ডেস্ক রিপোর্ট : রায়হান হোছাইন চট্টগ্রাম থেকে- ঢাকা টু চট্টগ্রাম এক্সপ্রেসগুলোতে জমজমাটভাবে মাদক পাচার হচ্ছে। মাদক ব্যবসায়ীরা এখন ট্রেনকেই মাদক পাচারের নিরাপদ মাধ্যম বলে বিবেচিত করেছে। এতে প্রতিনিয়ত চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে মাদক পাচার হচ্ছে। পূর্বে তারা বিভিন্ন উপায়ে মাদক পাচার হতো। এমনি একটি দৃশ্য দেখা যায় তুর্ণা নিশিতা নামক ঢাকা টু চট্টগ্রাম এক্সপ্রেসে। এতে রেলপুলিশ, আনসারবাহিনী এমনকি ষ্টলবয়রাও জড়িত। তারা এসব মাদক পাচাারে সহায়তা করে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। শুধু তাই নয়, এতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সাধারণ যাত্রীদের। তারা মাদক ও বোমা অনুসন্ধানের নামে যাত্রীদের বিভিন্ন উপায়ে ফাঁদে ফেলছে, ছিনিয়ে নিচ্ছে টাকা, মোবাইলসহ বিভিন্ন দামী সামগ্রী। বিশেষত বিনা টিকেটে যাত্রীদের উৎসাহ দিয়ে ট্রেনে ভ্রমন করায় কিন্তু ঠিকই তাদের থেকে টিকেটের চেয়ে বেশী টাকা ছিনিয়ে নেয়। এ যেন ফোঁড়ার উপর মরন ফাদ। উপরন্তু এসব যাত্রীদের দৈঘ্য আনুমানিক ১০ ফুট এবং প্রস্থ ৭ ফুট বিশিষ্ট একটি ট্রেনের কক্ষে রাখা হয়, যা হলো নামাজের স্থান এবং এখানে মাদক পাচারকারীসহ বিভিন্ন মানুষ আরোহন করে। ফলে তারা গাঁজা, সিগারেটসহ বিভিন্ন তামাক জাতীয় দ্রব্য সেবন করে। বিষয়টি অত্যন্ত দূর্ভাগ্যজনক সত্য হলেও এমনটিই চলছে ঢাকা টু চট্টগ্রাম এক্সপ্রেসগুলোতে। এতে রেলওয়ে প্রশাসনের কোন তদারকিতো নেই বরং তাদের মধ্যে অসাধু কর্মকর্তাগণও জড়িত। বিষয়টি বিবেচনা পূর্বক জনসচেতনতার লক্ষ্যে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষন করছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন কী?.????
