এমন সুপারসোলজার বানাচ্ছে চীন যা আকাশ থেকে পাতাল সব জায়গায় পৌঁছবে

0
537

বেশ কয়েক বছর যাবৎ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞানীরা জীবজগত নিয়ে নানানরকম পরীক্ষা চালাচ্ছেন। পাশাপাশি, বহুদিন ধরেই মানুষ এবং অন্যান্য প্রাণীদের মধ্যে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার জেরে “সংকরায়ন” পদ্ধতির মাধ্যমে হাইব্রিড তৈরির চেষ্টাও চলছে। তবে, এবার চিনা বিজ্ঞানীদের এইরকমই একটি পরীক্ষার কথা সামনে এসেছে।“দ্য সান”-এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী জানা গিয়েছে যে, একদল চিনা বিজ্ঞানী একটি মহিলা শিম্পাঞ্জিকে মানুষের শুক্রাণু দিয়ে গর্ভবতী করেছিলেন, যাতে বাস্তব জীবনের “HUMANZEE” তৈরি করা যায়। পাশাপাশি, প্রতিবেদনটিতে আরও জানানো হয় যে, এই প্রকল্পটির কাজ অনেক আগে শুরু হলেও ১৯৬০-এর দশকে চিনে সাংস্কৃতিক বিপ্লবের সময় বিতর্কিত এই প্রকল্পটি বন্ধ হয়ে যায়। যে কারণে, মহিলা শিম্পাঞ্জিটি গর্ভধারণের তিন মাস পরেই মারা যায়।বড় সম্মান দেওয়া হল নীরজ চোপড়াকে, গ্রামে বসল স্পেশ্যাল সোনালী পোস্ট বক্ আর নয় আগুন! চিরতরে বন্ধ হতে চলেছে “নরকের দরজা”

Advertisement

এই প্রকল্পের সাথে জড়িত বিজ্ঞানীদের মধ্যে অন্যতম একজন, ডাঃ জি ইয়ংজিয়াং এই প্রসঙ্গে বলেছেন যে, তাঁদের লক্ষ্য ছিল এমন একটি প্রাণী তৈরি করা যা কথা বলতে পারে এবং শিম্পাঞ্জির মতো শক্তিশালী হয়। পাশাপাশি, তিনি আরও বলেন যে, “HUMANZEE”-কে খনির কাজ থেকে শুরু করে, ভারী কৃষি কাজ, মহাকাশ এবং সমুদ্রের গভীরতম স্থানে অনুসন্ধানের জন্যও ব্যবহার করা যেতে পারে।

এদিকে, ২০১৯ সালে ইউএসের সালক ইনস্টিটিউট ফর বায়োলজিক্যাল স্টাডিজের অধ্যাপক জুয়ান কার্লোস ইজপিসুয়া বেলমন্টের নেতৃত্বে বিজ্ঞানীরা একটি দুর্দান্ত সাফল্য অর্জন করেছিলেন। ওই দলটি মানুষ এবং বানরের একটি হাইব্রিড তৈরি করতে সক্ষম হয়েছিল যা ১৯ দিন পর্যন্ত বেঁচে ছিল।

আরও জানা গিয়েছে যে, ১৯২০-র দশকে রাশিয়ার স্বৈরাচারী শাসক স্ট্যালিন সেখানকার বিজ্ঞানীদের একটি হাইব্রিড “এপ-ম্যান”-এর মাধ্যমে “সুপার সোলজার” তৈরি করার নির্দেশ দিয়েছিলেন যা, চরম পরিস্থিতিতেও কাজ করতে সক্ষম এবং অত্যন্ত শক্তিশালী হওয়ার পাশাপাশি ক্ষুধার প্রতিও সহনশীল হতে পারে।

এই প্রকল্পটির নেতৃত্বে ছিলেন ইলিয়া ইভানোভিচ ইভানভ। কিন্তু এই প্রকল্পটি সফল হতে পারেনি। কারণ, ১৯৩০-এর গোড়ার দিকে, ইভানভ সোভিয়েতের একটি শিবিরে মারা গিয়েছিলেন। আবার, “এপ-ম্যান” নিয়ে অনেকসময় বিভিন্ন গুজবও রটেছে। যেমন অলিভার নামে সার্কাসের একটি বনমানুষকে সকলেই “এপ-ম্যান” ভেবে বসেছিলেন। এটি অন্যান্য শিম্পাঞ্জিদের চেয়ে তথাকথিত বেশি বুদ্ধিমান ছিল এবং শরীরে চুলও কম ছিল। তবে, শিম্পাঞ্জিটির মৃত্যুর পরে ময়নাতদন্ত হলে বোঝা যায় যে, অলিভার একজন সাধারণ শিম্পাঞ্জিই ছিল।

এদিকে,” দ্য সান”-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী আরও জানা গিয়েছে যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে একটি হাইব্রিডাইজেশন প্রকল্পের সময় এক “HUMANZEE”-র জন্ম হয়েছিল, কিন্তু ল্যাব কর্মীদের দ্বারা তাকে হত্যা করা হয়। পাশাপাশি, চিনের ল্যাবে এখনও এই নিয়ে পরীক্ষা চালানো হচ্ছে বলেও জানা গিয়েছে।

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here