ডেঙ্গু আক্রান্ত অর্ধেকে নেমে আসলেও থামেনি মৃত্যুর মিছিল

0
607

ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা অর্ধেকে নেমে আসলেও থামেনি মৃত্যুর মিছিল। তবে গত কয়েকদিনে মৃত্যুর হার ঢাকার চেয়ে ঢাকার বাইরেই বেশি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চিকিৎসকদের অভিজ্ঞতার ঘাটতি আর অসচেতনতায় ঘটছে এমনটা। জ্বর দেখা দিলেই চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়ার তাগিদ দিয়েছেন তারা।

Advertisement

সব রেকর্ড ভেঙে চলতি বছরের ৭ আগস্ট এক দিনে ২ হাজার ৪২৮ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়। আরো ভয়াবহতার শঙ্কা থাকলেও এর পর ধীরে ধীরে উন্নতি হচ্ছে পরিস্থিতির। সবশেষ বৃহস্পতিবার এই সংখ্যা ১১৮৯।

তবে ভাবনার বিষয় অন্য জায়গায়। গত তিন দিনে দেশের হাসপাতালগুলোর তথ্য ঘেঁটে পাওয়া যায় মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতি এই তিনদিনে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা ১১ জন। এর মধ্যে সাতজনই ঢাকার বাইরে। আবার রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে মারা যাওয়া ৪ জনের ২ জনই এসেছে বাইরে থেকে।

সেন্ট্রাল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ড. মোজাহার হোসাইন বলেন, ফরিদপুর থেকে আসা এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। তার শরীরের বিভিন্ন জায়গা দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। তিনি বিকেল ৪টায় ভর্তি হয়েছিলেন এবং ভোর ৪টায় তার মৃত্যু হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হঠাৎ করে ঢাকার বাইরে ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়ার শতভাগ কারণ জানা না গেলেও অসচেতনতা হতে পারে অন্যতম কারণ।

মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক এ বি এম আবদুল্লাহ বলেন, যারা মারা যাচ্ছেন তারা সবাই যে ডেঙ্গুতে মারা যাচ্ছেন এটা হয়তো ঠিক নয়। কারণ অনেকে হয়তো ডেঙ্গুর পাশাপাশি আগে থেকেই অন্য রোগে ভুগছিলেন। বিশেষ করে বয়স্ক ও শিশুরা।

তবে একটু সাবধান হলেই এমন পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব বলেই মত তাদের।

নিবেদিতা মেডিকেল সেন্টারের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ড. এ. বি. সাদিক বলেন, সরকারি এবং বেসরকারি পর্যায়ে আমাদের আরও বেশি উদ্যোগ নেয়া উচিত। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও লার্ভা দমনের বিষয়গুলোতে আমরা একটু সচেতন থাকলে হয়তো এই সমস্যা অনেকটাই কমে আসবে।

ডেঙ্গুতে মৃত্যু সন্দেহে এ পর্যন্ত ১৬৯টি ডেথ কেস জমা পড়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রিভিও কমিটিতে।

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here