দুমকী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াসে’র প্রভাব ও পূর্ণিমার জোয়ারের সৃষ্ট জলোচ্ছ্বাসে পটুয়াখালীর দুমকির বিভিন্ন স্থানে বেড়িবাঁধ ভেঙে প্রায় ১২টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। জলোচ্ছ্বাসের পানিতে ভেসে গেছে মাছের ঘের ও তলিয়ে গেছে ঘরবাড়িসহ হাসমুরগীর খামার। শুধু তাই নয়, খোঁজ নিয়ে জানা গেছে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের মধ্যে পাংগাশিয়া ইউনিয়নের চান্দখালী, রাজগঞ্জ,আলগী, মুরাদিয়া ইউনিয়নের কলাগাছিয়া, চিংগুড়িয়া,পশ্চিম মুরাদিয়া, শ্রীরামপুর ইউনিয়নের চরবয়েড়া, রাজাখালী, লেবুখালী ইউনিয়নের লেবুখালী বেলী ব্রীজ হইতে আজাহার জোমাদ্দারের বাড়ি পর্যন্ত, আংগারিয়ার মোল্লাখালী ও পশ্চিম আংগারিয়ার আবুয়াল গাজীর পার্শস্থ বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। এছাড়া আংগারিয়া ইউনিয়নের কাবিখার রাস্তা ভেঙ্গে পানিতে ডুবে গেছে গ্রাম। এ ছাড়া দক্ষিন মুরাদিয়ার মহিলা ফাজিল মাদ্রাসার সংলগ্ন নির্মানাধীন ব্রীজের সেন্টারিং প্রবল স্রোতের কারনে ভেঙ্গে পরে যাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ আব্দুল্লাহ সাদীদ বলেন, তিনি নিজেসহ সহকারি কমিশনার ভূমি আল-ইমরান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রকৌশলীসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পরিদর্শনে আছেন। নদীতে বিপদসীমার উপর দিয়ে জোয়ারের পানি প্রবাহিত হয়েছে।
এতে বিভিন্ন স্থানে বাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি ঢুকে পড়ে। বেড়িবাঁধ ভাঙ্গার বিষয়ে পানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার অবহিত করেন বলে জানান। আগে থেকে সতর্ক থাকায় ও যথাযথ প্রস্তুতি গ্রহণ করায় উপজেলার তেমন ক্ষতি হয়নি। তারপরও আমরা উপজেলার ক্ষতির তালিকা নিরূপণের প্রক্রিয়া শুরু করেছি।


