Warning: Uninitialized string offset 0 in /var/www/html/wp-includes/class-wp-meta-query.php on line 1
Warning: Uninitialized string offset 0 in /var/www/html/wp-includes/default-filters.php on line 1
Warning: Uninitialized string offset 0 in /var/www/html/wp-includes/script-loader.php on line 1
Warning: Uninitialized string offset 0 in /var/www/html/wp-includes/rest-api/endpoints/class-wp-rest-global-styles-controller.php on line 1
Warning: Uninitialized string offset 0 in /var/www/html/wp-includes/class-wp-script-modules.php on line 1
Warning: Cannot modify header information - headers already sent by (output started at /var/www/html/wp-includes/class-wp-meta-query.php:1) in /var/www/html/wp-content/plugins/wp-super-cache/wp-cache-phase2.php on line 1563
দশমিনায় জেলে পাড়ায় সন্ত্রসী হামলা, তিন জনকে পিটিয়ে আহত
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার সদর ইউনিয়নের সৈয়দ জাফর গ্রামের নদী তীরবর্তি জেলে পাড়ায় কথিত গদি মালিক সোহরাব হাওলাদারের সন্ত্রসী পুত্র শাহীন হাওলাদা, ঐ জেলে পাড়ায় পেট্টি শাহীন ওরুপে কুলি শাহীন নামে পরিচিত। গতকাল শুক্রবার ২৫ মে ২০১৮ তারিখে প্রতিবেশী জেলে সেকান্দার প্যাদার ছেলে হাসানসহ কয়েক জন জেলেকে নিজ গদিতে তুলে,দরজা জানালা বন্ধ করে সবুজ ও শাহিন লোহার রড ও হকিস্টিক দিয়ে এলোপাথারি পিটিয়ে হাসান,কামাল ও স্বপনকে গুরুতর জখম করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। গুরুতর আহত হাসান এখন দশমিনা হাসপাতালে চিকিৎসারত। হাসানের বাবা সেকান্দার প্যাদা, বড় ভাই কামাল জানান, শাহীন দশমিনা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের কর্মী।
তাই এলাকার সাধারন মানুষ শাহীনের বিরুদ্ধে কোন রকম মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেনা। কেউ কোন রকম প্রতিবাদ করতে গেলে তার ওপরেও নেমে আসে নির্যাতন। সন্ত্রাসী শাহীন ও সবুজ উপজেলা চেয়ারম্যানের ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে জেলে পাড়ায় এক ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক জেলে এ প্রতিনিধিকে জানান,গত কয়েক মাসে এই সন্ত্রসী চক্র মহিলাসহ অন্তত ১০/১২ জন জেলেকে মার ধর করেছে। কেন শাহীনের সাথে হাসানের মার ধরেরর ঘটনা, এমন প্রশ্নের জবাবে হাসানের বাবা ও বড় ভাই কামাল এবং প্রত্যাক্ষদর্শী জেলেরা বলেন, (জেলে পাড়ায় একটি বিধান আছে,জেলেদেরকে টাকা দাদন দিয়ে মাছ কিনে নেয়ার)সে সূত্রের আলোকে এক বছর পূর্বে শাহিনের নিকট থেকে হাসান ২৫ হাজার টাকা দাদন নিয়েছিল। যাহা গত ৯ মাসে পরিশোধ করে দেয় এবং দর দামে বুনি বোনাদ না হওয়ায় বাকী টাকা হাসান এককালীন শাহিনকে বুঝিয়ে দিয়ে চলে যায়। কিন্তু শাহিন পরে হাসানকে ডেকে এনে নিজের মাছের গদিতে তুলে দরজা জানালা বন্ধ করে শাহীন ও সবুজ লোহার রড ও হকিস্টিক দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। এসময় হাসানের ডাক চিৎকারে প্রতিবেশী জেলেরা এবং হাসানের বড় ভাই কামাল বাধা দিতে গেলে তাকেও পিটিয়ে আহত করে এবং এই বলে হুঙ্কার দেয়,এই নদীকে জাল বাইতে জলে আমার গদিতে মাছ দিতে হবে। অন্যথায় তোদেরকে ঐ নদীতেই ভাসাইয়া দিমু। শাহীন তার দলবল নিয়ে সারা বছর নদীতে জাল বাইলেও কেউ তার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস পায়না। নদীতে অবরোধ চলাকালীন শাহীনের সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে ৮/১০ টি জাল পেতে নির্বিচারে ইলিশ নিধনে মেতে ওঠে। প্রতিবাদ করতে গিয়ে ইতিপূর্বে ইউনুচ হাওলাদার,তার স্ত্রী নুর চেহারা,গফুর মোসল্লি,আঃ অহেদ হাওলাদারের পুত্র শহিদ হাং,মোঃ আলামিন, স্বপন মোল্লা,আবু মোল্লার ছেলে এব্রাহীমসহ বহু অসহায় গরীব জেলেদের কথা কথায় মার ধর করে বলেও জানায় এলাকাবাসী। সরেজমিনে গিয়ে জানাযায়,শাহীনের বাবা সোহরাব হাওলাদারও একজন দুস্কৃতিকারী লোক।তার বিরুদ্ধেও রয়েছে ভুড়ি ভুড়ি অভিযোগ। এলাকায় টাকার বিনিময় সালিশ বৈঠক,প্রতিবেশীর সাথে প্রতিবেশীর ক্লিক লাগানোই তার কাজ। এলাকায় ঢুকে অনেকটা কেঁচো খুজতে দেখা মিলে গোখড়ো সাপের। শাহীন একটি মাদক সেবক এবং মাদব ব্যাবসায়ী চক্রের হোতা। তার নেতৃত্বে বাউফলের কালাইয়া এবং ভোলার চরফ্যাশন থেকে ট্রলার যোগে আনা হয় বিপুল মাদক দ্রব্য। যা বিক্রি করার জন্য রয়েছে নারীসহ কয়েকজন বিক্রেতা। বিক্রয় স্পটগুলো কালারানী স্লূইজবাজার,আরজবেগী বাজার,কাটাখালী বেরীবাধের ব্লোক,কাটাখালী লঞ্চ ঘাটসহ ৮/১০ টি স্পট।