প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ
চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় জাইকার অর্থায়নে সিইপিজেড থানাধীন আকমল আলী বেরীবাঁধে বসবাসরত ভূমিহীন জনগোষ্ঠীর জন্য বরাদ্দকৃত প্রায় ১৫ একর জায়গায় ভূমিহীন পূর্ণবাসনের ঘোষণা দিলে উক্ত স্থানে বসবাসরত জনৈক ব্যক্তি মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান ভূমিহীন সমবায় সমিতির নামে প্লট বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগে জানা যায়। সাগর পাড়ে বসবাসরত মোঃ দিদারুল আলম অভিযোগ করেন আকমল আলী বেরীবাঁধে প্রায় ১৫শ জেলে পরিবার নিদারুন কষ্টের মাধ্যমে দিনযাপন করে আসছে। তাদের নেই কোন বসত ভিটা। অথচ ধান্ধাবাজ মোস্তাফিজুর রহমান ভূমিহীন সমবায় সমিতির আড়ালে সমিতির সভাপতি সেজে প্লট বন্টনের নামে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে যারা প্লট ও ভূমি পাওয়ার যোগ্য তারা কেহই এ সুযোগ পাচ্ছে না বলে আকমল আলী বেরীবাঁধে বসবাসরত মোঃ হারুন অভিযোগ করেন। অপরদিকে বেরীবাঁধে বসবাসরত হাজার হাজার জেলে সম্প্রদায়ের মধ্যে বিষয়টিকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। জাইকার অর্থায়নে আকমল আলী বেরীবাঁধে সড়ক নির্মাণের কারণে দীর্ঘ ৪০ কিলোমিটার বেরীবাঁধ এলাকায় বসবাসরত ঘরÑবাড়ী উচ্ছেদ করে পোর্ট কানেকটিং সড়ক তৈরী করার কারণে হাজার হাজার বসতী উচ্ছেদ করা হয় কোন প্রকার পুর্নবাসন ছাড়াই উচ্ছেদ করায় উচ্ছেদকৃত পরিবারগুলো বর্তমানে সাগরের বুকে আশ্রয় নিয়েছে বলে জানা যায়। সরেজমিনে এ প্রতিবেদন তৈরী কালে অভিযুক্ত মোস্তাফিজের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তার ব্যবহৃত মোবাইল নং ০১৭৫২৯৭৩৪০ নাম্বারে ফোন করা হলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে ব্যাপক তালবাহানা শুরু করেন। এক পর্যায়ে তিনি মোবাইলটি বন্ধ করে দেন। এ বিষয়ে ৩৮নং ওয়ার্ড এর নবনির্বাচিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর গোলাম মোহাম্মদ চৌধুরী বলেন অভিযোগ পেলে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অতিশয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অপরদিকে ৩৯নং ওয়ার্ড এর নবনির্বাচিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ জিয়াউল হক সুমন সাংবাদিকদের বলেন এখনো পর্যন্ত আমি কোন ধরনের অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পাওয়া গেলে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রাপ্ত অভিযোগে জানা যায়, অভিযুক্ত মোস্তাফিজুর রহমান ১৫ একর জায়গায় প্লট বাণিজ্যের নামে প্রতি শতক জায়গা ১ লক্ষ টাকা হারে নিচ্ছে বলে বেরীবাঁধে বসবাসরত ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন। অভিযোগে আরো জানা যায় যে, উক্ত ১৫ একর জায়গায় প্রায় সাড়ে ৭শ পরিবারের কাছ থেকে ষ্ট্যাম্প কেনার নামে ৮শ টাকা হারে প্রায় ৬ লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নেয়। অথচ উক্ত অভিযোগ ব্যক্তি প্রশাসনের সামনে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও প্রশাসন উক্ত অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না জানা যায়। মোস্তাফিজ নিজেকে বর্তমান ক্ষমতাশীন দলের জননেত্রী শেখ হাসিনার পিতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর লড়াকু সৈনিক বলে দাবী করে আখের ঘুছানোর ধান্ধা চালিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় আওয়ামীলীগের প্রভাবশালী ব্যক্তিরা উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে দলীয় আইন লংঘন করে কর্মকান্ড চালানোর অভিযোগে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য দলের হাইকমান্ডের নির্দেশ কামনা করেন।
