বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, উন্নত দেশগুলোতে শুল্ক জটিলতা দূর করা হলে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি আরো বাড়বে। শুল্ক জটিলতার কারনে বাংলাদেশের রপ্তানি অনেক ক্ষেত্রে বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। বিশ^বাণিজ্য সংস্থার সিদ্ধান্ত মোতাবেক উন্নতবিশে^র দেশগুলো এলডিসিভুক্ত দেশগুলোকে ডিউটি ও কোটা ফ্রি বাণিজ্য সুবিধা প্রদান করার কথা, কিন্তু অনেক উন্নত দেশ সে সুবিধা দিচ্ছে না। বিভিন্ন ধরনের শুল্ক জটিলতার কারনে রপ্তানি বাধা গ্রস্থ হচ্ছে। মন্ত্রী বলেন, ওয়াল্ড কাস্টমস অর্গানাইজেশন উদ্যোগ নিয়ে শুল্ক ক্ষেত্রে চলমান জটিলতাগুলো দূর করলে উন্নতবিশে^ বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি বৃদ্ধি পাবে। বিভিন্ন নামে শুল্ক আরোপের কারনে বিশে^র অনেক দেশে বাংলাদেশী পণ্য রপ্তানি বাধাগ্রস্থ হচ্ছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী আজ মন্ত্রণালয়ের অফিস কক্ষে বাংলাদেশে সফররত ওয়াল্ড কাস্টমস অর্গানাইজেশন এর সেক্রেটারি জেনারেল কোনিও মিকুরিয়া(গৎ. কঁহরড় গরশঁৎরুধ)-এর সাথে সাক্ষাতের সময় এসব কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বিশ^রপ্তানি বাণিজ্যে বাংলাদেশ দক্ষতার সাথে এগিয়ে যাচ্ছে। গত অর্থ বছরে বাংলাদেশ ৩৪.৮৩৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি করেছে। ২০২১ সালে রপ্তানির পরিমান দাড়ারে ৬০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্য এবং বাজার সম্প্রসারিত হচ্ছে। অনেক দেশে শুল্ক জটিলতার কারনে পণ্য রপ্তানি করা যাচ্ছে না। বিশেষ করে উচ্চ শুল্কহার, নতুন নতুন নামে শুল্ক আরোপ রপ্তানির জন্য বড় বাধা। ওয়াল্ড কাস্টমস অর্গানাইজেশন এ ক্ষেত্রে কাজ করতে পারে।
সফররত ওয়াল্ড কাস্টমস অর্গানাইজেশনের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, বিশ^বাণিজ্য সংস্থার সদস্য দেশগুলোর কাস্টমস সমস্যা সমাধানে কাজ করছে। শুল্কায়নের ক্ষেত্রে পরামর্শ, প্রশিক্ষণ ও টেকনিকেল সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। বিশ^বাণিজ্য সহজিকরনে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করে যাচ্ছে ওয়াল্ড কাস্টমস অর্গানাইজেশন। কাস্টমস জটিলতার কারনে যাতে বিশ^ বাণিজ্য কাধাগ্রস্থ না হয়, সে বিষয়ে কাজ করছে ওয়াল্ড কাস্টমস অর্গানাইজেশন।
বাণিজ্যসচিব শুভাশীষ বসু, ডব্লিউটিও এর মহাপরিচালক মুনর চৌধুরী, রপ্তানি ২ শাখার অতিরিক্ত সচিব তপন কান্তি ঘোষ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
