ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর এলাকায় সুজন হত্যা মামলায় জড়িত প্রধান আসামী ইকবালকে মিরপুর এলাকা হতে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১০

0
134

২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ খ্রিঃ তারিখ আনুমানিক সন্ধ্যা ০৭.৩০ ঘটিকায় র‌্যাব-১০ এর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাজধানী ঢাকার মিরপুর থানাধীন এলাকায় একটি অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর থানার মামলা নং-১২, তারিখ-১২/০১/২০২৪ খ্রিঃ; ধারা-দন্ডবিধি আইন ১৮৬০ এর

Advertisement

১৪৩/৩৪২/৩২৩/৩২৪/৩২৫/৩২৬/৩০৭/৩৭৯ সংযোজন দন্ডবিধি-১৮৬০ এর ৩০২; চাঞ্চল্যকর সুজন (৩০) হত্যা মামলায় জড়িত পলাতক এজাহার নামীয় আসামী মোঃ ইকবাল হোসেন (২৯), পিতা-মোঃ গোলাম হোসেন, সাং-মির্জাপুর মান্দারতলা, থানা-মহেশপুর, জেলা-ঝিনাইদহ’কে গ্রেফতার করে। 

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, ভিকটিম মোঃ সুজন (৩০) পেয়ারা ব্যবসার সাথে জড়িত। গত ১১/০১/২০২৪ ইং তারিখে ভিকটিম সুজনের সাথে আসামী ইকবালসহ অপরাপর আসামীদের সাথে পেয়ারা ব্যবসার দামদর নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়। উক্ত বিরোধের জের ধরে ঘটনার দিন রাত ১০.১০ ঘটিকার সময় আসামী ইকবাল অন্য আসামীদের সহায়তায় ভিকটিম সুজনকে কৌশলে ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর থানার মির্জাপুর মান্দারতলা গ্রামের একটি মেহগনি বাগানে ডেকে নিয়ে যায়।

ভিকটিম সুজন মেহগনি বাগানে পৌছা মাত্র পূর্ব থেকে ওত পেতে থাকা আসামীরা ভিকটিমকে একটি মেহগনি গাছের সাথে বেঁধে ফেলে। পরবর্তীতে আসামী ইকবালসহ অপরাপর আসামীরা লোহার পাইপ এবং সুচালো বর্ষা দিয়ে ভিকটিম সুজনকে গুরুতর জখম করে এবং এলোপাথারি পিটিয়ে হাত পা ভেঙ্গে ফেলে। এরপর ভিকটিমের পরিবারের লোকজন খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌছালে ভিকটিমকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে, যশোরে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভিকটিম মৃত্যুবরন করেন। 

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে, গ্রেফতারকৃত আসামী উক্ত হত্যাকান্ডের সাথে তার সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে। সে উক্ত হত্যাকান্ডের পর থেকে নিজেকে আইনের হাত থেকে বাঁচানোর জন্য ঢাকার মিরপুরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপন করে ছিল বলে জানা যায়। 

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here