কামরুল হাসান রুবেলঃ সাভার ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের আমিনবাজার এলাকায়, সালেহপুর ব্রিজ থেকে একটি প্রাইভেট কার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তুরাগ নদীতে পড়ে গেছে বলে জানা গেছে।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছে পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা।গাড়ি পড়ে যাওয়ার খবর শুনে ঘটনাস্থলে ভিড় করেছে কৌতুহলী সাধারণ মানুষ।
তবে প্রাথমিকভাবে ঘটনাস্থলে গাড়িটি পড়ে যাওয়ার কোন চিহ্ন দেখতে পারছেন না তারা। এছাড়া নদীতে স্রোত বেশি হওয়ায় ফায়ার সার্ভিস হেডকোয়ার্টার থেকে ডুবুরি দল আসার জন্য খবর দেওয়া হয়েছে।
ডুবুরি দল আসলেই শুরু হবে উদ্ধার কাজ জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের জোন কমান্ডার চার এর কমান্ডার আনোয়ারুল হক।
ট্রাফিক পুলিশের আমিনবাজার বক্সের ইনচার্জ কামরুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে সড়কে লাগানো সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে আমরা নিশ্চিত হয়েছি যে একটি প্রাইভেট কার সাভার থেকে ঢাকা যাওয়ার পথে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আমিন বাজার তুরাগ সেতুর পাশ দিয়ে নদীতে পড়ে যায়। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর ফায়ার সার্ভিস কে জানানো হলে তারা ঘটনাস্থলে আসছে এবং ডুবুরি দল খবর দেওয়া হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী আইসিএস বিজনেস গ্রুপের আমিন বাজার সাইড অফিসে কর্মরত জসিম উদ্দিন জয় বলেন, রাত আটটার দিকে আমি অফিস থেকে বের হয়ে রিকশা যোগে আমিন বাজার যাচ্ছিলাম। হঠাৎ দেখি দ্রুত গতিতে সাভার থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা একটি প্রাইভেট কার, একটি বাসের সামনে দিয়ে উড়ে গিয়ে তুরাগ নদীতে পড়ে। এ সময় আমি সহ আরো কয়েকজন বিষয়টি দেখেছি। পরে আমরা বিষয়টি প্রশাসন কে অবগত করি।
ফায়ার সার্ভিস এর কমান্ডার আনোয়ারুল হক বলেন, নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী প্রাইভেট কার তুরাগ নদীতে পড়ে যাওয়ার খবর শুনে সাভার মিরপুর ও কল্যাণপুর থেকে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। তবে এখানে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে যাত্রীবাহী প্রাইভেট কার পড়ে যাওয়ার কোন আলামত খুঁজে পাচ্ছি না।
এছাড়া নদীতে প্রচণ্ড স্রোত থাকায় সাধারণভাবে এখানে নেমে কাজ করা সম্ভব না। তাই ফায়ার সার্ভিসের হেডকোয়ার্টার থেকে ডুবুরিদল কে খবর দেওয়া হয়েছে। তারা ইতোমধ্যে রাস্তায় রয়েছে এবং স্পিড বোটসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি আনার পরে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করা হবে।
অন্যদিকে যাত্রীবাহী প্রাইভেট কার টি তুরাগ নদীতে পড়ে যাওয়ার খবর শুনে পথচারী ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ভিড় করছে। ফলে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের ঢাকাগামী লেনে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

