রিপোর্ট:
বিভিন্ন স্থানীয় জাতীয় পত্র পত্রিকায় লেখালেখির পড়েও থেমে নেই বাকেরগঞ্জ থানার পিচাশ লচ্চুা শয়তান ও কুলংঙ্গার এস.আই. কমলের ঘুষ বাণিজ্য। এস.আই. কমল দিনে দিনে অপরাধ ও ঘুষ বাণিজ্যের মহা নায়কে পরিনত হয়েছে। মামলা সূত্রে জানাযায় বরিশাল বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাষ্ট্রেট আদালত মামলা নং ২২৭/১৭ এর সার্স ওয়ারেন্টের মাধ্যমে ষ্ট্যাম্প উদ্ধার পূর্বক প্রতিবেদন দাখিলে নির্দেশ দেন। এস.আই. কমল আসামীর পক্ষের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা ঘুষ খেয়ে ষ্ট্যাম্প উদ্ধার না করে সম্পূর্ণ মনগড়া মিথ্যা প্রতিবেদন দাখিল করেন। বাকেরগঞ্জে বিজ্ঞ ম্যাজিষ্ট্রেট আদলতের ২৪৫ নং মামলার তদন্তের রির্পোট প্রদান করেন তাও মিথ্যা। সার্স ওয়ারেন্টের রির্পোটের পরিবর্তে অন্য মামলার তদন্ত রির্পোট মিথ্যা পেশ করেন। তিনি ঘটনা স্থলে না গিয়ে ঘুষের টাকা খেয়ে আসামীর ঘরে তালা লাগানো রির্পোট উল্লেখ করেন।
মামলার আসামী কলসকাঠী ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামের গাজা ব্যবসায়ী ও গাজা খোর মোক্তার হাওলাদারের পুত্র কবির হাওলাদার ও পটুয়াখালী জেলার দুমকি থানার রাজাখালী ইউনিয়নের রাজাখালী গ্রামের জঙ্গী সংগঠনের অস্ত্রধারী সদস্য ও থানার দালাল ধলু হাওলাদারের পুত্র ইউসুফ হাওলাদার এর মাধ্যমে ওই ঘুষের টাকায় দফা রফা করা হয়। জঙ্গী ইউসুফ হাওলাদার ও গাজা ব্যবসায়ী কবিরের হাওলদারের বিরুদ্ধে অর্ধ ডজন মামলা চলমান রয়েছে। জঙ্গী সংগঠনের অস্ত্রধারী সদস্য ও রাজাকার ইউসুফ হাওলাদার অদ্য দিন পর্যন্ত পলাতক রয়েছে। এখন সে বাকেরগঞ্জ থানার কলসকাঠী ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামে হাওলাদারবাড়ী পলাতক রয়েছে। অপরদিকে বাকেরগঞ্জ প্রেসক্লাবের নেত্রীবৃন্দ বিষয়টি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের ক্ষতিয়ে দেখার অনুরোধ জানিয়েছেন। উল্লেখ্য এসকল অপরধা করেও আসামী এবং এস আই কমল বহালা তবিয়তে রয়েছে। এস.আই. কমল এব্যাপারে বাকেরগঞ্জবাসীর দাবী দূর্নতিবাজ এই পুলিশ কর্মকর্তার সকল অপকর্ম ও ২জন আসামীর অপকর্ম তদন্ত পূর্বক যথাযথ কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা গ্রহন করিবেন। চলবে..

