আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, যদি লোকেরা ইশা ও ফজরের সালাতের যে কতো ফজিলত রয়েছে তা জানতো! তাহলে অবশ্যই এই দু’সালাতে হামাগুড়ি দিয়ে হলেও তারা উপস্থিত হতো । (সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস নং ৭৯৬) অনুরূপ হাদিস আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকেও বর্ণিতঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, মুনাফিকদের সবচেয়ে ভারবহ কষ্টকর হচ্ছে ইশা এবং ফজরের সালাত। যদি তারা এই দু’সালাতের ফাজিলাত সম্পর্কে অবহিত থাকতো, তাহলে অবশ্যই তারা হামাগুড়ি দিয়ে হলেও তাতে হাযির হতো।(সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস নং ৭৯৭) আব্দুল্লাহ বিন আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ (সাঃ)এর সাথে মাগরিবের সালাত পড়লাম। তারপর যার চলে যাওয়ার তারা চলে গেলেন এবং যার থেকে যাওয়ার থেকে গেলেন।
রসূলুল্লাহ (সাঃ) এত দ্রুতবেগে এলেন যে, তাঁর দীর্ঘ নিঃশ্বাস বের হতে লাগলো। তিনি তাঁর দু’ হাঁটুর উপর ভর করে বসে বললেন , তোমরা সুসংবাদ গ্রহণ করো। তোমাদের প্রতিপালক আসমানের একটি দরজা খুলে দিয়েছেন এবং ফেরেশতাদের নিকট তোমারদের সম্পর্কে গর্ব করে বলছেনঃ তোমরা আমার বান্দাদের দিকে তাকিয়ে দেখো, তারা এক ফারয আদায়ের পর পরবর্তী ফারয আদায়ের অপেক্ষা করছে।
(সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস নং ৮০১)
সুবহানাল্লাহ! এতো সেই ঈমানদার ব্যক্তিদের কথা বলা হয়েছে, যারা নামায আদায় করার সাথে সাথে পরবর্তী নামাযের জন্য অপেক্ষারত থাকে। হে আল্লাহ, আমাদের

