পটুয়াখালী মির্জাগঞ্জের সুবিদখালী দারুস সুন্নাত ফাজিল মাদরাসার দ্বিতীয় শ্রেণীর মো: হাসান (৮) একজন এতিম ছাত্র। রোববার পৌনে ১১টার সময় হাসান মাদরাসা সংলগ্ন একটি ছৈলা গাছে উঠে ফল পাড়ার জন্য। এ সময় সে পা পিছলে গাছ থেকে পড়ে গিয়ে মাথার উপরের অংশ ফেটে গুরুতর আহত হয়।তাকে বেহুশ অবস্থায় মির্জাগঞ্জ উপজেলা সাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে এলে কর্তব্যরত মেডিক্যাল অফিসার ডাক্তার সোহেল আহমেদ জরুরি ভিত্তিতে বরিশাল পাঠানোর পরামর্শ দেন। কিন্তু কে নিবে হাসানকে? মা- বাবা কেউই নেই ছোট্ট হাসানের। প্রতিষ্ঠান ও কিছু দানশীল ব্যক্তির সহযোগিতায় তাকে বরিশাল নেয়া হয়েছে। রোববার দুপুরে বরিশাল হাসপাতালে হাসানের চিকিৎসা শেষে ডাক্তার আল্লাহকে স্মরণ করতে বলেছেন তার সাথে আসা মাদরাসার শিক্ষকদের। এখন পর্যন্ত এতিম ছাত্রটির জ্ঞান ফেরেনি। সোমবার তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল থেকে ঢাকায় নেয়া হবে বলে জানান শিক্ষকরা।
এতিম ছেলের চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন মানুষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিচ্ছেন তার সাহায্যের জন্য।বরিশাল হাসপাতালে থাকা মাদরাসা শিক্ষক ও বোডিংয়ের তত্ত্বাবধায়ক মো: মহিউদ্দিন জানান, রোববার সকালে মাদরাসা সংলগ্ন একটি গাছ থেকে পড়ে গেলে হাসানের মাথার তালুর একাধিক অংশে ফেটে যায় এবং অনেক রক্তক্ষরণ হয়। পরে তাকে মির্জাগঞ্জ উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বরিশাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর পরামর্শ দেন ডাক্তার। বর্তমানে বরিশাল হাসপাতালে চিকিসাধীন আছে। তার চিকিৎসার জন্য অনেক টাকার প্রয়োজন। এতিম ছাত্রের চিকিৎসার জন্য দেশের দানশীলদের কাছে সাহায্য কামনা করেন। ছোট্ট হাসানের জন্য সাহায্য পাঠানোর জন্য মাদরাসার শিক্ষক মো: মহিউদ্দিন নম্বর (বিকাশ)-01766-652467।

