ছাতক (সুনামগঞ্জ)প্রতিনিধি
ছাতকে চেলা ও ধলাই নদীতে ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু মহাল থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ না হওয়ায় ফুসে উঠেছেন হাজার হাজার বারকি শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা। অবৈধ ভাবে ড্রেজার মেশিনে বালু উত্তোলন করায় ছাতকে বালু উত্তোলনকারী সমিতি ও ব্যবসায়ীরা গত সোমবার বিকালে পৌর শহরে থানা রোড় এলাকায় এক মানবন্ধন অনুষ্টিত হয়েছে । এ পরিস্থিতিতে চেলা নদীতে ড্রেজার মেশিন বন্ধে শহরে বারকি শ্রমিকরা মানবন্ধন করে ড্রেজার মালিক ও ইজারাদারকে ২৪ ঘন্টার আল্টিমেটাম দেয়া হয়। অন্যথায় বালু উত্তোলনে নিয়োজিত হাজার হাজার বারকি শ্রমিক ও বালু ব্যবসায়ীরা কঠোর আন্দোলনের হুসিয়ারি দেন।
ছাতকে বালু উত্তোলন ও সরবরাহকারী ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক কর্তৃক ইজারার শর্ত ও চুক্তিনামা ভঙ্গ করে চেলা নদী থেকে ইজাদারের সহযোগিতায় চটিবহর গ্রামের শিহাব মিয়া ও আমবাড়ী গ্রামের সুজন মিয়া বালু মহালে বালু উত্তোলন করছে। চেলা নদীতে ড্রেজার মেশিন বন্ধে সম্প্রতি বালু ব্যবসায়ীরা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেও কোন লাভ হয়নি।
এদিকে, গত সোমবার শহরের কাষ্টমস্ রোডে বালু উত্তোলনকারী সমবায় সমিতির শ্রমিক ও ছাতক বাজার একতা বালু উত্তোলন ও সরবরাহকারী ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমিতির উদ্দ্যোগে এক মানবন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্টিত হয়। সংগঠনের সভাপতি মো. সাত্তার মিয়ার সভাপতিত্বে ও সামছু মিয়ার পরিচালনায় আয়োজিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, সাবেক সভাপতি তোফায়েল আহমদ, সাবেক সম্পাদক খলিলুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ সামরু মিয়া, সদস্য মখলিছুর রহমান, ছমরু মিয়া, নেওয়াজ মিয়া, আলী হোসেন প্রমূখ।
সভায় বক্তারা বলেন, চেলা নদীতে ইজাদারের সহযোগিতায় চটিবহর গ্রামের শিহাব মিয়া ও আমবাড়ী গ্রামের সুজন মিয়া বালু মহালে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে অবৈধ ভাবে প্রতিদিন হাজার হাজার ঘনফুট বালু উত্তোলন করছে। প্রতিনিয়ত প্রকাশ্যে চেলা নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন করা হলেও স্থানীয় প্রশাসন ড্রেজার পরিচালনাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এ বিষয়ে সোমবার বারকি শ্রমিকরা শহরে দিনভর খন্ড খন্ড বিক্ষোভ মিছিল করে বালু মহাল থেকে অবৈধ ড্রেজার মিশন বন্ধের দাবি করেন।

