দু’আ এমন একটি হাতিয়ার যা জীবনের সকল প্রয়োজন পূর্ণ করতে সক্ষম। মানুষের চেষ্টা যেখানে শেষ দু’আ — এর কেরামতি সেখান থেকেই শুরু।
আমার পরিচিত এক আপুর ছেলেকে আইডিয়াল স্কুলে এডমিশন করাবে কিন্তু তার ছেলের এমতাবস্থা যে সে চোখে খুব কম দেখে, নরমাল ছেলেদের তুলনায় তার অবস্থা খুবই শোচনীয়। এমনকি কোচিং এর নরমাল এক্সামগুলোতে মাত্র ২৭/২৮ পাওয়া ছাত্র! এডমিশন এর সময় ছিল হাতেগোনা মাত্র ১০দিন। আর বলাবাহুল্য আইডিয়াল স্কুলে এডমিশনে এতো কম মার্ক কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়।
ছেলের এহেন অবস্থা দেখে আপুটা দিশেহারা প্রায়। তারপর হঠাৎ একজন এর কাছে সে “আসতাগফিরুল্লাহ” এর ফজিলত শুনল। এরপর শুতে,বসতে,ঘুমাতে সে একদিনে প্রায় ১৫হাজার এর মতো ইস্তেগফার পড়ে ফেলতো। এইভাবে এডমিশনের আগ পর্যন্ত টানা ১০দিন সে শুধু “আসতাগফিরুল্লাহ” পড়েছে এবং সাথে তাহাজ্জুদ নামাযও মাঝে মাঝে পড়েছে।
যখন এডমিশনের রেজাল্ট দিল সে আইডিয়াল স্কুলে চান্স পেয়ে গিয়েছে মাশা আল্লাহ! সাথে ছিল টপ ছাত্রদের লিস্টে তার নাম। যা আপুটার জন্য সম্পুর্ণ অকল্পনীয় আলহামদুলিল্লাহ।
সারাদিন ইস্তেগফার এর সঙ্গে আঠার মতো লেগে থাকলে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআ’লার নিকট সকল নেক দুয়া সঙ্গে সঙ্গেই কবুল হয়ে যায়। ‘ইস্তেগফার’ — হচ্ছে নিজের গুনাহের জন্য আল্লাহর নিকট ক্ষমা চাওয়া। রাসূল ﷺ দিনে সত্তর বারেরও অধিক আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতেন।
সবচেয়ে ছোট ইস্তেগফার হলো, أستغفرالله (আসতাগফিরুল্লাহ)!
মুস্তাজাবুদ দাওয়া
মুস্তাজাবুদ দাওয়া হলো সেই ব্যক্তি যার দুয়া করতে দেরি হলেও আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআ’লা দুআ কবুল করে নিতে দেরি করেন না, অর্থাৎ দুআ করার সঙ্গে সঙ্গেই কবুল হয়ে যায়।
[ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল (রহ.) এর মুস্তাজাবুদ দাওয়া সম্পর্কিত ঘটনাটি বিস্তারিত ভাবে জেনে নিতে পারেন।
দু’আ এমন একটি হাতিয়ার যা জীবনের সকল প্রয়োজন পূর্ণ করতে সক্ষম। মানুষের চেষ্টা যেখানে শেষ দু’আ — এর কেরামতি সেখান থেকেই শুরু।
আমার পরিচিত এক আপুর ছেলেকে আইডিয়াল স্কুলে এডমিশন করাবে কিন্তু তার ছেলের এমতাবস্থা যে সে চোখে খুব কম দেখে, নরমাল ছেলেদের তুলনায় তার অবস্থা খুবই শোচনীয়। এমনকি কোচিং এর নরমাল এক্সামগুলোতে মাত্র ২৭/২৮ পাওয়া ছাত্র! এডমিশন এর সময় ছিল হাতেগোনা মাত্র ১০দিন। আর বলাবাহুল্য আইডিয়াল স্কুলে এডমিশনে এতো কম মার্ক কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়।
ছেলের এহেন অবস্থা দেখে আপুটা দিশেহারা প্রায়। তারপর হঠাৎ একজন এর কাছে সে “আসতাগফিরুল্লাহ” এর ফজিলত শুনল। এরপর শুতে,বসতে,ঘুমাতে সে একদিনে প্রায় ১৫হাজার এর মতো ইস্তেগফার পড়ে ফেলতো। এইভাবে এডমিশনের আগ পর্যন্ত টানা ১০দিন সে শুধু “আসতাগফিরুল্লাহ” পড়েছে এবং সাথে তাহাজ্জুদ নামাযও মাঝে মাঝে পড়েছে।
যখন এডমিশনের রেজাল্ট দিল সে আইডিয়াল স্কুলে চান্স পেয়ে গিয়েছে মাশা আল্লাহ! সাথে ছিল টপ ছাত্রদের লিস্টে তার নাম। যা আপুটার জন্য সম্পুর্ণ অকল্পনীয় আলহামদুলিল্লাহ।
সারাদিন ইস্তেগফার এর সঙ্গে আঠার মতো লেগে থাকলে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআ’লার নিকট সকল নেক দুয়া সঙ্গে সঙ্গেই কবুল হয়ে যায়। ‘ইস্তেগফার’ — হচ্ছে নিজের গুনাহের জন্য আল্লাহর নিকট ক্ষমা চাওয়া। রাসূল ﷺ দিনে সত্তর বারেরও অধিক আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতেন।
সবচেয়ে ছোট ইস্তেগফার হলো, أستغفرالله (আসতাগফিরুল্লাহ)!
মুস্তাজাবুদ দাওয়া
মুস্তাজাবুদ দাওয়া হলো সেই ব্যক্তি যার দুয়া করতে দেরি হলেও আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআ’লা দুআ কবুল করে নিতে দেরি করেন না, অর্থাৎ দুআ করার সঙ্গে সঙ্গেই কবুল হয়ে যায়।
[ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল (রহ.) এর মুস্তাজাবুদ দাওয়া সম্পর্কিত ঘটনাটি বিস্তারিত ভাবে জেনে নিতে পারেন।
নিয়মিত ক্ষমাপ্রার্থনার মাধ্যমে আমাদের করা গুনাহগুলো যেমন মাফ হতে থাকে, তেমনি আল্লাহর কাছে প্রিয় হওয়ার পথ সহজ হতে থাকে।
গুনাহের পাল্লা হালকা হতে হতে দুআ কবুলের পথ আরও বেশি প্রসারিত হয়ে যায়।
“নিশ্চয়ই আল্লাহ তওবাহ্কারীদেরকে ভালবাসেন।”
(আল বাকারা : ২২২) “আসতাগফিরুল্লাহ” দিয়ে শুরু হোক আমাদের দুআ কবুলের যাত্রা।
গুনাহের পাল্লা হালকা হতে হতে দুআ কবুলের পথ আরও বেশি প্রসারিত হয়ে যায়।
“নিশ্চয়ই আল্লাহ তওবাহ্কারীদেরকে ভালবাসেন।”
(আল বাকারা : ২২২) “আসতাগফিরুল্লাহ” দিয়ে শুরু হোক আমাদের দুআ কবুলের যাত্রা।

