মোঃ ফজলুরঃ সোহেল আহম্মেদ (৩৭)। তার বাড়ি রংপুর পায়রা চত্তর। তিনি দীর্ঘ দিন ধরে বিভিন্ন মানষের সাথে বিভিন্ন পরিচয়ে প্রতারণা করে আসছেন। তিনি নিজেকে কখনো সাংবাদিক, কখনো জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশনের প্রতিনিনিধি, কখনো পিএসটিভির প্রতিনিধি, আবার কখনো নিজেকে এমবিবিএস ডাক্তার বলে নিজেকে পরিচয়দেন এবং যেখানে যে পরিচয় দিলে সুবিধায় হয় সেখানে সেই পরিচয় দিয়ে এই সোহেল আহম্মেদ সুকৌশলে তাদের কাছ থেকে টাকা পয়সা হাতিয়ে নিচ্ছেন। এদিকে তার সম্পর্কে আরো তথ্য নিয়ে জানতে পারযায় সোহেল আহম্মেদের গ্রামের বাড়ি সম্পর্কেও জানতে চাইলে তিনি কখনো রংপুর পায়রা চত্তর, কখনো গাইবান্ধা, আবার কখনো হারাগাছ তার গ্রামের বাড়ি বলে মানুষের কাছে পরিচয় দিয়ে থাকেন। এদিকে জানতে পারাযায় তার সম্পর্কে জানতে পারাযায় এই সোহেল আহম্মেদের দুই স্ত্রী।
জানতে পারযায় সোহেল আহম্মেদের এলাকায় ওরিয়েন কোচিং নামে একটি কোচিং সেন্টার আছে বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী কোজিং বানিজ্য বন্ধ রাখতে বললেও তিনি তা উপেক্ষা করে এই কোচিং বানিজ্য চালিয়ে আসছেন দীর্ঘ দিন ধরে। তিনি প্রথম স্ত্রী অনুমোতি না নিয়েই দ্বিতীয় বার বিবাহ করেছে যা প্রথম স্ত্রী জানেন না। এবং তিনি প্রতারণা করে নিজেকে গা ঢাকার জন্য বিভিন্ন সময় বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করেন। খোজ নিয়ে জানতে পারাযায় বর্তমান দক্ষিণখান ফায়দাবাদ মিজানের গ্যারেজে সামনে বাসা ভাড়া নিয়ে থাকেন। যদিও এক সময় উপরোক্ত প্রতিষ্ঠানের সাথে কাজ করতেন কিন্তু জাতিয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন, পিএসটিভির প্রতিনিধি হিসেবে এক সময় কাজ করলেও সেখানেও তিনি অফিসের লোকেদের সাথে বিভিন্ন ভাবে প্রতারণা করার কারনে তার প্রতিনিধিত্ব বাতিল হয়ে যায়। এই সোহেল আহম্মেদ এলাকায় থেকে ৩০ হাজার না দিয়ে রাতের আধারে সরে পরেন বলে জানতে পারযায়। তার সম্পর্কে আরো জানতে পারযায় কাপড়ের ১০ হাজার টাকা, বাসার পাশে মুদি দোকানদার ও চা এর দোকান ৬ হাজার দারে টাকা বাকি রেখে এলাকা থেকে পালিয়ে যান। এভাবে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন এলাকায় এই সোহেল আহম্মেদ বিভিন্ন সদ্ম পরিচয়ে বসবাস করেন এবং মানুষের নিকট থেকে বিভিন্ন পরিচয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিরেয় নিচ্ছেণ। এ সোহেল আহম্মেদ থেকে সাবধান। এই ব্যক্তিকে দেখা মাত্র যে কেউ সংশ্লিষ্ট থানায় খবর দিলে অনেক অসহায় ব্যক্তিরা সমাজে উপকৃত হবেন।

