অপরাধ বিচিত্রা ঃ
প্রগতি লাইফ ইন্সুরেন্স এর এমডি মোঃ জালাল আজিম এর বিরুদ্ধে নারী কেলেঙ্কারীর গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে একটি মামলাও হয়েছে। মামলার বাদী হারুনুর রশিদ জানিয়েছেন সি আর মামলা নং ৫৮৭/২০১৬ বিঞ্জ মুখ্য মহানগর হাকিম সাহেবের আদালত নং ১৫ ঢাকা ধারা ৩৮০/৪৯৮/৫০৬/১০৯ দন্ডবিধি।
মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে প্রগতি লাইফ ইন্সুরেন্স এর এমডি মোঃ জালাল আজিম দীর্ঘদিন যাবৎ হারুনুর রশিদ এর স্ত্রী মোসাঃ সুলতানা পারভীনকে লোভ লালসা দেখিয়ে পরকীয়ার সুত্রপাত ঘটায়। বাদী হারুনুর রশিদ মামলায় আরো উল্লেখ করেন তার স্ত্রী মোসাঃ সুলতানা পারভীন বিশ্ববিদ্যালয় পরিক্রমা পত্রিকায় কাজ করত। উক্ত ম্যাগাজিনে কাজ করার সময় স্ত্রী মোসাঃ সুলতানা পারভীন এর সাথে প্রগতি লাইফ ইন্সুরেন্স এর এমডি মোঃ জালাল আজিম এর পরিচয়ের সুত্রে তাকে প্রলোভন দিয়ে তার সাথে পরকিয়া প্রেমে আবদ্ধ হয়ে উঠে। এমডি মোঃ জালাল আজিম তার স্ত্রীর রুপ গুনে আকৃষ্ট হয়ে অবৈধ কার্য হাসিল করার উদ্দেশ্যে তার ০১৯২০-১৬৩১২৬ নং মোবাইল ফোনে সময়ে অসময়ে বারবার ফোন করে এবং বেশী বেতনের চাকুরির লোভ দেখিয়ে স্ত্রীর সহিত অবৈধ সর্ম্পকে জড়িয়ে পড়ে।
২০১৪ সালের শেষের দিকে ১ নং আসামী এমডি মোঃ জালাল আজিম এর নিজের হাতের লেখা বিমা থিওরী ও তথ্য প্রযুক্তি” বইয়ের শব্দ বিন্যাশের কাজ করার জন্য প্রস্তাব করলে বাদীর স্থী তাহাতে কাজ শুরু করে। সেখানে কাজ করার এক পর্যায়ে ১নং আসামী এমডি মোঃ জালাল আজিম বিগত ১৫/১২/২০১৫ ইং তারিখে প্রগতি লাইফ ইন্সুরেন্স কোং রামপুরা শাখায় সহকারী ম্যনেজার হিসাবে নিয়োগ প্রদান করেন। এর সুবাধে এমডি জালাল কারনে অকারনে যখন তখন মোবাইলে ডেকে কাওরান বাজারের হেড অফিসে নিয়ে যেত। এ বিষয়ে অপরাধ বিচিত্রার অনুসন্ধান চলছে অনুসন্ধান শেষে থাকবে বিস্তারিত প্রতিবেদন। উক্ত এমডির সম্পর্কে আর কারো কাছে কোন অভিযোগ বা কোন তথ্য প্রমান থাকলে তা অপরাধ বিচিত্রার দপ্তরে জানানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে। প্রয়োজনে নাম ঠিকানা গোপন রাখা হবে।
