ভাষাসৈনিক, বীরমুক্তিযোদ্ধা ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ বলেছেন, ব্রিটিশ আমল থেকেই বাংলাদেশে দুর্নীতি সর্বস্তরে প্রবেশ করেছিল। কিন্তু দেশরতœ জননেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সর্বস্তর থেকে দুর্নীতি নির্মূল করে চলেছেন। মন্ত্রী বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শুধু বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নন, তিনি সারা পৃথিবীর ৪০ কোটি বাঙালির আশা ভরসার প্রতীক।
আজ রবিবার পাবনা সার্কিট হাউজ অডিটোরিয়ামে পাবনা জেলার আইন শৃঙ্খলা ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় ভূমি মন্ত্রীর বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, কৃষি জমি নষ্ট করা যাবে না। তিনি আরও বলেন, জমি অধিগ্রহণে সরকার জমির মালিকদের অর্থনৈতিক দিকটি বিবেচনা করে বাজার দরের চেয়েও অতিরিক্ত ৩ গুণ মূল্য ধার্য করার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। তিনি বলেন, দেশের অধিকাংশ জমির মালিক অর্থনৈতিকভাবে অস্বচ্ছল। কারো কারো একমাত্র সম্বল হয়ে যায় অধিগ্রহণকৃত জমি। জমির মালিকরা যাতে নিঃস্ব বা ভূমিহীন না হয়ে পড়েন সেজন্য অধিগ্রহণে প্রাপ্ত টাকা দিয়ে অন্যত্র জায়গা ক্রয় করেও অতিরিক্ত টাকা দিয়ে আত্মনির্ভরশীল হতে পারে সেজন্য জমির মূল্য ৩ গুণ বেশি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী বলেন, এর সব কিছুই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গনমানুষের কথা চিন্তা করেই করছেন। গ্রাম আদালতের কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান মন্ত্রী। মন্ত্রী বলেন, অপরাজনীতিকে সরকার প্রশ্রয় দেয় না। তিনি বলেন, এদেশের মানুষ নির্ভয়ে নিসঙ্কোচে কাজ করতে যাবে। তিনি পাবনায় পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, ইপিজেড ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা থাকায় বিদেশিদের নিরাপত্তার জন্য পুলিশের সংখ্যা বাড়ানোর বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। মন্ত্রী বলেন, একুশের চেতনায় আলোকিত পাবনা গড়ে তুলতে হবে। তিনি পাবনার ঐতিহ্যবাহী রায় বাহাদুরের তাড়াশ বিল্ডিং এ একুশের চেতনায় আলোকিত পাবনার মিউজিয়াম অডিটোরিয়াম গড়ে তোলার বিষয়ে জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেন।
পাবনা জেলা প্রশাসক রেখা রানী বালোর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম, পাবনা সদরের এম.পি. গোলাম ফারুক প্রিন্স, পাবনা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউল রহিম লালসহ পাবনা জেলার ঊর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দ ও সরকারি কর্মকর্তাগণ এসময় উপস্থিত ছিলেন।
