হবে মাদক নয়িন্ত্রন অধদিপ্তরক।ে বাংলাদশেে নশো বরিোধি যসেব আইন আছে তার মধ্যে অন্যতম হলো- ১৯৯০ সালরে মাদকদ্রব্য নয়িন্ত্রণ আইন, ১৯৯৯ সালরে মাদক দ্রব্য নয়িন্ত্রণ বধিমিালা, ২০০১ সালরে মাদক দ্রব্য নয়িন্ত্রণ র্বোড বধিমিালা, ২০০২ সালরে এলকোহোল নয়িন্ত্রণ বধিমিালা ও ২০০৫ সালরে বসেরকারি র্পযায়ে মাদকাশক্তি পরার্মশকন্দ্রে, মাদকাশক্তি নরিাময় কন্দ্রে ও মাদকাসক্ত র্পুনবাসন কন্দ্রে প্রতষ্ঠিা ও পরচিালনা বধিমিালা ইত্যাদ।ি এতো আইন থাকার পরও কমছনো মাদকদ্রব্যরে ব্যবহার, কমছনো পাচার ও এর সাথে জড়তি অন্যান্য অপরাধ র্কমকান্ড। সম্প্রতি একটি জাতীয় দনৈকিে প্রকাশতি খবর থকেে জানা যায়, খোদ রাজধানীর র্পাশ্বর্বতী নারায়ণগঞ্জ জলোর রূপগঞ্জ উপজলোর রূপগঞ্জ সদর ইউনয়িনরে টকেনোয়াদ্দা গ্রামবাসী মাদক ব্যবসায়ীদরে হাতে জম্মিি হয়ে পড়ছে।ে এ এলাকার চহ্নিতি মাদক ব্যবসায়ীরা এখন টকেনোয়াদ্দাসহ র্পাশ্বর্বতী এলাকার র্মূতমিান আতংক। ইয়াবা ও ফন্সেডিলিরে পাইকারী ও খুচরা ব্যবসাসহ হনে অপর্কম নইে যা এখানকার মাদক ব্যবসায়ীরা করছে না। এ অবস্থার প্রতকিার চয়েে এলাকাবাসী সংশ্লষ্টি বভিন্নি মহলে আবদেন জানয়িছে।ে ভুক্তভোগীদরে অনকেে জানান, টকেনোয়াদ্দা এলাকার কুখ্যাত মাদক স¤্রাট মাসুদ মোল্লা, মোমনে মোল্লা, মামুন মোল্লা, বাচ্চু ময়িা, খোকন ময়িা, শামীম ময়িা, জালাল ময়িার বরিুদ্ধে রূপগঞ্জসহ বভিন্নি থানায় একডজনরে বশেি মামলা থাকলওে পুলশি তাদরে গ্রফেতার করছে না। এলাকার কউে এসব মাদক স¤্রাটরে অপর্কমরে প্রতবিাদ করলইে প্রতবিাদকারীর উপর হামলা-মামলাসহ নানা ভাবে হয়রানি করা হয়। তাদরে নানা অপর্কমে এলাকার সাধারন মানুষ অতষ্ঠি হয়ে পড়লওে ভয়ে কউে টু-শব্দটওি করার পাচ্ছে না। এলাকাবাসী আরো জানায়, টকেনোয়াদ্দা এলাকার কুখ্যাত মাদক স¤্রাট মাসুদ মোল্লা, মোমনে মোল্লা, মামুন মোল্লা, বাচ্চু ময়িা, খোকন ময়িা, শামীম ময়িা, জালাল ময়িা এবং তাদরে পালতি সন্ত্রাসী বাহনিী এলাকায় আধপিত্য বস্তিার করতে বপেরোয়া হয়ে একরে পর এক তান্ডব চালাচ্ছ।ে এছাড়া তারা এলাকায় নানা অপর্কম করলওে হামলা মামলার ভয়ে কউে টু-শব্দটওি করার সাহস পাচ্ছে না। ভুক্তভোগীরা জানয়িছেনে, এ বাহনিীর সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা গ্রামরে সাধারণ মানুষকে আতংকতি করতে কয়কে দনি পর পর এলাকায় তান্ডব চালয়িে যাচ্ছ।ে আর এসব তান্ডবরে প্রতবিাদ করতে গলেইে মামলা-হামলা, মারপটি, বাড়ঘির ও দোকানপাটে অগ্নসিংযোগ এবং হত্যা করা হয় প্রতবিাদকারীদরে। এসব মাদক ব্যবসায়ী উঠতি বয়সরে কশিোর যুবকদরে নানাভাবে মাদক ব্যবসা ও মাদক সবেনে সম্পৃক্ত করছ।ে র্বতমানে টকেনোয়াদ্দা এলাকার মত দশেরে বভিন্নি এলাকায় এখন মাদক ব্যবসায়ীদরে বপেরোয়া র্কমকান্ডরে কারনে নরিীহ মানুষ অশান্ততিে রয়ছে।ে
নয়িন্ত্রণহীন মাদক বাণজ্যি এবং ক্রমর্বধমান মাদকাসক্তি ভয়াবহ সামাজকি বশিৃঙ্খলা ও অস্থরিতার জন্ম দয়িছে।ে মাদকাসক্তি ও মাদক বাণজ্যিরে কুফল প্রত্যক্ষ করে দশেরে র্সবত্র মাদকরে বরিুদ্ধে গণসচতেনতা এবং গণপ্রতরিোধরে সামাজকি আন্দোলনও শুরু হয়ছে।ে অন্যদকি,ে সরকার এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহনিীসমূহরে তরফ থকেওে মাদকরে বরিুদ্ধে সচতেনতা বৃদ্ধসিহ নানা ধরনরে র্কাযক্রম চলছ।ে এমনকি দশেরে র্সবত্র স্থানীয়ভাবে গড়ে ওঠা মাদক বরিোধী সামাজকি আন্দোলনরে সাথওে স্থানীয় পুলশি প্রশাসনরে সহযোগতিা ও একাত্মতা প্রকাশরে খবর সংবাদপত্র ও সামাজকি যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশতি হচ্ছ।ে এতকছিুর পরও মাদকরে রমরমা বাণজ্যিে কোন ঘাটতি দখো যাচ্ছনো। মাদক বরিোধী প্রচারণা ও তৎপরতায় সামাজকি-রাজনতৈকি ও প্রশাসনকি পদক্ষপেে এক ধরনরে সমন্বয়হীনতা ও শুভঙ্কররে ফাঁক লক্ষ্য করা যাচ্ছ।ে পত্র-পত্রকিায় প্রকাশতি রপর্িোট গুলোতে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদশেরে মাদক কনোবচোর স্পট এবং মাদক পাচাররে রুটসহ কোথায় কারা কারা জড়তি তার ববিরণসহ তালকিা প্রকাশতি হলওে বছররে পর বছর ধরে অব্যাহতভাবে এবং ক্রমর্বধমান হারে মাদকরে কারবার চলে কভিাব?ে তালকিা হাল নাগাদ হয়না অনকে ক্ষত্রেে মৃত্যু বরণ করার পরওে মাদক স¤্রাটরে তালকিায় নাম থক।ে দশেরে কছিু থানার ওসসিহ এসআই, এএসআইদরে সাথে মাদক ব্যবসায়ীদরে শখ্যতাও রয়ছে।ে তারা রীতমিত তালকিা তরৈী করে বখরা আদায় করার অভযিোগ রয়ছে।ে আবার রাজমস্ত্রি,ি বাদাম বক্রিতো, ডমি বক্রিতো, রক্সিা-ভ্যান চালক, নৌকার মাঝি আজ মাদক ব্যবসা করে শূন্য থকেে কোটপিতি হয়ছেনে তারা এখন পুলশিরে সাথে শখ্যতা গড়ে তুলছেনে। কউে কউে নর্বিাচনে কালো টাকার প্রভাব খাটয়িে হয়ছেনে চয়োরম্যান, কাউন্সলির, ইউপি সদস্য। সঙ্গত কারণে তারা আইন শৃঙ্খলা বাহনীর ধরাছোয়ার বাইর।ে বজিবি,ি র্যাব, পুলশিসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহনিীর সর্তক দৃষ্টি থাকে মাদক আগ্রাসনরে বরিুদ্ধ।ে মাদক নয়িন্ত্রণে আলাদা দপ্তরও আছ।ে তারপরও এর আগ্রাসন কছিুতইে ঠকোনো যাচ্ছে না।
মাদকদ্রব্যরে অপব্যবহার ও অবধৈ পাচার একটি জাতীয় সমস্যা। এর অপব্যবহাররে শকিার হচ্ছে আমাদরে যুব ও ছাত্র সমাজ। এর ভয়াবহ পরণিতি থকেে রক্ষা পাচ্ছনো আমাদরে শশিুরাও। একটি দশেরে যুব সমাজ যদি মাদকরে কাছে পরাজতি হয় তবে তা দশেরে জন্য ডকেে আনে মারাত্মক পরণিত।ি মাদক ধীরে ধীরে একটি সমাজকে পঙ্গু করে দয়ে। শক্ষিতি-অশক্ষিতি ও বয়স নর্বিশিষেে সবাই মাদকরে কাছে শকিার হতে পার।ে সবচয়েে বশেি ঝুঁকরি সম্মুখনি হয় উঠতি বয়সরে তরুনরা। স্কুল, কলজে ও বশ্বিবদ্যিালয়গামী এসব তরুণরা ক্রমইে ঝুকে পড়ছে মাদকরে দকি।ে নষিদ্ধি জনিসিরে প্রতি চরিন্তণ আগ্রহ থকেইে অনকেে ঝুকে পড়ছে নশোর জগত।ে প্রথমে নছিক আগ্রহ থকেইে একটি আধটু নশোজাতীয় দ্রব্য গ্রহণ, অত:পর স্থায়ী মাদকসবেী। কারণ, আগ্রহরে বশে মাদক গ্রহণ করলওে বশেরি ভাগই অন্ধকার জগত থকেে আর ফরিে আসতে পারে না। র্বতমানে যে নশোজাতীয় দ্রব্যটি সবচয়েে আলোচতি তা হচ্ছে ইয়াবা। এছাড়া ফনেসডিলি, প্যাথডিনি, হরেোইন, ক্যানাবসি ইত্যাদি উল্লখেযোগ্য। তরুণ প্রজন্মরে কাছে ইয়াবা এখন একটি জনপ্রয়ি নাম, প্রতদিনিরে সঙ্গী। এই মাদকরে নটেওর্য়াক নর্মিূল করা দশেরে গোয়ন্দো সংস্থা এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহনিীর জন্য অসম্ভব কছিু নয়। কন্তিু র্সষরে ভতের ভূত থাকলে ওঝার পক্ষে ভূত তাড়ানো কঠনি। ক্ষমতাসীন রাজনতৈকি শক্তরি প্রভাবশালী থকেে শুরু করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহনিীর একশ্রণেীর সদস্য এবং স্থানীয় র্পযায়রে ব্যক্তর্বিগকে নয়িে গড়ে উঠছেে মাদকরে শক্তশিালী নটেওর্য়াক ও সন্ডিকিটে। মাদক বাণজ্যিরে কোটি কোটি টাকা প্রতদিনি ভাগ-বাটোয়ারা হয়ে এই সন্ডিকিটেকে আরো শক্তশিালী ও র্দুভদ্যে করে তুলছ।ে আইন-শৃঙ্খলা বাহনিীর মাদক বরিোধী অভযিান যনে ‘ধরি মাছ না ছুঁই পান’ির মত। প্রতি মাসে লাখ লাখ পসি ইয়াবাসহ কোটি কোটি টাকার মাদক ধরা পড়লওে এর নপেথ্যরে হোতারা ধরা-ছোঁয়ার বাইরইে থকেে যায়। আর হাতে নাতে যারা ধরা পড়ছে তারাও পুলশিরে র্দুবল র্চাজশটিরে সুযোগে জামনি নয়িে বরেয়িে গয়িে অথবা আইন-শৃঙ্খলা বাহনিীকে ম্যানজে করে মাদক ব্যবসা চালয়িে যাচ্ছ।ে পত্র-পত্রকিায় মাদকরে নটেওর্য়াক ও সন্ডিকিটে সর্ম্পকে সুনর্দিষ্টি তথ্যাবলী প্রকাশতি হচ্ছ।ে আইন-শৃঙ্খলা বাহনিীর কাছওে তাদরে তথ্য রয়ছেে এবং মাঝে মধ্যে অনকেে ধরাও পড়ছ।ে কন্তিু দৃষ্টাষ্টমূলক শাস্তি না হওয়ায় তা’ কমছনো। সংশ্লষ্টিরা জানয়িছেনে, মাদক ব্যবসার সঙ্গে রাজনতৈকি সাইনর্বোড ব্যবহারকারী ক্ষমতাধর ব্যক্তদিরে সর্ম্পক থাকায় তারা যা ইচ্ছা তাই করার সুযোগ পাচ্ছ।ে ইউনয়িন পরষিদরে মম্বোর, চয়োরম্যান থকেে শুরু করে রাজনতৈকি দলরে প্রভাবশালী নতো, আইন-শৃঙ্খলা বাহনিীর র্কমর্কতা এমনকি আরো উচ্চর্পযায়ে বতিরণ করা হয় মাদক ব্যবসার বখরা। মাদকদ্রব্য দমন ও প্রতরিোধে এগয়িে আসতে হবে সবাইক।ে মাদককে ‘না’ বলার সময় শষে, এখন প্রয়োজন গণঐক্যরে প্রতরিোধ। এটি এখন সময়রে দাব।ি মাদকরে সাথে যারা জড়তি তাদরে আইনরে আওতায় নয়িে এসে কঠোর শাস্তরি ব্যবস্থা করতে হব।ে মাদকরে অপব্যবহার ও এর সাথে সংশ্লষ্টি সব রকম অবধৈ র্কমকান্ড বন্ধে আইনরে যথাযথ প্রয়োগ ও জনসচতেনতা জরুর।ি####
লখেক-
আশকিুর রহমান হান্নান
নারায়ণগঞ্জ জলো প্রতনিধি,ি চ্যানলে জটিভি।ি
ই-মইেল-ধংযরয়ঢ়ৎবংং@মসধরষ.পড়স

