তাকে পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা রক্তে আগুন ধরিয়ে দেয়

0
699

বন্ধুর স্ত্রীর চোখে চোখ পড়তেই মনের লেনদেন হয়ে গিয়েছিল। প্রেমে রাজি হলেও বিয়েতে বন্ধুর সুন্দরী স্ত্রীর ছিল প্রবল আপত্তি। কারণ তার স্বামী রয়েছে। কিন্তু তাকে পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা রক্তে আগুন ধরিয়ে দেয়। সেই ভাবনা থেকেই বন্ধু গুলকেশকে খুন করা।

Advertisement

ভারতের রাজধানী দিল্লির রামা রোডের প্রেম নগর পাঠক এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে । মঙ্গলবার পুলিশ অভিযুক্ত গুলকেশকে গ্রেফতার করেছে। জেরায় তিনি নিজের অপরাধ স্বীকার করেছেন।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গুলকেশ এবং মৃত দলবীর খুব ভালো বন্ধু ছিল। ৩০ বছরের দলবীরের স্ত্রীকে ভালো লেগে যায় গুলকেশের। নিজের মনের কথা তাকে জানাতে দেরি করেননি গুলকেশ। দলবীরের স্ত্রীরও যে গুলকেশকে অপছন্দ ছিল এমন নয়। কিন্তু সংসার ছেড়ে যাওয়ার ইচ্ছে তার ছিল না। সেই কথা সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন তিনি।

এরপরেই লক্ষ্যপূরণ করতে নতুন ছক কষে গুলকেশ। বন্ধু দলবীরকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দিতে পারলেই তার স্ত্রীকে পাওয়া যাবে। এ ভাবনা থেকেই বন্ধুকে খুনের পরিকল্পনা করেন তিনি। গত সোমবার গভীর রাতে ফোন করে দলবীরকে ডেকে নিয়ে যান গুলকেশ। রামা রোডের প্রেম নগর পাঠক এলাকায় বন্ধুর মাথায় ইঁট দিয়ে আঘাত করে খুন করেন। এরপর মৃহদেহ রেল লাইনের উপরে ফেলে রেখে আসেন।

ট্রেন চলাচলের কারণে মরদেহ দেহ ক্ষতবিক্ষত হয়ে যাবে। তাহলে মৃত্যুর সঠিক কারণ বোঝা যাবে না। যার ফলে গুলকেশের প্রতি সন্দেহ জাগবে না। এ ভাবনা থেকে নিজেই স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে পুলিশকে ফোন করে তিনি জানান যে রামা রোডের প্রেম নগর পাঠক এলাকায় একটি মরদেহ পড়ে রয়েছে।

পুলিশকে বিভ্রান্ত করতে চেষ্টার কোনো ত্রুটি রাখেননি গুলকেশ। কিন্তু মৃত দলবীরের মোবাইল যাবতীয় রহস্যের জট ছাড়িয়ে দেয়। তদন্তের স্বার্থে মোবাইলের কল রেকর্ডস সামনে আসতেই সন্দেহের তালিকায় উঠে আসে গুলকেশের নাম। পরে জেরার মুখে ভেঙে পড়েন গুলকেশ। নিজেই অপরাধের কথা স্বীকার করে নেন।

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here