শ্রীনগর (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি: মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার বীরতাঁরা ইউনিয়নে পুলিশের গুলিতে ৬ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে বাচ্চু হত্যার ২ আসামী নিহত হয়েছে। এ সময় পুলিশের দুই কর্মকর্তাসহ ৩ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়। নিহত আসামীরা পুরোনো জেএমবি’র সদস্য তারা দলের জন্য ডাকাতি করে অর্থ সংগ্রহ করত। নিহতরা প্রকাশক বাচ্চু হত্যায় জড়িত। নিহতরা হলো-প্রকাশক শাহজাহান বাচ্চু হত্যা মামলার আসামী মো: শামীম ওরফে বোমা শামীম (৩৫) পিতা মৃত আব্দুল রশিদ সাং লৌক্ষা থানা পাকুন্দিয়া জেলা কিশোরগঞ্জ এবং এখলাছুর রহমান ওরফে এখলাছ (৩২) পিতা মো: গিয়াসউদ্দিন সাং খামার পাড়া থানা ও জেলা জামালপুর। নিহত আসামীরা পুরোনো জেএমবি’র সদস্য। তারা এদিকে ডাকাতির উদ্দেশ্যে জড়ো হয়েছিল। নিহত শামীমের নামে বাচ্চু হত্যাসহ ৫টি ডাকাতি মামলা রয়েছে।
শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মুন্সীগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম পিপিএম জানান, ৬ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত ১টার দিকে ইউনিয়নের সাতগাঁও এলাকার কেসি রোডে পুলিশ চেকপোস্টে এ ঘটনা ঘটে। তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে পূর্ব ইনফরমেশনের ভিত্তিতে পুলিশ সাতগাঁও এলাকায় কেসি রোডে চেকপোস্ট বসায়। রাত ১ টার দিকে মটরসাইকেল যোগে দুইটি মোটরসাইকেলে ৪জন লোক সেখান দিয়ে যাওয়ার পথে পুলিশ তাদের থামতে বলে তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে ককটেল ও গুলি করে। তখন পুলিশ পাল্টা গুলি করলে তাদের মধ্যে ২জন গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায় এবং বাকি দুইজন পালিয়ে যায়। নিহত জঙ্গীদের লাশ মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনার সময় এএসআই মাসুদ, এএসআই ইলিয়াস এবং কনস্টেবল তানিম মোট ৩জন পুলিশ সদস্য আহত হয়ে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এঘটানায় ঘটনাস্থল থেকে পুলিশি একটি ৭.৬৫ বোরের পিস্তল, একটি ম্যাগজিন, ৩রাউন্ড গুলি, ১১টি তাজা ককটেল, ২টি ছোড়া এবং একটি রেজিষ্ট্রেশনবিহিন মোটর সাইকেল উদ্ধার করা হয়। এসময় পুলিশ সুপার আরো জানান, এঘটনায় পুলিশ ৫৮ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। পলাতক বাকি ২ আসামীকে ধরতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। এর আগে গত জুনে সিরাজদিখানে নিহত জঙ্গী আব্দুর রহমানের দেয়া বর্ণনা ও ক্রাইম রেকর্ড অনুযায়ী নিহতদের সনাক্ত করা হয়েছে।

