স্টাপ রিপোর্টারঃ
মৌলভী বাজার জেলার সাবেক এল ও অফিসের সার্ভেয়ার হাবিব হোসেন এর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে এলাকা বাসীর। অনুসন্ধান কালে মৌলভীবাজার জেলার শেরপুর গ্রামের মঈনুল ইসলাম ও আনহার মিয়া জানান মৌলভী বাজার জেলার ব্রাহ্মন গ্রাম মৌজার তুলনায় শেরপুর মৌজার জমির মুল্য অনেকটা কম নির্ধারন হয়ায় শেখ মঈনুল ইসলাম ও আনহার মিয়া সার্ভেয়ার হাবিব ওরফে সেতু গং এর স্বরনাপন্ন হলে সার্ভেয়ার হাবীব হোসেন তাদের কাছে বড় অংকের টাকা দাবি করেন এবং বলেন উক্ত টাকার বিনিময়ে তাদের জমির মুল্য বৃদ্ধি করা যাবে। সেই মোতাবেক শেখ মঈনুল ইসলাম সার্ভেয়ার হাবিব হোসেন কে স্বাক্ষীর মাধ্যমে ব্যাংক মারফতে ২২ লক্ষ টাকা দেওয়া হয়। কিছুদিন পর হাবিব হোসেন এর সাথে যোগাযোগ কালে সে বিভিন্ন তালবাহানা করে সময় ক্ষেপন করতে থাকে। এক পর্যায়ে অতিষ্টিত হয়ে টাকা দেবার কথা বললে সে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে অযতা হয়রানী করতে থাকে। এ ব্যাপারে বিগত ২০/৬/২০১৬ ইং তারিখে (১) মাননীয় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) (২) মাননীয় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রেভিনিউ) (৩) মাননীয় ভূমি অধিগ্রহন কর্মকর্তা (এ এল ও) এর নিকট দরখাস্ত করাহয় কিন্তু ২২ লক্ষ টাকার কোন প্রকার সমাধান পাওয়া যায়নী বলে উল্লেখ করেন অভিযোগকারী গং। বর্তমানে সার্ভেয়ার হাবিবকে মৌলভী বাজার জেলা হইতে অন্যত্র বদলী করাহয়। অপরাধ বিচিত্রা সিলেট জেলা প্রতিনিধি অভিযোগপেয়ে মানবাধিকার কর্মী সহ সার্ভেয়ার হাবিব হোসেন এর সাথে তার নিজ বাসায় এ ব্যাপারে আলাপ কালে সার্ভেয়ার হাবিব হোসেন বলেন কিছু দিনের মধ্যে অভিযোগকারী মঈনুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করে লেনদের এর বিষয়টি নিস্পত্তি করবেন বলে উল্লেখ করেন তিনি। কিস্তু বর্তমানে সার্ভেয়ার হাবিব হোসেন অসস্ততার বাহানা করে যেখানে সেখানে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। এ ব্যাপারে অপরাধ বিচিত্রার অনুসন্ধান চলছে।
