কুমিল্লা প্রতিনিধি :-
মাদক কারবারী ওসি নজরুল২০০৯ সালে প্রথম নাঙ্গললকোট থানায় আসেন। ৫/৬ মাসের মধ্যেই তিনি মাদক ব্যবসায়ীদে সাথে সখ্যতা গড়ে তোলে। ফেন্সিডিল ও জুয়ার টাকা ভাগ নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হন। এই সংবাদ২০১১ সালের রমজান মাসে বৈশাখী টিভিতে প্রচার হওয়া তাকে ক্লোজ করা হয়, কুমিল্লা পুলিশ লাইনে।
মাদক কারবারীদের সাথে ওসি নজরুলের সখ্যতা ছিলো সর্বজন বিধিত।বাংগড্ডা ঢালুয়া বক্সগঞ্জ দৌলখাঁড় হয়ে উঠে মাদকের আখড়া।নাংগলকোট হতে নোয়াখালী চাঁদপুর মাদক চালান রুট চালু করেন নজরুল।
হাইওয়ে চৌদ্দগ্রাম ডলি রিসোট এ প্রতিসপ্তায় লক্ষ লক্ষ টাকার মাদক চালানের ব্যাস্থা হতো ওসি নজরুলের উপস্থিতে।
২০১৩ সালে তদবির করে তিনি আবার নাংগলকোট থানায় পোষ্টিং হয়ে আসেন। রাজনৈতিক সহিংতাকে কাজে লাগিয়ে শরুকরেন ব্যপক চাদাবাজি।চাদাবাজি ও মাদকের টাকায় তিনি গরুর খামার গড়ে তুলেন নাংলকোটে।
ব্যাপক সমালোচনার মূখে কিছু মাদক ব্যবসায়িকে গ্রেপ্তার করেন। এখানেও ওসি নজরুল ত্রিমুখি ব্যবসা শরু করেন।এক)-১৬০০ ইয়াবা সহ গ্রেপ্তা করা আসামী কে চালান দেন ১২ টি ইয়াবা দিয়ে- ফরোয়াডিংএ লিখেন গ্রেপ্তার কৃত ব্যক্তি মাদক সেবন কারী, বিনিময়ে মাদক ব্যবসায়ী থেকে ঘুষ নেন কয়েক লক্ষ টাকা।
দুই)- নিরিহ ভালো মানুষকে গ্রেপ্তার করে ইয়াবাহ সহ চালান দেয়ার ভয় দেখিয়ে মোটা অংকের টাকা আদায় করতেন।
তিন)- সিপাহী ও থানার সোর্স দিয়ে খুচরা বাজারে ইয়াবা বিক্রি করাতেন।
ইউনিয়ন কাউন্সিল নির্বাচনে ৭ লক্ষ টাকার রেট করে ৫ জন মেম্বার কে নিজহাতে ব্যালটে সীল মেরে বিজয়ী করেছন। তখন স্হানীয় ছাত্রলীগ ও যুবলীগ তার উপর ক্ষিপ্ত হয়।
সরকার বিরোধী আন্দোলনের সময় নিরিহ মানুষকে মামলার ভয়ভীতি দেখিয়ে কোটি টাকা কামিয়েছন। ব্যাপক সমালোচনার মুখে ২০১৬ সালের শেষদিকে আবার বদলি হয়ে যান।২০১৮ সালের ৮ টি ইউনিয়ন নির্বাচনের তৎবিরে মাধ্যমে নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে আবার নাংগল কোট থানায় আসেন। কিন্তু ভোট ডাকাতির অভিযোগ আমলে নিয়ে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ওসি নজরিল কে প্রত্যাহা করে নেন। নির্লজ্জ বেহায়য়া এই ওসি ৪র্থ বারে আবারও নাংগলকোট এ আসলে পাবলিক প্রতিহিংসা শিকার হবে।
পুলিশের ভাবমুর্তি ক্ষুনকারী ওসি নজরুল২০১৭ সালের বক্রী ঈদে ভুচ্ছি ও চৌয়ারা বাজারে তার খামারের ১২০ টি গরু নিজে উপস্থিত থেকে বিক্রয় করেন। নাঙ্গলকোট উপজোলার খাটাচৌ গ্রামে (প্রকাশ মাহাবুবুল হক কবিরাজের বাড়ী) সিসি ক্যামরা নিয়ন্ত্রিত গরুর খামার এখনো বর্তমান আছে, তার বউ নিয়োমিত খামারে আসে,খামারে বর্তমানে ৯০ টিরও বেশি গরু আছে।
নাঙ্গলকোটে আজ হাজার হাজার ছাত্র যুবক যে মাদকাশক্ত তার জন্য ওসি নজরুল দায়ী।
তদন্ত ও শাস্তিদান এলাকাবাসীর প্রানের দাবী।

