নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ থেকে ফিরে রিপোর্ট করেছেন রংপুর বিভাগীয় টিম ঃ- নীরফামারী জেলাধীন, কিশোরগঞ্জ উপজেলার রণচন্ডী ইউপি ০১ নং ওয়ার্ডের রণচন্ডী উত্তর পাড়ার মোঃ জাহিদুল ইসলাম একজন কাপড় ব্যবসায়ী। একই গ্রামে আব্দুল আজিজ এর সহিত বেশ কিছুদিন ধরে ধানের বিজ ফেলা নিয়ে ঝগড়া বিবাদ চলিয়া আসিতেছে। তারই সুত্র ধরিয়া অদ্য রাত্রী ০৮.০০ ঘটিকার সময় মোঃ জাহিদুল ইসলাম বাড়ী হইতে তাহার কাপড় ব্যবসার মালামাল আনার জন্য টাকা পয়সা সাথে নিয়ে কিশোরগঞ্জ বাজারে মহাজনের দোকানে যাচ্ছিল এমতস্থাথায় আব্দুল আজিজ গং বাড়ীর সামনে পাকা রাস্তায় অতোর্কিত ভাবে হামলা করে ও পরে আটক করে বাড়ীতে নিয়ে রাতভর আটক করে রেখে মারপিট করে এবং সাথে থাকা মোবাইল,বাই সাইকেল ও নগদ ৫০,০০০/- (পঞ্চাশ হাজার) টাকা ছিনিয়ে নেয়। আজিজ গং এলোপাতারী ভাবে মারপিট করে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ক্ষতবিক্ষত ও যখম করে। ঘটনার রাত্রেই জাহিদুল ইসলামের ছোট ভাই কিশোরগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগ দায়ের কারার পরের দিন কিশোরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ বজলুর রশিদের নির্দেশে এস আই মামুন এলাকাবাসিকে নিয়ে ঘটনা স্থল থেকে জাহিদুল ইসলামকে উদ্ধার করে। তৎসঙ্গে মোবাইল ফোন ও বাইসাইকেলটি উদ্ধার হলেও নগদ ৫০,০০০/- (পঞ্চাশ হাজার) টাকা উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। জাহিদুল ইসলাম অপরাধ বিচিত্রাকে অভিযোগ করে বলে আজিজের লোক হাছানুর লুঙ্গির কোছ থেকে ৫০,০০০/- (পঞ্চাশ হাজার) টাকা ছিনিয়ে নেয় ও আজিজ বাইসাইকেল ও মোবাইল ফোনটি ছিনিয়ে নেয়। তারপর রাতভর আমাকে বেধে রেখে মারপিট করে এবং প্রাণনাসের হুমকি দেয়। সকাল বেলা পুলিশ আসার খবর পেয়ে আমার বাধন খুলে রাখে। তার কিছুক্ষন পর পুলিশ এসে আমাকে উদ্ধার করে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত জাহিদুল ইসলাম প্রাথমিক চিকিৎসায় শারীরিক ভাবে একটু সাভাবিক হলেও দুদিন পর তার অবস্থার অবনতি হলে পরিবারের সদস্যরা তাকে হাসপাতালে ভর্তি করতে বাধ্য হয়। এদিকে জাহিদুল ইসলাম যখন যখমের যন্ত্রনায় কাতর থাকার কারণে ব্যবসা বানিজ্য কিছুই করতে পারছেনা তখন আজিজের স্ত্রী কহিনুর বেগমকে দিয়ে বিভিন্ন মামলা হামলা ও প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে বলে জাহিদুল ইসলাম অপরাধ বিচিত্রাকে জানায়।
