তাসমিয়াঃ-দক্ষিন বাড্ডার কাশেম মিয়া বিভিন্ন মামলা ও ফাসির আসামি নিয়ে আশার পরিবার । এই পরিবারটি বাড্ডার ওসি ওয়াজেদের আর্শিবাদপুষ্ট। ওসি ওয়াজেদের নেক নজরে থাকায় তাদেরকে এলাকাবাসী সমীহ করে চলতে হয়। ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না। এলাকাবাসী কাছে কাশেম মিয়ার পরিবার এখন ইয়াবা পরিবার নামে পরিচিত।
আশা এবং তার স্বামী মান্নান ছেলে মুন্না ও মীম এবং হত্যা মামলার ৫বৎসরের সাজা ভুক্ত আসামি রাজীব এবং মাফিয়া মুজিবরকে নিয়ে ওসি ওয়াজেদের রমরমা মরণ নেশা ইয়াবা ব্যবসা । ওসি ওয়াজেদ বাড্ডা এলাকায় এমন কোন অপরাধ এবং অবৈধ ব্যবসা নাই যেখানে তার হাত। বড় অংকের বিনিময়ে ওসি ওয়াজেদ অপরাধ গুলো ধামাচাপা দিয়ে বসে থাকে । এবং অসহায় নিরপরাধী গরিব মানুষকে টাকার অভাবে ওসি ওয়াজেদের বলির পাঠা হয়ে সাজা ভোগ করতে হয়।এলাকা বাসী কষ্টে উর্পাজিত র্অথ দিয়ে প্লট, ফ্লেট কিনে তাতে উঠতে পারছেনা ওসি ওয়াজেদের অবৈধ দখলদারের জন্য।ওসি ওয়াজেদের কল্যাণে বাড্ডা এলাকায় দেহ ব্যবসয়ী ঘর পাওয়া যায় প্রতিটি গলিতে। মদেরতো ঘাটি বললেই চলে বাড্ডা এলাকা।ওসি ওয়াজেদের অবদানে আশাদের মতো পরিবার মরণ নেশার ব্যবসা করে রাতারাতি কোটিপতি বনে টাকার গরমে এলাকাতে একক আধিপত্য বিস্তার করে সাধারণ নিরিহ মানুষের উপর চালায় অমানবিক অত্যাচার। দক্ষিন বাড্ডায় ইয়াবা পরিবার নামে খ্যাত ওসি ওয়াজেদের আশার পরিবার। এধরনের শতশত পরিবার আছে ওসি ওয়াজেদের অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা করে। আইনের পবিত্র পোষাক ধারী ওসি ওয়াজেদের নিকট এলাকা বাসী কোন অভিযোগ নিয়ে থানায় আসলে তাদের অভিযোগ প্রত্যাখান করে অপরাধীর সাথে হাত মিলায়ে তার টাকার লালসা মিটায়। ফলে র্নিযাতিত লোকজন হতাশ হয়ে ফিরে আসে তাদের করুন আর্তনাদ দেখা বা শোনার কেউ নাই। পবিত্র পোষাক ধারী অপরাধের গড ফাদার ওসি ওয়াজেদের ভয়ে সধারণ মানুষ চোরের কিল মতনে হজম করছে । রক্ষক যদি ভক্ষক হয় মানুষ যাবে কোথায়?

