নবীজী (সাঃ) বলেন, কেউ যদি একটা গুনাহ্ করে তখন বাম কাধের ফেরেস্তা ডান কাধের ফেরেস্তাকে জিজ্ঞাসা করে..?? আল্লাহর নিয়ম হচ্ছে কেউ যদি একটা গুনাহ্ করে তাহলে তার আমলনামায় একটাই গুনাহ লিখা
হয়।আর নেকি যদি কেউ করে একটা তাহলে কমপক্ষে ১০ লেখা হয়। কিন্তু ডান কাধের ফেরেস্তা কারো জন্যই ১০ লিখেন না বরং ১০ এর সাথে মিলিয়ে আল্লাহর পক্ষ থেকে কারো জন্য ৭০, কারো জন্য ৭০০, কারো জন্য ৭০,০০০ এভাবে বাড়াইতে থাকেন। এটা কুরআন এর আয়াত…!! কিন্তু গুনাহ লিখা হয় ১ টাতে ১ টাই। কিন্তু এই ১ লিখার আগে বাম কাধের ফেরেস্তা ডান কাধের ফেরেস্তা কে জিজ্ঞাসা করেন যে, লিখবো এই গুনাহ টা আমার পৃষ্ঠায়..?? ডান কাধের ফেরেস্তা বলেন অপেক্ষা করো দেখো না আল্লাহর বান্দা তওবা করে কিনা। অনেকক্ষণ অপেক্ষা করার পরে আবার বলে এবার লিখবো..?? তখনও ডান কাধের ফেরেস্তা বলে না আর একটু অপেক্ষা করো, দেখো না তওবা করে কিনা। এবার ডান কাধের ফেরেস্তা বলবে আহারে তওবা করলোনা না। ঠিক আছে এবার লেখো তবে সাবধান, ১কে কিন্তু ১ কি লিখবা..!!
আল্লাহ্ বলেন, ফেরেস্তা এক লিখে রাখো। তবে খেয়াল রাখো এক সপ্তাহ পরে, একমাস পরে, একবছর পরে,১০ বছর পরে, ৭০ বছর পরেও যদি আমার বান্দা তওবা করে আমি কিন্তু তখনও মাফ করে দিবো। ফেরেস্তা কে ডেকে বলেন মুছে দাও গুনাহর পৃষ্ঠা। ফেরেস্তা মুছে দেয়..!!
আল্লাহ্ বলেন মুছে দিলে হবেনা। গুনাহর খালি পৃষ্ঠা গুলো নেকি দিয়ে পুরা করে দাও। সুবহানআল্লাহ! কি এক আল্লাহ্ পেলাম আমরা ভাষায়ও প্রকাশ করতে পারছিনা। সবসময় বেশি বেশি করে আল্লাহ্ কাছে তওবা করি আমরা। তাহলে নিশ্চয়ই আল্লাহ্ আমাদেরকে মাফ করে দিবেন ইনশাআল্লাহ

