মিয়া মন্জুরুল আলম (রানা) নরসিংদী থেকেঃ
নরসিংদী জেলাশহর ও এর আসপাশ এলাকায় প্রতিনিয়ত শব্দ দুষনের ফলে জনজীবন মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ছে। শহর ও এর আশপাশ এলাকায় সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলে শব্দদুষনের ভয়াবহতা, এই শহরের প্রায় প্রতিটি মানুষের ঘুম ভাঙ্গে বিভিন্ন বিরক্তিকর মাইকিন আথবা স্পিকার এর আওয়াজে, হোটেল, রেস্তরা, থেকে শুরু করে বিভিন্ন ডাঃ ও ডায়গেনিষ্ট সেন্টার এর বিজ্ঞাপন চলে সকাল থেকে রাত অবদি পযন্ত, এই সকল মাইকিন কারিরা মানছেনা কোন সরকারী শব্দ নিয়ন্ত্রনের নীতিমালা। যার ফলে বিশেষ করে স্কুল কলেজ সহ বিভিন্ন হাসপাতালের অসুস্হ রোগীরা মারাত্মক ক্ষতির সম্মুক্ষিন হচ্ছেন। এছাড়াও বিভিন্ন আবাসিক এলাকায় দেখা যায় প্রায় সকল পারিবারিক অনুষ্ঠানে বাজানো হচ্ছে বড়, বড়, আকারের ও হাই ভোন্টের স্পিকার, এই সব বাজানো হয়ে থাকে সধারনত অনুষ্ঠান শুরু হওয়া থেকে সারা রাত পযন্ত। যার ফলে পার্শবতি বাসিন্দাদের নিজ বাড়িতে থাকা দায় হয়ে পড়ে। এই সকল স্পিকার এর বিকট আওয়াজে বিশেষ করে শিশু ও অসুস্হ রোগী দের জীবন হুমকির কারন হয়ে দাড়ায় এবং স্কুল কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থি দের লেখাপড়ার মারাত্মক বিগ্ন ঘটে থাকে। বেশকিছুদিন আগে নরসিংদীপৌরসভার দত্তপাড়া নামক এলাকায় একটি মুসলমানির অনুষ্ঠানে এই ধরনের স্পিকার বিকট শব্দে বাজাতে থাকলে, পাশের বাড়ির বৃদ্বা অসুস্হ হয়ে পড়ে, এক পর্যায়ে বৃদ্বার ছেলেরা স্পিকার এর অওজ কমাতে বলেলে অনুষ্ঠানকারি বাড়ির লোক জনের সাথে বাকবির্তকের সৃষ্টি হয় এবং এক পর্যায়ে সংঘষের সৃষ্টি হয়। এই সংঘষের ফলে দুই জন মারাত্মক অহত হলে নরসিংদী হাসপাতাল থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। এছাড়া ও শহরের প্রায় প্রতিটি রাস্তাঘাট ও অলিগলিতে ব্যাটারি চালিত রিক্সা ও অন্যান্ন অটোযান থেকে শোনাযায় এম্বোলেন্স ও ফায়ার সার্ভিস গাড়ীর হুইসেল। মাঝে মধ্যে কিছু ধনী ব্যক্তির দের দামি গাড়িতে ও সরকারি পুলিশ প্রশাসনের গাড়ির হুইসেল এর আওয়াজ পাওয়া যায়। সাধারন পথচারি এইসকল হুইসেল শুনে রিতিমত থমকে যায়। এযেনো মঘের মুল্লক এ পরিনিত হচ্ছে নরসিংদী শহর। নরসিংদী শহর ও এর আশপাশ এলাকার সাধারন নাগরিক এই ধরনের বিরক্তিকর ও অসহনিয় শব্দদুষনের অত্যাচার থেকে বাচতে সরকারের দায়িত্বে থাকা যথাযথ কতৃপক্ষের প্রয়জনিয় হস্তক্ষেপ কামনা করছে।
