কাজী অফিস

0
3056

এস এম পান্না :  বিয়ের আনন্দের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজটি করেন কাজী সাহেব। কাজী বিয়ে রেজিস্ট্রি করে পাত্র-পাত্রীকে একত্রিত করে থাকেন। বিয়ে করতে সকলকে রেজিষ্ট্রী কাজী অফিসের মাধ্যমে করতে হয়। কাজী অফিস বাংলাদেশ আইন মন্ত্রণালয়ের অধীনে রয়েছে। ঢাকা শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ওয়ার্ড অনুযায়ী কাজী অফিসগুলো ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। এই কাজী অফিসে বিবাহ সম্পর্কীয় বিভিন্ন ধরনের সেবা প্রদান করা হয়ে থাকে।কাজী অফিসে সাধারনত বিবাহ রেজিষ্ট্রেশন, তালাক রেজিষ্ট্রেশন, কাবিননামা (বাংলা, ইংরেজী এবং আরবী), বিবাহ সনদ (বাংলা, আরবী ও ইংরেজী), তালাকনামা (বা্ংলা ও ইংরেজী), হারিয়ে যাওয়া কাবিননামা প্রস্তুত, কোর্ট ম্যারেজ সার্টিফিকেট সরবরাহ সংশ্লিষ্ট কাজগুলো হয়ে থাকে।মুসলিম বিবাহ আইন অনুসারে মেয়ের বয়স ন্যূনতম ১৮ বছর ও ছেলের বয়স ন্যূনতম ২১ বছর হতে হয়।বিয়ের সময় পাত্র-পাত্রী উভয়ের বয়স প্রমাণের জন্য জন্ম নিবন্ধন সার্টিফিকেট ও জাতীয় পরিচয় পত্র প্রদর্শন ও ফটোকপি জমা দিতে হবে। যেকোন পক্ষের ২ জন প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তিকে সাক্ষী ও একজন প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তিকে মেয়ের পক্ষ থেকে বিবাহে উকিল হিসেবে বিবাহ রেজিষ্ট্রেশন ফরমে তাদের নাম, ঠিকানা উল্লেখপূর্বক স্বাক্ষর করতে হয়। তবে উকিলের বিষয়টি বাধ্যতামূলক নয়, থাকলে ভাল হয় আর না থাকলে তেমন কোন অসুবিধা হয় না।এছাড়া বিয়ের ক্ষেত্রে যে বিষয়টি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ সেই দেনমোহর নির্ধারণে কাজী অফিসের কোন ভূমিকা নেই।এক্ষেত্রে ছেলে পক্ষের আর্থিক অবস্থা ও মেয়ে পক্ষের সম্মতিতেই সাধারণত দেনমোহর ধার্য করা হয়।সাধারণত এক লাখ টাকা কাবিনের বিয়ের রেজিস্ট্রেশনের জন্য দিতে হয় এক হাজার টাকা। তবে কাবিন যতো বেশিই হোক সর্বোচ্চ চার হাজার টাকার বেশি রেজিস্ট্রি খরচ দিতে হয় না। কাজী অফিসে বিয়ে করার পূর্বে নোটারী পাবলিকের নিকট এফিডেভিট করে নিতে হয়। কাজী অফিস থেকেও এফিডেফিট করিয়ে দেওয়া হয়। এফিডেভিট করতে সর্বনিম্ন ৫০০/- থেকে শুরু করে আপনাকে মফিজ বানিয়ে যা নিতে পারে।  বিস্তারিত আরো অনেক তথ্য থাকবে পরের সংখ্যায় ।   চলমান

Advertisement
Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here