জামায়াতে সালাত আদায়ের ফযীলত কী?

0
146

(১) সাতাশ গুণ সাওয়াব বেশি পাওয়া যায়। (বুখারী: ৬৪৫)

Advertisement

(২) শয়তানের চক্রান্ত ও আক্রমণ থেকে বেঁচে থাকা যায়।(আবূ দাউদ: ৫৪৭)।

(৩) যে জামায়াতে মুসল্লী সংখ্যা যত বেশি সেখানে সালাত আদায়ে সাওয়াব তত বেশি। (আবু দাউদ: ৫৫৪) (৪) যে ব্যক্তি একাধারে চল্লিশ দিন জামাআতে তাকবীরে উলা (প্রথম তাকবীরের) সাথে সালাত আদায় করবে আল্লাহ তাকে দুটি জিনিস থেকে মুক্তির ঘোষণা দিয়েছেন, (এক) জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তি, (দুই) মুনাফেকী থেকে মুক্তি (তিরমিযী: ২৪১)।

(৫) যে ব্যক্তি ফজরের সালাত জামাআতের সাথে আদায় করে এরপর সে লোক আল্লাহর যিম্মায় থাকে। সন্ধ্যা হওয়া পর্যন্ত সেদিন সে লোক আল্লাহর নিরাপত্তা বেষ্টনীতে থাকে।(মুসলিম)

(৬) যে লোক ফজরের সালাত জামাআতের সাথে আদায় করে সেখানে বসেই সূর্যোদয়ের পূর্ব পর্যন্ত যিকির-আযকার করতে থাকে এবং অতঃপর দুই রাকআত (ইশরাকের) সালাত আদায় করে আল্লাহ তাকে একটি পূর্ণ হজ্জ ও একটি পূর্ণ উমরার সাওয়াব দান করেন।(তিরমিযী: ৫৮৬)

(৭) যে লোক এশার সালাত জামাআতে পড়ল সে যেন অর্ধেক রাত্রি দাড়িয়ে সালাত আদায় করল। আর যে লোক ফজরের সালাত জামাআতে পড়ল সে যেন সারা রাত জেগে (তাহাজ্জুদের) সালাত পড়ল (মুসলিম)। অর্থাৎ ফজরের জামাত এশার জামাআতের চেয়েও উত্তম। (৮) জামাআতে সালাত আদায় আল্লাহর কাছে বড়ই পছন্দের ইবাদাত। (মুসনাদে আহমাদ: ৫০২) (৯) জামাআতে যারা প্রথম কাতারে দাড়ায় রাসূলুল্লাহ (স.) তাদের জন্য তিনবার ক্ষমা প্রার্থনা করতেন আর দ্বিতীয় কাতারে যারা দাঁড়ায় তাদের জন্য প্রার্থনা করতেন একবার। (ইবনে মাজাহ)

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here