গত ২০ এপ্রিল চট্টগ্রামের পটিয়াস্থ কেলিশহরে পরমহংস শ্রীমৎ স্বামী সত্যানন্দ ও শ্রীমৎ ১০৮ স্বামী মঙ্গলদাশ (কালাবাবা) যোগসিদ্ধাশ্রমের ১৫০তম প্রতিষ্ঠাবাষির্কী, আন্তঃধর্মীয় মহাসম্মেলন ও মহাউৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। আশ্রম অধ্যক্ষ মহাত্মা স্বামী নিত্যানন্দ পুরী মহারাজের পৌরহিত্যে মহাসম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন ইন্টার রিলিজিয়ন হারমনি সোসাইটির মহাসচিব মুক্তিযোদ্ধা মনোরঞ্জন ঘোষাল । মহাসম্মেলন উদ্বোধন করেন মাইজভা-ার দরবার শরীফের মাওলানা সৈয়দ মফিজ উদ্দিন মাইজভা-ারী। অ্যাডভোকেট শিবতোষ দাশের সভাপতিত্বে এবং সদীপ দেবনাথ সজীবের সঞ্চালনে স্বাগত বক্তব্য রাখেন যোগসিদ্ধাশ্রমের সম্পাদক প্রকৌশলী পিংকু দাশগুপ্ত। সম্মেলনে অতিথি ছিলেন অধ্যক্ষ মিলন চন্দ্র দেবনাথ, ছুফী ছৈয়দ জাফর ছাদেক শাহ্, অধ্যক্ষ ড. সংঘপ্রিয় মহাথেরো, ফাদার রবার্ট গনছালভেছ, ভাই সিংবীর সিং, মি. সাঈদ হাকিকি। বিশেষ অতিথি ছিলেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রধান রাসায়নিক পরীক্ষক ড.দুলাল কৃষ্ণ সাহা, হারান প্রসাদ বিশ^াস, নকুল চন্দ্র সাহা, মাওলানা মুহম্মদ ইকবাল ইউসুফ, রাজনীতিবিদ মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী, এডভোকেট এসএম রাশেদ চৌধুরী, সঞ্চয় বড়–য়া, আলহাজ¦ নবী হোসেন, মো. আজম মৃধা, অসীম কুমার দেব, চন্দনময় নন্দী টিটু, আলহাজ নবী হোসেন। প্রধান বক্তা ছিলেন জয়ন্ত সেন দিপু। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পটিয়া থানার ওসি শেখ মো. নেয়ামত উল্লাহ পিপিএম, উপ-পুলিশ পরিদর্শক শেখ সাইফুল আলম, প্রকৌশলী মো. সেলিম, প্রকৌশলী সহদেব চন্দ্র বৈদ্য, কেলিশহর ইউপি চেয়ারম্যান সরোজ সেন নান্টু, হাইদগাঁও ইউপি চেয়ারম্যান ইউনুছ মিঞা, ধলঘাট ইউপি চেয়ারম্যান রণবীর ঘোষ টুটুন, মিরসরাইয়ের খৈয়াছড়া ইউপি চেয়ারম্যান মো.জাহেদ ইকবাল চৌধুরী, মিরসরাই জোরারগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান মো.মুকসুদ আহাম্মদ চৌধুরী, প্রণব রাজ বড়–য়া, আশ্রমের ভূমিদাতা সুনীল কান্তি সেন, রতন কান্তি সেন, মো.আজম মৃধা, রণধীর দে, অনুপম বণিক লিটন, কবি নুরুল ইসলাম হুলাইনি, বিপ্লব চৌধুরী, আশীষ কুমার দত্ত, শাওন মহাজন ও ডা. শোভন দাশ। শ্রীশ্রী চ-ী পাঠ করেন ডা. শিবু চক্রবর্তী ও শ্রীদ্ভগবদ্গীতা পাঠ করেন রবিন্দ্র দেবনাথ রবি এবং উদ্বোধনী সংগীত পরিবেশন করেন ডা.সজল কান্তি নাথ। এই আন্তঃধর্মীয় মহাসম্মেলনে সকল ধর্মের পতাকা উত্তোলন করেন অতিথিবৃন্দ।
সম্মেলনে বক্তারা বলেন সকল ধর্মের মর্মবাণী হল মানবতার কল্যাণ সাধন করা। স্বামী সত্যানন্দজী ছিলেন তেমনি একজন মহাসাধক পুরুষ যিনি বিট্রিশ উপনিবেশিক বিরোধী শাসনের বিরুদ্ধে কালজয়ী পুরুষ মাস্টারদা সুর্যসেনের গুরু। স্বামীজীর সান্নিধ্যে এসে মাস্টারদা সুর্যসেন, প্রীতিলতা, পুলিন দে, কল্পনা দত্ত প্রমুখ নেতৃবৃন্দ দেশমাতৃকার টানে নিজেকে নিয়োজিত করার দিক্ষা লাভ করে দেশকে স্বাধীনতা এনে দিয়েছিলেন। সত্য,ত্যাগ,দয়া,মানবকল্যাণই মূল মন্ত্র ছিল স্বামীজীর যা তিনি ধর্ম বর্ণ গোত্র নির্বিশেষে অকাতরে বিলিয়েছেন।
তাঁরই সুযোগ উত্তরসুরী স্বামী নিত্যানন্দ পুরী মহারাজজী মানবকল্যাণে নিবেদিত প্রাণ হিসেবে দিনরাত কাজ করে চলেছেন নিরলস কর্মী মতো।
