এমএলএম বা মাল্ট-িলভেলে র্মাকটেংি এর বাংলা পরভিাষা হচ্ছে বহুমুখী পণ্য বপিণন পদ্ধত।ি মূলত মধ্যস্বত্ত্বভুগীদরে বাদ রখেে সরাসরি কাস্টমাররে কাছে পণ্য বক্রিয় করে এর লাভরে একটা অংশ পুনরায় ক্রতোর কাছে ফরেত দওেয়ার জন্যই এমএলএম এর জন্ম হয়ছেলি। বাংলাদশেে জজিএিন বা গ্লোবাল র্গাডযি়ান নটেওযর়্াক ও টসিি বা টং চং নামরে দুটি কোম্পানরি মাধ্যমে ১৯৯৮ সালে এমএলএম এর জন্ম হলওে এই পদ্ধতটিি প্রথম আবষ্কিার করনে ১৮৬০ সালে আমরেকিার এক ফরেওিয়ালা যার নাম হনেরি হইেনজ । আর আধুনকি এমএলএম-এর জন্ম হয় ১৯৩৪ সাল।ে আবষ্কিারকরে নাম ড. র্কাল রইেনর্বগ । ১৯৩৪ সালে তনিি কলেফর্িোনযি়া ভটিামনি র্কপোরশেন প্রতষ্ঠিা করে ভটিামনি সাপ্লমিন্টে বক্রিয় শুরু করনে। ১৯৩৯ সালে কোম্পানি তার নাম পরর্বিতন করে নউিটলিাইট প্রডাক্টস কোম্পানি ইনর্কপোরশেন নামকরণ করনে। ১৯৫৮ সালে র্মাকনি যুক্তরাষ্ট্ররে সংসদীয় বলিরে মাধ্যমে মাত্র ১০ ভোট বশেি পযে়ে এই ব্যবসা আইনগত স্বীকৃতি পলেে এর বকিাশ দ্রুততর হয়। ১৯৯৮ সালে শ্রীলঙ্কার বংশোদ্ভূত নারায়ণ দাস নামরে এক ব্যক্তি কানাডা থকেে খবর পান যে দ্রারদ্রিপরিতি বাংলাদশেে এমএলএম এর খুব ভালো সম্ভাবনা আছ।ে তনিি সইে আশায় বাংলাদশেে দ্রুত বড়লোক হওয়ার পদ্ধতি এমএলএম কোম্পানি খুলে বসলনে। কছিুদনি পর তার কোম্পানি ভঙ্গেে গলেে টং চং নামরে আরকেটি কোম্পানি নতুন করে তাদরে র্কাযক্রম শুরু কর।ে তারাও বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় নউিওয়ে প্রাইভটে বাংলাদশে ল:ি এবং ডসেটনি-ি২০০০ ল:ি নামরে আরো দুইটি কোম্পানরি জন্ম হয়। তাদরে এই র্কাযক্রম দখেে বাংলাদশেরে গ্রামগঞ্জে দনি মজুর থকেে শুরু করে সকল শ্রনেীর মানুষ এ পশোয় সম্পৃক্ত হয়ে প্রতারণার স্বীকার হন। অনকে জায়গা থকেে কোম্পানি বন্ধ হয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া যায়। কোম্পানরি র্শীষ র্পযায়রে ব্যক্তদিরে নামে মামলা হলো। পত্রকিায় রপর্িোট বরে হলো। কন্তিু তার প্রতকিার কছিুই হলো না।
এমএলএম র্কমী এখন এমএলএম বর্ধিমী !!
এমএলএম র্কমীরা বভিন্নি কোম্পানতিে কাজ করতে করতে এখন হাপযি়ে উঠছেনে। প্রতারণার নানান কৌশল আয়ত্ব করছেনে। ফল্ডি থকেে টাকা সংগ্রহ করে তারা আর অফসিে টাকা দযি়ে অন্য কোন ব্যক্তকিে বড়লোক বানাতে চান না। তাই তারা এখন এমএলএম বর্ধিমী হয়ে নজিইে কোম্পানি করার আগ্রহ দখোচ্ছনে। নজিরো এমএলএম না করে অন্যদরেকে দযি়ে এমএলএম করাচ্ছনে। কউেবা মাত্র দুই মাস কোন একটি এমএলএম কোম্পানতিে কাজ করে সামান্য কছিু অভজ্ঞিতা নযি়ে নজিইে খুলে ফলেছেনে একটি এমএলএম কোম্পান।ি আঠারো বছর বয়স হয়নি এমন ব্যক্তওি এমএলএম কোম্পানরি ব্যবস্থাপনা পরচিালক বা চযে়ারম্যান!! কারণ তাদরে কথা, দোকান খুলে বসলে ক্রতো আসবইে। যায় আসুক না কনে তাই লাভ। পুজি ছাড়া জগতে এতো বড় ব্যবসা করার সুযোগ কী আর কোথাও আছে ? তাই তারা এই সুযোগ হাত ছাড়া করতে চান না। এভাবইে বডে়ে চলছেে প্রতনিযি়ত নত্যি নতুন এমএলএম কোম্পানরি জন্ম।
এমএলএম কোম্পানরি প্রতারণার যত কৌশল
ভালো র্অথে এমএলএম এর জন্মই হলওে বাংলাদশেে এক যুগরে বশেি সময় ধরে এমএলএম কোম্পানি গুলো সাধারণ মানুষকে প্রতারণার ফাঁদে ফলেে র্সবস্ব করে তুলছে।ে গত একযুগে সরকারি হসিবেে বাংলাদশেে ৭০টি এমএলএম কোম্পানি আÍপ্রকাশ করছে।ে এই হসিাবটি ২০০৯ সালে একবার প্রকাশ করা হয়ছেলি। তারপর থকেে বাংলাদশেে এমএলএম কোম্পানরি অনুমোদন বন্ধ রয়ছে।ে অথচ বসেরকারি হসিবেে শুধু ২০০৯ সাল থকেে ২০১২ সাল র্পযন্ত বাংলাদশেে প্রায় পনরেশত এমএলএম কোম্পানরি জন্ম হয়ছে।ে ইউনপিে নামরে একটি এমএলএম কোম্পানরি কবর রচতি হলে তারপর থকেে নতুন করে এমএলএম কোম্পানরি জন্মরে নরিব বস্ফিোরণ ঘট।ে এমএলএম বা ডাইরক্টে সলে কোম্পানি নামরে নানা ভুঁইফোঁড় প্রতষ্ঠিান কী কী পণ্য ও সবো কী দামে বক্রিি করছে তার কোনো হদসি নইে বাণজ্যি মন্ত্রণালয়রে কাছ।ে এসব পণ্য ও সবোর গুণগত মান স¤র্পকে অবগত নয় সরকারি মান নযি়ন্ত্রণকারী সংস্থা বএিসটআিই। শুধু একটি ট্রডে লাইসন্সে বা রজেস্ট্রিার অব দ্য জয়ন্টে স্টক কোম্পানজি থকেে একটি রজেস্ট্রিশেন নযি়ইে ব্যবসা ফঁেদে বসছেে বাহারি নামরে নানা এমএলএম ক¤পান।ি লখোটি বড় না করে এখন আমরা দখেবো গত একযুগে এমএলএম কোম্পানি গুলো বাংলাদশেে কত ভাবে প্রতারণা করে চলছেে তার ববিরণ।
০১. র্সাভসি র্চাজরে নামে প্রতারণা
বাংলাদশেরে প্রথম এমএলএম কোম্পানি জজিএিন বা গ্লোবাল র্গাডযি়ান নটেওযর়্াক ১৯৯৮ সালে যখন তাদরে কোম্পানি শুরু করে তখন সাধারণ অবুঝ ডস্ট্রিবিউিটরদরে থকেে হসিাব ছাড়া র্সাভসি র্চাজ আদায় কর।ে পরে যখন সদস্যরা বুঝলো যে তাদরে সাথে প্রতারণা করা হয়ছেে তখন কোম্পানি বলছেলিো তাদরে র্সাভসি র্চাজ ফরেত দওেয়া হব।ে কন্তিু তা ফরেত দওেয়ার আগইে তারা লাপাত্তা হয়ে যায়।
০২.পপিসিরি মাধ্যমে টাকা আÍসাৎ
ডসেটনি-ি২০০০ ল:ি র্কতৃপ ২০০১ সাল থকেে একটানা ২০০৬ সাল র্পযন্ত সাধারণ ডস্ট্রিবিউিটরদরে বুকংি পদ্ধততিে পপিসিরি মাধ্যমে ২৭৭৫ টাকা জমা দযি়ে কাজ করার সুযোগ প্রদান কর।ে ওই টাকার এডজাস্ট করার কঠনি পদ্ধতি দযি়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করে তারা। কয়কে ল মানুষ থকেে যে টাকা তারা সংগ্রহ করছেলিো তা আর কউেই ফরেত পানন।ি
০৩. শপংি মলরে নামে প্রতারণা
চট্ট্রগ্রামরে রচি বজিনসে সস্টিমে ল:ি ২০০৩ সালে শপংি মলরে ওপর ইনভস্টে করার নামে মানুষ থকেে টাকা সংগ্রহ কর।ে তাদরে “রচি আই বাজার” নামরে শপংি মলগুলো লোকসানরে কারণে অনকে জায়গাতে বন্ধ হয়ে গছে।ে অথচ তারা এর ওপরইে দ্বগিুণ টাকা ফরেত দওেয়ার প্রতশ্রি“তি দযি়ে সাধারণ মানুষ থকেে টাকা সংগ্রহ করে প্রতারণা করছ।ে একই ভাবে সইেফ ওয়ে টু লাইফ ও ভন্সিন কোম্পানি প্রতারণা করে অনকে টাকা আÍসাৎ করছে।ে
০৪. প্রশক্ষিণরে নামে প্রতারণা
বজিনাস ডট কম নামরে একটি এমএলএম কোম্পানি ক¤পিউটার প্রশক্ষিণ র্কোস নযি়ে বাজারে আস।ে অল্প সময়ে খুব ভালো সারা পলেওে তারা সুযোগ বুঝে পালযি়ে যায়। এরপর ব্রাভো আইটি ইন্টারন্যাশনাল লঃি, স্বপ্ন প্রাইভটে ল:ি, আরডএিল, রাইটওয়ে ইন্টারন্যাশনাল ইত্যাদি কোম্পানি বভিন্নি র্কোসরে নামে টাকা সংগ্রহ করে র্মাকটে থকেে হারযি়ে যায়।
০৫. নম্নি মানরে হারবাল পণ্য দযি়ে প্রতারণা
২০০১ সালরে পরপরই গ্যানক্সে বাংলাদশে (প্রাঃ) লঃি নামরে একটি এমএলএম কোম্পানি নম্নি মানরে হারবাল ঔষধ বক্রিরি অভযিোগে অভযিুক্ত হয়। তারা মালয়শেযি়া থকেে হারবাল পণ্য আমদানি করে বলে সবাইকে জানালওে পরে প্রমানতি হয় কছিু পণ্য এসছেলিো বাইরে থকেে বাকটিা বাংলাদশে থকেইে উৎপাদন করা হতো। উক্ত অভযিোগে কোম্পানরি মালকি র্কতৃপকে পুলশি আটক করছেলিো। এরপর নাম পরর্বিতন করে প্রমজি প্রাইভটে ল:ি নামে কোম্পানটিি চালযি়ে যায়। একই ভাবে সাদকে র্ফামাসউিটকিলে ল:ি, র্হাবালাইফ, নউিট্রি ফুড ল:ি, র্কালো র্ফামা (প্রাঃ) লঃি, ডি এক্স এন হল্থে (বডি)ি লঃি, জনকল্যাণ, ফোর লাইফ (প্রাঃ) ল:ি ইত্যাদি কোম্পানি নম্নি মানরে পণ্য বক্রিয় করার কারণে বন্ধ হয়ে যায়।
০৬. চড়া দামে পণ্য বক্রিয় করে প্রতারণা
বাংলাদশেে যারা শুধুমাত্র পণ্য বক্রিয় করে এমএলএম ব্যবসা করছনে প্রায় তাদরে প্রত্যকেরে নামে চড়া দামে পণ্য বক্রিয়রে অভযিোগ রয়ছে।ে তারমধ্যে আছে ডসেটনিরি কালো জরিার তলে, ই-লঙ্কিসরে ব্রসেলটে, টযি়নেসি ও গনেো ই ওযর়্াল্ডওয়াইডরে ঔষধ, আপট্রন্ডে ডস্ট্রিবিউিশন (বডি)ি লঃি এর পানরি জার ইত্যাদ।ি এই সবগুলো কোম্পানইি চড়া দামে গ্রাহকরে কাছে পণ্য বক্রিয় করে আবার তাদরেকইে ওই টাকার কছিু অংশ ফরেত দচ্ছি।ে বলার যনে কউেই নইে।
০৭. গাছরে ওপর বনিযি়োগরে নামে প্রতারণা
ডসেটনি-ি২০০০ ল:ি যখন বন্ধ হওয়ার উপক্রম, তখন ম্যানজেমন্টেরে সদ্ধিান্তে ২০০৬ সালরে জুন মাস থকেে “ট্রি প্লান্টশেন ল:ি” নামরে একটি প্রজক্টে চালু কর।ে পরকিল্পতি কোন গাছরে প্রজক্টে না থাকলওে তারা গাছরে উপর বনিযি়োগরে নামে মানুষ থকেে হাজার হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ কর।ে তারা আগে প্রত্যকে ইনভস্টেরে সাথে গাছরে একটি র্সাটফিকিটে দতি। কন্তিু যখন দখো গলেো তাদরে যসেব প্রজক্টেে এখনও গাছ লাগানো হয়নি সসেব প্রজক্টেরে গাছরে র্সাটফিকিটে বক্রিয় করছ।ে পরে পত্রকিায় এই নযি়ে লখো-লখেি হলে তারা র্সাটফিকিটে না দযি়ে শুধু মানরিসিটি দযি়ইে শষে করছে।ে একই পদ্ধততিে পরর্বততিে নউিওয়,ে ইউরো ট্রি প্লান্টশেন এবং টসিএিল নামরে এমএলএম কোম্পানি “ট্রি প্লান্টশেন ল:ি” চালু করে মানুষ থকেে হাজার হাজার কোটি টাকা হাতযি়ে নযে়।
০৮. ফ্লাট বক্রিরি নামে প্রতারণা
মাত্র দশ হাজার টাকা বুকংি দলিইে ফাটরে মালকি হওয়া যাব।ে লয়ডে ভশিন ল:ি নামরে একটি এমএলএম কোম্পানি এভাবইে তাদরে প্রতারণা শুরু কর।ে র্কতৃপ গ্রাহকদরেকে বলে দশ হাজার টাকা বুকংি দযি়ে আমাদরে কোম্পানি থকেে আয় করে আমাদরে বাকী টাকা দলিইে আপনাদরে ফাট বুঝযি়ে দবিো। তারা আর আয়ও করতে পারে না আর ফাটও নতিে পারে না। কয়কে ল সদস্য থকেে তারা প্রতারণা করে এই টাকা নযি়ে পালযি়ে যায়। এছাড়া ডসেটনিি ডায়মন্ড বল্ডর্িাস নামরে একটি বল্ডিংি করার জন্য গ্রাহকদরে থকেে প্রায় র্অধযুগ আগে টাকা নলিওে এখন র্পযন্ত কোন বল্ডিংি করতে পারনে।ি এম স্টার, গৃহ নর্মিাণ ও রচি বজিনসে সস্টিমে ল:ি নামরে এমএলএম কোম্পানরি নামে একই অভযিোগ রয়ছে।ে
০৯. প্লট বক্রিরি নামে প্রতারণা
ঢাকা ও ঢাকার আস-েপাশরে শহরে বছরে জমরি দাম দশ গুণ করে বৃদ্ধি পাচ্ছ।ে এখনই সময় প্লটে বুকংি দওেয়া। তাও আবার মাত্র দশ হাজার টাকার বনিমিয়!ে! সঙ্গে অনকে কছিুই ফ্রী পাচ্ছনে। নজিস্ব যানবাহনে প্রজক্টে দখোর সুযোগ। এসব লোভনীয় অফার দযি়ে প্লট-জমীর ব্যবসা করছেে র্অথ মাল্টভিশিন সস্টিমে ল:ি। এক সময় গ্রাহকরা নজিে আয় করে বা নজিরে পকটে থকেে টাকা দতিে না পারলে এর সবটুকু মালকি হয়ে যাচ্ছে কোম্পানি নজিইে। প্লট বক্রিরি নামে এভাবইে প্রতারণা চলছ।ে
১০. দশ মাসে দ্বগিুণ টাকা ফরেত দওেয়ার নামে প্রতারণা
২০০৯ সালরে শষেরে দকিে র্স্বণরে বজিনসে করে দশ মাসে বনিযি়োগরে দ্বগিুণ টাকা ফরেত দওেয়ার নাম করে মানুষরে থকেে টাকা সংগ্রহ করতে থাকে ইউনপিে টুইউ বাংলাদশে ল:ি নামে একটি কোম্পান।ি প্রথম কছিু দনি তারা ঠকিঠাক মতো মানুষরে টাকা ফরেত দতিে থাকলো। এরপর সময় বুঝে এক সময় উধাও হয়ে গলেো। এর কছিুদনি পরে একই গ্র“পরে আবার নতুন সংস্করণে ভসিারভে নামরে একটি কোম্পানি বাংলাদশেে এলো। তারা ইউনগ্রি“পরে নাম ভাঙ্গযি়ে শত শত কোটি টাকা হাতযি়ে নযি়ে গলেো। র্ভাজনি গোল্ড নামরে একই গ্র“পরে আরো একটি কোম্পানি এলো। সবগুলোই অল্প কছিু দনি চলে তাদরে র্কাযক্রম বন্ধ করে দযে়। তাদরে টাকা আÍসাতরে ঘটনা বাংলাদশেরে সব শ্রনেীর মানুষ জানলওে সরকাররে প থকেে শুধু বজ্ঞিাপন দযি়ে তাদরে দায়ত্বি শষে করছেনে। এখন এই কোম্পানরি বনিযি়োগ কারীরা মহা বপিদে থাকলওে তাদরে ব্যাপারে ভাববার যনে কউেই নইে।
১১. র্সাভরে নামে প্রতারণা
অনলাইনে আউট র্সোসংিয়রে নামে এমএলএম এর মাধ্যমে প্রতারণার আরকে উপায় হচ্ছে “র্সাভ”ে। ইউনপিে যখন ধ্বংশরে মুখে তখনই স্পকি এশযি়া নামরে একটি এমএলএম কোম্পানি প্রতারণার নতুন ফাদ র্সাভে করে বারমাসে তনিগুণ টাকা দবেে বলে ঘোষণা দযে়। তাদরে হটাৎ এমন অফার দখেে মানুষ ঝড়রে মতো স্পকি এশযি়াতে টাকা রাখতে শুরু করলো। বাংলাদশেরে সবগুলো এমএলএম কোম্পানরি মধ্যে অল্প সময়ে সবচযে়ে দ্রুত বস্তিার করছেলিো এই কোম্পানটি।ি স্পকি এশযি়া বন্ধ হয়ে গলেে এশযি়ান বুল, র্সাভে ওযর়্াল্ড, ভরেি র্সাভ,ে গ্রীন র্সাভে ইত্যাদি কোম্পানি একই উপায়ে মানুষরে সাথে প্রতারণা কর।ে
১২. মাল্টপিারপাসরে নামে প্রতারণা
র্সাভে যখন মানুষরে কাছে একসময় গ্রহণযোগ্যতা হারযি়ে ফলেে তখন ইজনে ইন্টারন্যাশনাল নামরে একটি কোম্পানি প্রতারণার আরকেটি উপায় বরে কর।ে তারা বলে আমরা রযি়লে এমএলএম করার জন্য মাল্টপিারপাসরে মাধ্যমে ব্যবসা করে বারমাসে দ্বগিুণ দইে। মানুষ তখন এখানে হুমড়ি খযে়ে পর।ে মাল্টপিারপাসরে নাম ভাঙ্গযি়ে এমএলএম করতে সমবায় মন্ত্রণালয় থকেে নষিধে করা হলওে বাংলাদশেে এই মূর্হুতে মাল্টপিারপাসরে নামে সব থকেে বশেী প্রতারণা করছ।ে তাদরে মধ্যে আরো আছে ডসেটনি-ি২০০০ ল:ি,র্ যা বনক্সে ল:ি, মাইক্রোট্রডে ল:ি, সফট ই ওযর়্াল্ড ল:ি, র্আথ ডএিসএল, এইমওয়ে র্কপোরশেন ল:ি ইত্যাদ।ি
১৩. শযে়ার র্মাকটেে ব্যবসার নামে প্রতারণা
দশেে এবং বদিশেে শযে়ার ব্যবসা করে দ্রুত টাকা কয়কে শত গুণ থকেে কয়কে হাজার গুণে উন্নতি করা যায় এমন একটি গুজব উঠলো। মানুষ সব ছডে়ে চলে আসলো শযে়ার ব্যবসার নামে তথাকথতি প্রতারণার আরকেটি ফাদ।ে লজিনে ভ্যাঞ্জার, রচি বজিনসে সস্টিমে লঃি, ফরক্সে, ফরক্সে ফর ইউ, ফরক্সে শযে়ার ইত্যাদি কোম্পানি শযে়াররে নামে টাকা সংগ্রহ করলো। এরপর শযে়ার ব্যবসা মন্দ বলে সবগুলো কোম্পানি বন্ধ হয়ে যায়।
১৪. র্বোড ভাঙ্গা কোম্পানরি নামে প্রতারণা
সকলরে সব প্রতারনাকে ছাপযি়ে র্মাকটেে আসে একবোরইে নতুন ধাচরে প্রতারণা কোম্পানি র্বোড ভাঙ্গা কোম্পান!ি নাম শুনে হয়তো অনকেে অবাক হতে পারনে কন্তিু তাদরে র্মাকটেংি প্লানকে তারা র্বোড ভাঙ্গা প্লান বলইে চালায়। টভিআিই বা ট্রাভলে ভ্যাঞ্জার ইন্টারন্যাশনাল নামরে একটি কোম্পানি প্রত্যকে সদস্য থকেে একুশ হাজার পাচশত টাকা করে সংগ্রহ করলো ফাইভ স্টার হোটলেে সাত দনি সাত রাত থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করবে বল।ে এই টাকা দযি়ে পৃথবিীর যকেোন দশেরে ফাইভ স্টার হোটলেে থাকা যাব।ে আর একজন সদস্য যখন এভাবে দুই জনকে সদস্য করতে পারবে তখন সে পাবে ততোল্লশি হাজার টাকা। এরপর যখন আরো দুইজনকে সদস্য করতে পারবে তখন পাবে আট লাখ টাকা। একটু অন্য রকম প্লান বলে ল ল মানুষ এখানে জয়নে করে প্রতারতি হলো। একই উপায়ে বভিন্নি কোম্পানি হাজার হাজার কোটি টাকা নযি়ে পালযি়ে যায়।
১৫. পামওয়লেরে ব্যবসার নামে প্রতারণা
এই মূর্হুতে বাংলাদশেে সোয়াবনিরে প্রচুর চাহদিা। তলেরে বাজারে এমন সংকটময় মুর্হুতবে দশেরে জন্য কাজ করে যাচ্ছে পামওয়লেরে ব্যবসা করে বারো মাসে দ্বগিুণ টাকা ফরেত দওেয়ার প্রজক্টে এশযি়ান কংি ল:ি নামে একটি কোম্পানি (!) বাংলাদশেরে কছিু বোকা মানুষ মনে করলো ঠকিই তো পামওয়লেরে ব্যবসার এখন সুর্বণসুযোগ। এখানে টাকা রাখলে হারানোর ভয় নইে। হাজার হাজার মানুষ এখানে টাকা বনিযি়োগ করে পরে র্সবস্ব হারযি়ে পথে বসে যায়।
১৬. বাইব্যাক পলসিরি নামে প্রতারণা
বাইব্যাক পলসিি মানে হচ্ছে গ্রাহক পণ্য ক্রয় করে পুনরায় কোম্পানরি কাছে ফরেত দতিে পারব।ে অনকেে মনে করনে এমএলএম এ বাইব্যাক পলসিরি বধৈতা রয়ছে।ে এতে শতভাগ পণ্য বক্রিয় করা নশ্চিতি হয়। কন্তিু এইমওয়ে র্কপোরশেন ল:ি নামরে একটি কোম্পানি নযি়ম করছেে পণ্য ক্রয় করলইে তা ফরেত দতিে হবে !! ফরেত দওেয়ার মানে হচ্ছে যে টাকা গ্রাহক বনিযি়োগ করবে তা ছয় মাসে দ্বগিুণ হারে পন্যরে পরর্বিতে টাকা ফরেত নবে।ে একই ভাবে ইসলামী সফট বডিি ল:ি, সাকসসে ওয়ে ল:ি, গ্রটে ওয়াল লি ইত্যাদি কোম্পানি মানুষরে সাথে নতুন উদ্ভাবতি উপায়ে প্রতারণে করছ।ে
১৭. ইন্টারনটেে ক্লকিরে মাধ্যমে প্রতারণা
বাংলাদশেরে মানুষ ইন্টারনটে সর্ম্পকে খুব বশেি ধারণা রাখে না বলে এই সক্টেরে প্রতারণা করার সুযোগ অনকে বশেি রয়ছে।ে ডোলন্সোর নামরে একটি কোম্পানি প্রতারণার নতুন ফাদ তরৈী করলো। সাড়ে সাত হাজার টাকা ফি দযি়ে গ্রহক হয়ে ইন্টারনটেে ক্লকি করার মাধ্যমে ইনকাম করার সুযোগ দযে় তারা। নটেে আউটর্সোসংি এর কাজ বলে গ্রাহকদরে থকেে হাজারে হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করে তারা। একই উপায়ে শরোটন বডিি ল:ি সহ আরো অনকেইে টাকা নযি়ে পালযি়ে যাচ্ছ।ে
কোন কোম্পানরি অনুমোদন নইে
বাংলাদশেে এখন র্পযন্ত প্রায় দুই হাজাররে উপরে এমএলএম কোম্পানি আছ।ে সরকার ২০০৯ সাল র্পযন্ত মাত্র ৭০টি এমএলএম কোম্পানরি অনুমোদন দলিওে এরপর থকেে এসব কোম্পানরি অনুমোদন বন্ধ রয়ছে।ে অথচ খুব অবাক করার বষিয় হলো এরই মধ্যে বাংলাদশেে দুই হাজাররে বশেি এমএলএম কোম্পানি জন্ম নযি়ছেে এবং অনকেইে মৃত্যুবরণ করছে।ে র্পাশ্বর্বতী দশে ইন্ডযি়া থকেে প্রতনিযি়ত নতুন নতুন কোম্পানি বাংলাদশেে আসছ।ে কোম্পানি নামে তাদরে প্রতষ্ঠিানরে নাম ব্যবহার করলওে আদতে এসব প্রতষ্ঠিানরে কোনরকম অনুমোদন নইে। কউে কউে মাল্টপিারপাসরে একটি র্সাটফিকিটে কনিইে ব্যবসার পসরা নযি়ে বসছে।ে কউেবা শুধু ট্রডে লাইসন্সে করইে প্রকাশ্যে ব্যবসা করছ।ে এমএলএম কোম্পানরি যহেতেু এখন অনুমোদন দওেয়া হয় না তাই কউেবা তাদরে র্সাটফিকিটে অব ইনর্কপোরশেনরে অনুমোদন নওেয়ার সময় ক্যাটাগরীতে ব্যবসার ধরণ লখিছে,ে আমদানী-রপ্তানী, হারবাল পণ্য উতপাদন বা বক্রিয়, আইটি সফটওয়্যার, বহুমুখী পণ্য বপিণন, ট্রাভলে এজন্সেি ইত্যাদ।ি
সরকার কি বলছে ?
এমএলএম নযি়ে বাংলাদশেে নীতমিালা করা নযি়ে অনকে বঠৈক করছে।ে র্সবশষে মটিংিয়ে বানজ্যি মন্ত্রণালয় র্কতৃক যে খসড়া করা হয়ছেে তার ষষ্ঠ অধ্যায়ে ‘অপরাধ দণ্ড’তে বলা হয়ছে,ে কতগুলো ক্ষত্রেে এমএলএম ব্যবসা পরচিালনা করা নষিদ্ধি। এর মধ্যে রয়ছেে অবস্তুগত বা অলীক পণ্য, স্থাবর সম্পপত্ত,ি বৃ, ফ্যাট ও প্লট বক্রিয়, কমশিন বা বোনাস হসিবেে কোনোরূপ শযে়ার বা ঋণপত্র ক্রয়-বক্রিয়, বোনাস স্কমি, কস্তিরি মাধ্যমে র্অথ সংগ্রহ বা সঞ্চয় বা বলিবিণ্টন এমনকি লটাররি টকিটিও বক্রিি করা যাবে না। এ ছাড়া প্লাটনিাম, র্স্বণ, ব্রোঞ্জ, পারদ, হাইড্রো র্কাবন, তজেস্ক্রযি় পর্দাথ, ¯র্পশকাতর রাসায়নকি পর্দাথ, অস্ত্র ও বস্ফিোরক, ধাতব মুদ্রা, অশ্লীল ছবরি ফল্মি, সডি,ি ভসিডি;ি উগ্র মৌলবাদী বই, ফল্মি, সডি,ি ভসিডিি এবং রাষ্ট্র ও র্ধমবরিোধী বা র্ধম বকিৃতকারী বই বা প্রচারপত্র, ফল্মি, সডিি ও ভসিডিি বপিণন নষিদ্ধি। এসব পণ্য ও সবো বপিণন করলে সংশ্লষ্টি কোম্পানরি দায়ী ব্যক্তি বা ব্যক্তদিরে তনি থকেে পাঁচ বছর র্পযন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডতি করা হব।ে পণ্য বাজারজাতকরণরে আগে সরকার নর্ধিারতি সংশ্লষ্টি প্রতষ্ঠিান থকেে পণ্য ও সবোর গুণগত মানরে সনদ, পণ্যরে গায়ে উৎপাদান, উৎপাদনরে তারখি, মযে়াদ উর্ত্তীণ হওয়ার তারখি, মূল্য ইত্যাদি প্রকাশরে বষিয়ে ভোক্তা অধকিার সংরণ আইন ও প্রচলতি অন্যান্য আইন মনেে চলতে হব।ে খসড়া নীতমিালায় এমন অসংখ্য তথ্য ববিরণী থাকলওে আদতওে কউে কোন আইন যমেন মাননে না তমেনি এই আইনটি পাশ বা র্কাযকারী করার ক্ষত্রেে ও যনে উদাসীনতা লনীয়। আর তাই সুযোগ বুঝে প্রতারক এমএলএম কোম্পানগিুলো নানান সময় নানান প্রলোভন দখেযি়ে বভিন্নি উপায়ে প্রতারণা করে চলছে।ে
