পটুয়াখালী উপকুলীয় প্রতিনিধি: স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে স্বাধীনতা বিরোধী, অপশক্তি, সাম্প্রদায়িক উগ্র মৌলবাদীদের ডাকা সকাল সন্ধা হরতালে কোন প্রভাব পরেনি পর্যটন নগরী কুয়াকাটাসহ সমুদ্র উপকুলীয় এলাকায়। হরতালকে উপেক্ষা করে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে শত শত পর্যটকরা কুয়াকাটায় ভ্রমণে আসে। কুয়াকাটা-ঢাকা মহাসড়কে যানবাহন চলাচল ছিল স্বাভাবিক। প্রভাব পরেনি মানুষের জীবনযাত্রায়। কুয়াকাটাসহ সমুদ্র উপকুলের মানুষ হেফাজতের ডাকা হরতালকে প্রত্যাখান করে বলেন,একটি গোষ্টি তাদের রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের জন্য সুবর্নজয়ন্তীতে ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে। হরতাল ডেকেছে। এ হরতালের ডাক দিয়ে তারা স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্টের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে প্রমান করেছে তারা পাকিস্তানী এজেন্ট হিসেবে কাজ করছে।
এদিকে হরতালকে প্রত্যাখান করে কুয়াকাটা পৌর আওয়ামী লীগ বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে। শনিবার (২৭ মার্চ) রাত ৮টায় পৌর আওয়ামী লীগের কার্য্যালয়ের সামনে থেকে মিছিলটি বের হয় । মিছিলটি কুয়াকাটা-ঢাকা মহাসড়কসহ পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কুয়াকাটা জিরো পয়েন্টে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মেয়র আঃ বারেক মোল্লা। সমাবেশে নেতা কর্মী সবাইকে সতর্ক অবস্থানে থাকেতে বলেন। তিনি আরও বলেন স্বাধীনতার সুবর্ন জয়ন্তী ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকায় এসেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
তার সফরকে কেন্দ্র করে জামাত ও বিএনপি পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর দোষররা সারা দেশে নারকীয় তান্ডব চালিয়েছে। আঃ বারেক মোল্লা আরও বলেন, যারা এই উন্নয়নের ধারা ব্যাহত করতে মাঠে নামবে আমরা রাজনৈতিক ভাবে তাদের মোকাবেলা করবো।
সকল নেতাকর্মীকে মাঠে থাকতে নির্দেশ দেন তিনি। এসময় জামাত, বিএনপি ও হেফাজতের ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

