দেশ বিদেশের বিত্তশালী ব্যাক্তিদের নিকট সাহায্যের আবেদন করেছেন মেধাবী প্রতিবন্ধী স্কুল ছাত্র দুখু মিয়া কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের বকবান্দা গ্রামের বাসিন্ধা মেধাবী ছাত্র দুখু মিয়া।দুখু মিয়া বকবান্ধা দ্বীমুখী উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেনীতে পড়শোনা করেন। তার বাবার নাম মোঃ আলমাছ আলী, মাতার নামঃ মোছাঃ গুলেনুর বেগম। দুখু মিয়া গরিব অসহায় পরিবারে জন্ম নিয়েছেন সে বাবার বড় ছেলে দুটি হাত দুইটা পা একদম জন্ম থেকেই পুঙ্গ।সে নিজের শক্তিতে উঠাবসা করতে পারেনা সবকিছুই অন্যের সাহায্যে চলাফেরা করে থাকেন। তবে হাটাচলা করতে না পারলেও একটি পায়ে একটু শক্তি রয়েছে ওই পা দিয়েই সে পড়াশোনায় একজন মেধাবী শিক্ষার্থী হিসাবে গন্য হয়েছে। মেধাবী দুখু মিয়ার বাবা আলমাজ আলী জানান আমার ৩টি ছেলে একটি মেয়ে বড় ছেলে দুখু মিয়া জন্ম থেকেই প্রতিবন্ধী সপ্তম শ্রেনীতে পড়ালেখা করে।
দুখু মিয়াকে প্রতিদিন ঘারে করে স্কুলে পৌছে দিয়ে আবার ঘারে করে বাড়িতে আনতে হয়। এদিকে বড় ছেলে দুখু মিয়া প্রতিবন্ধী সপ্তম শ্রেনীতে, মোঃ আরিফুল ইসলাম ৭ম শ্রেনীতে, আলামিন ৩য় শ্রেনীতে, একটি মেয়ে মোছাঃ আলফুলী খাতুন ১ম শ্রেনীতে বকবান্ধা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতাছে অর্থকরি কিছুই নেই।
দিন আনি দিন খাই আবার প্রতিবন্ধী দুখু মিয়াকে আনা নেয়াই করাটাই বড় সমস্যা। সর্বশেষ আলমাজ আলী জানান আমার ছেলে প্রতিবন্ধী হলেও সে একজন মেধাবী ছাত্র সরকারের কাছে তার পড়লেখার জন্য সুদৃষ্টি কামনা করছি।
অপর দিকে দুখু মিয়া বলেন দেশবিদেশের বিত্তশালী ব্যাক্তিদের কাছে আমার দাবী আমাকে সাহায্য করলে আমি কারর কাছে বুঝা হয়ে থাকতে চাইনা। আমাকে যদি বিত্তশালী দয়াবান ব্যাক্তিরা সহযোগিতা করেন আমি একদিন আল্লাহর রহমতে বড় ইঞ্জিয়ার হবো।

