পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত মানণীয় মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বাউফলের সভাস্থলে পৌছানোর কয়েক মিনিট পূর্বে উপজেলা আওয়ামীলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে।
ঘটেছে চেয়ার ছোড়া ছুড়ি ও ভাংচুরের ঘটনা। এ ঘটনায় কমপক্ষে ১০ জন নেতা কর্মী আহত হয়েছে। এদের মধ্যে খোকন সরদার ও কামাল হোসেনসহ চার যুবলীগ নেতাকর্মীকে চিকিৎসার জন্য বাউফল হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। গেছে, আজ রবিবার বাউফল মডেল থানার নবনির্মিত ভবন উদ্বোধনের জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বেলা ১১ টার দিকে হেলিকাপ্টার যোগে বাউফলের পাবলিক মাঠে অতরণ করেন। এসময় দুই গ্রুপের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী মাঠের কাছে চারি দিকে অবস্থান নেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পাবলিক মাঠ থেকে পায়ে হেঁটে বাউফল থানা চত্বরে আসেন এবং তিনিসহ জাতীয় সংসদের মাননীয় চীফ হুইপ আ,স,ম ফিরোজ যৌথ ভাবে নতুন ভবনের উদ্বোধন করেন।
এর পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও চীফ হুইপকে বরিশাল ও পটুয়াখালী জেলা পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তারা থানা ভবনের সেমিনার কক্ষে নিয়ে যায়। এসময় থানার বাউন্ডারির মধ্যে সভাস্থলে দুই গ্রুপের মুহুমুহু শ্লোগান চলছিল। একপর্যায়ে সংঘর্ষ শুরু হয়। দুই গ্রুপই সমাবেশস্থলে চেয়ার ছোড়াছুড়ি ও ভাংচুর করে। এসময় বিপুল সংখ্যক পুলিশ তাদের শান্ত করার চেষ্টা করে ব্যার্থ হয়ে লাঠি চার্জ শুরু করে। সংঘর্ষের এক পর্যায় একপক্ষ থানা বাউন্ডারির বহিরে চলে যায় এবং সেখান থেকে পুনরায় সভাস্থলকে লক্ষ করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। সংঘর্ষের ঘটনায় কমপক্ষে ১০ নেতাকর্মী আহত হয়েছে। পরিস্থিতি শান্ত হওয়ার পর বেলা পৌনে ১১টায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও চীফ হুইপ আসম ফিরোজসহ অতিথিরা সভা মঞ্চে এসে আসন গ্রহণ করেন।

