নারায়ণগঞ্জ সিআইডি অফিস সোর্স মোফাজ্জলের নির্দেশে চলে গ্রেপ্তার বাণিজ্য ও মাদক ব্যবসার সমাহার, হাত বাড়ালেই পাওয়া যায় মাদক

0
1120

বৈরাম খাঁ
স¯প্রতি নারাণয়গঞ্জ জেলার সিআইডি ক্যাম্পে কোন মামলা বা ক্রাইম ধমনের কোন কাজ না থাকলেও গ্রেপ্তারের নামে বাণিজ্য বেশ জমজমাট ভাবে চলছে, তার সাথে পাল্লা দিয়ে চলছে মাদক বাণিজ্য বিনীময় মোফাজ্জলের দিক নির্দেশনায় সিআইডি পুলিশ হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। এসকল আয়ের মূল উৎস সোর্স মোফাজ্জল। অনুসন্ধানে বেড়িয়ে আসছে অজানা অনেক কাহীনি সোর্স মোফজ্জল কখনো সিআইডির ইন্সেপেক্টর, কখনো ক্যাশিয়ার আবার কখনো সোর্স। দীর্ঘ ১২-১৪ বছর যাবৎ নারায়ণগঞ্জ সিআইডি কর্মকর্তাদের সাথে হাতে হাত মিলিয়ে কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গেছে। সিআইডি কে পুঁজি করে দুটি বাড়ি নির্মাণ করেন। অবৈধ আয়ের উৎস দিয়ে দুটি মটর পার্সের দোকান দিয়েছে। একটি হচ্ছে নারায়ণগঞ্জ রেলষ্টেশন সংলগ্ন, অপরটি বাস টার্মিনাল এলাকায়। এছাড়া যে দুটি বাড়ি ক্রয় করেছেন একটি হচ্ছে নারায়ণগঞ্জ পাইকপাড়া ৪ শতাংশ জমির উপর পাঁচ তলা ফাউন্ডেশন দিয়ে ইতি মধ্যে দ্বিতীয় তলা পর্যন্ত কাজ সমাপ্ত করেছেন। যাহার মূল্য কেটি টাকার উপরে। অপরটি হচ্ছে ফতুল্লা রোসেন হাউজিং এলাকায় দুই শতাংশ জমির উপর যাহার মূল্য প্রায় কোটি টাকা। এসকল অবৈধ আয়ের উৎস হচ্ছে নারায়ণগঞ্জ সিআইডি পুলিশকে বোকা বানিয়ে মোফাজ্জল কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গেছে। বুয়া ইন্সেপেক্টর মোফাজ্জল ৭-৮ জন সোর্স নিয়োগ দিয়েছেন আর তাহারা হচ্ছেন, সোর্স আলমগীর, জয়নাল, রবিন, বাসার সহ আরো ৬-৭ জন সোর্সের মাধ্যমে অবৈধ চোরাই তেল ও মাদক ব্যবসার মালিক ও সাপ্তাহিক চাঁদা আদায় করেন। সোর্স মোফাজ্জল নির্দেশে চোশে বেড়াচ্ছেন পুরো নারায়ণগঞ্জ জেলা। যেমন আরাই হাজার থানা এলাকা রূপগঞ্জ, বন্দর সিদ্ধিরগঞ্জ থানা, নারায়ণগঞ্জ সদর এবং ফতুল্লা থানা, সোনারগাঁ থানার মাদক সম্রাট শাহাজাহানের কাছ থেকে প্রতি মাসে মোফাজ্জল কে চাঁদা হিসাবে দিচ্ছেন এক লক্ষ টাকা। মাদক ব্যবসার স্থান নানকি, সাধুপুর ইউনিয়ন এবং শাহজাহানের সোলজার রমজান ও মনির জানা যায় মনির সুরুজ কম্পানীতে চাকুরি করে। সে কর্ভাট ভ্যান চালক সে চিটাগং থেকে কর্ভাট ব্যানে ইয়াবা মাদক বিয়ার সহ মূল্য ভ্যান মাদক আনা নেয়া করেন। এছাড়া নারায়ণগঞ্জ শহরের মাদক সম্রাট বন্দুক শাহিন সোর্স পুলিশের খাতায় পলাতক থাকলেও তার মাদক ব্যবসা  চলছে বন্দুক শাহিন প্রতিদিন বিভিন্ন লোকের মাধ্যমে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ টাকার মদ, বিয়ার, ইয়াবা বিক্রি করছে। এছাড়া নারায়নগঞ্জ পুলিশের নাকের ডগায় বিদেশী মদ, বিয়ার বিক্রির মূল হোতা বিটু ও  সন্দিপ। জানা যায় ঢাকা গুলশানের দুটি ডিপ্লোমেটিক বন্ডের ওয়্যার হাউজ থেকে মাদক সগ্রহ করে প্রাইভেট কার যোগে এনে নারায়ণগঞ্জ শহরে ছড়িয়ে দিচ্ছে। এদের কাছ থেকেও মোফাজ্জল লাখ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করছে। অথচ ছোট্ট একটি শহরে রয়েছে শত শত পুলিশ সদস্য রাস্তায় হাটলে পুলিশ গায়ে গায়ে ধাক্কা লাগে এরই মধ্যে কি ভাবে মাদক ছড়িয়ে পরে এটা কার বোধগম্য নয়। এখানে সাধারণ মানুষের অভিযোগ ইচ্ছা থাকলেই উপায় হয়। মাদক ব্যবসায়ীদের দমন করার ইচ্ছা থাকতে হবে, এটা যেন প্রশাসনের নজরেই নেই। এখানে উল্লেখ্য নাঃগঞ্জ ছোট একটি শহরে শত শত পুলিশ রয়েছে। তার মধ্যে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর রয়েছে। সদর, থানা, জেলা গোয়েন্দা সিআইডি পুলিশ, দুর্নিতি দমন কমিশন এতো কিছু থাকার পরও দের্দাছে মাদক বিক্রি হচ্ছে উক্ত পুলিশ সদস্যরা যেন মাদক ব্যবসায়ীদের কেনা গোলাম। আর একটি বাস্তব চিত্র আজও  মনে পরে হঠাৎ একদিন সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় হাজির হই তখন সেভেন মাজারের মুল হোতা নুর হোসেন মাদক ব্যবসা জমজমট তখন দেখা যেত র‌্যাবের গাড়ি, সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পুলিশের গাড়ি গিয়া নুর হোসেন মাদক ব্যবসা পাহারা দিত যাহা হাজার হাজার মানুষের চোখে এখনও ভেসে বেড়ায়। শুধু তাই নয় মাদক ব্যবসার টাকা সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি মতিনও পেত। যার ফলে অসি মতিন মাদক সম্রাট নুর হোসেন কে ওসি মতিন আব্বা বলে ডাকতেন এতে প্রতিয়মান হচ্ছে নাঃ গঞ্জ জেলার পুলিশ সদস্যরা সাধারণ মানুষের চেয়ে মাদক ব্যবসায়ীদের অবৈধ টাকার জন্য অপরাধী না ভেবে বরং ছালাম ও সম্মান দিয়ে চলেন। কিন্তু ধ্বংশ হচ্ছে আমাদের যুব সমাজ যার কুফল ঢাকার পুলিশ দম্পত্তি খুন হন নিজের নেশা খোর মেয়ের হাতে তবুও পুলিশের টনক নরেনী। ইচ্ছে করলে পুলিশ ২৪ ঘন্টায় অপরাধ দমন করতে পারেন। কিন্তু কেন এই উদাসিনতা? হারামের তোর আরাম নেই। যেখানে মোফাজলের কথা লেখা হয়েছে  তার নতুন নতুন তথ্য আমাদের দপ্তরে আসতে শুরু করেছে ফতুল্লা ফাজিলপুর কয়লার মাঠের বান্ডারির ছেলেরা চোরাই তেলের গোডাউন থেকে চোরাই তেল দরে ৫ লক্ষ টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেয়ার পর এই চলতি মাসের অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে কাল তেলের ৫টি ট্যাংক লড়ি আকট করে মোফাজ্জলের নির্দেশে সিআইডির মাসুদ করিম এসআই মোখলেছ, এসআই জাহাঙ্গীর মাধ্যমে কাচঁপুর ব্রিজের নিচ থেকে ৫ লক্ষ টাকার বিনিময়ে ট্যাংকলরি ছেড়ে দেন। এছাড়া সোর্স মোফাজ্জল নাঃগঞ্জ জেলায় মাদক ব্যবসার মৌখিক লাইসেন্স দিয়ে ভেড়াচ্ছেন। যার ফলে হাত বাড়ালেই পাওয়া যায় মাদক। এখানেই শেষ নয় সিআইডির বুয়া ইন্সেপেক্টর সোর্স ও ক্যাশিয়ার নামদারী মোফাজ্জলের আরো অজানা কাহিনী ও সচিত্র প্রতিবেতদন সহ প্রকাশ করা হবে। এখনও গভির অনুসন্ধান চলছে। আর কার যদি কোন অভিযোগ থাকে আমাদের বহুল প্রচারিত অপরাধ চিবিত্রের ঠিকানায় যোগযোগ করার জন্য অনুরোধ রহিল।

Advertisement
Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here