মোহাম্মদ শাহজাহান হাসানঃ গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ৪৭ নং ওয়ার্ডের জালাল উদ্দিন তার ছেলে জুবায়ের আহমেদের বিরুদ্ধে একটি প্রতারণা মামলা দায়ের করেছে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, নানা কৌশলে শাহজালাল পাঞ্জাবি এন্ড কটি হাউসের ১ কোটি ৩০ লাখ টাকা প্রতারণা ও আত্মসাৎ করেছেন বলে বিজ্ঞ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ৩ নং আদালত গাজীপুর, একটি মামলা করেছেন যার নাম্বার ৮৫৭।
অনুসন্ধানে করে জানা যায় ,বাদী দীর্ঘদিন মরকুন মাস্টারপাড়া টঙ্গী গাজীপুর এ শাহজালাল পাঞ্জাবী এন্ড কটি হাউস নামক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন পরিচালনা করেছেন। মোহাম্মদ জালাল উদ্দিনের প্রতিষ্ঠানে প্রায় দুই কোটি টাকার কাপড় সুতা এবং কটি ও স্থাপনা সহ যন্ত্রপাতি সমবেত আগেও ও এক কোটি টাকা মূল্যবান এর সম্পদ রহিয়াছে। মোহাম্মদ জালালউদ্দিন বয়োবৃদ্ধ হওয়ার কারনে য়স্ক লোক হওয়ায় ব্যবসা দেখাশোনা করার জন্য গত ৬ মার্চ ২০২৩ ইং তারিখে তার বড ছেলে জুবায়ের আহমেদ কে দায়িত্ব দেন। মোঃ জালাল উদ্দিনের ২ পুত্র ও ৪ নং সাক্ষী বাদীর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আসামি কে সহযোগিতা করিত। আসামি জোবায়ের আহমেদ সমুদয় ব্যবসায়িক লেনদেন মালামাল ক্রয় বিক্রয় মজুদ এবং সকল প্রকার আর্থিক লেনদেন করিত। বাদী সরল বিশ্বাসে আসামী উপর দায়িত্ব অর্পণ করিয়া নিশ্চিত ছিলেন। আদি এবং তিন ও চার নং সাক্ষীর মধ্যে আসামিকে হিসাব পত্র বুঝিয়ে দেওয়ার কথা বলিয়া আসামি চতুরতার আশ্রয় নিয়ে সব ঠিক আছে বলে সময় ক্ষেপণ করেন। কিছুদিন পূর্বে কয়েকজন ব্যক্তি জালাল উদ্দিনের নিকট পাওনা টাকা দাবি করিলে ভাবি খোঁজখবর নিয়া জানিতে পারে আসামি অসৎ উদ্দেশ্যে মালামাল বিক্রয়ের টাকা প্রতিষ্ঠানের হিসাব জমা না কোরিয়া বাদীর সুনাম ধন্য করিতেছে এবং ব্যবসাকে দেউলিয়া করিয়া ফেলিতেছে। অতঃপর বাদী সাক্ষী গন আসামি বাদি সহ ৩-৪ জন সাক্ষীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও আসামীর সন্ত্রাসী সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রকার ভয়-ভীতি হুমকি প্রদর্শন ও জানে মেরে ফেলবে বলে চলিয়া যায়। আসামি জুবায়ের আহমেদ গোপনে টিএনটি নামক হোটেলের পাশে জনৈক আলাউদ্দিন এর বাড়িতে শোরুম ও গোডাউন ভাড়া করিয়া বাদির প্রতিষ্ঠানের ১৩ হাজার পাঞ্জাবি ১ হাজার ছয়শত কটি যার মূল্য প্রায় ৩০ লাখ টাকা মজুদ করিয়া রাখিয়াছেন। এমনকি ৮/৯/২৩ তারিখে সকাল ১১ টায় বাঁদিকে অকট্য ভাষা গালিগালাজ করিয়া ধাক্কা দিয়া ওর শরীরে আঘাত করিয়া গোডাউন থেকে বাহির করিয়া তালা লাগিয়ে দেয় আসামি এক কোটি ৩০ লাখ টাকার মালামাল চুরি ও গোপন করিয়া নেওয়া মাল ফেরত দিতে বললে কোন টাকা ও মালামাল ফেরত দিবে না বলে উল্টো ২ নং সাক্ষীকে হত্যা করে মেরে বস্তার ভিতর ঢুকিয়ে তুরাগ নদীতে ভাসিয়ে দিবে জানিয়ে দেয়। বাদী কোন উপায়ান্ত না পেয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ নিয়েএলাকায় সালিশের ব্যবস্থা করিলে আসামি তাহার লালনকৃত সন্ত্রাসী বাহিনীদের দিয়ে ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে এবং যদি এই ব্যবসা নিয়ে কেউ কিছু বলে তাহলে তাদেরকে অবৈধ মাদক অস্ত্র মামলা দিয়ে জেল হাজতের পাঠাবে জেল হাজতের ভাত খাওয়াবে। অপরাধ বিচিত্রার অনুসন্ধানী দল অনুসন্ধান করে আরো জানতে পারে যে,১ কোটি ৩০ লাখ টাকা মালামাল আত্মসাৎ সহ গাজীপুরের বিভিন্ন লোকের কাছে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে এমনকি সে বিশাল সন্ত্রাসী বাহিনী গঠন করে প্রতিনিয়ত বাদী জালাল উদ্দিন কে প্রাণ নাসের হুমকি দিয়ে আসছে। এতে করে বাদীর পরিবারবর্গ চরম নিরাপত্তা হীনতায় ভুগিতেছে আসামি তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে যখন তখন ক্ষতিস সাধন করিতে পারে বলে তাদের বিশ্বাস। পরবর্তী সংখ্যায় তার সন্ত্রাসী বাহিনী ও সকলের নাম সহ সচিত্র প্রতিবেদন ধারাবাহিক প্রকাশ করা হবে।

