১৫। হাদীস : হযরত আনাস ইবনে মালেক (রাঃ) নবী করীম (সঃ)-থেকে রেওয়ায়াত করেন, তিনি বলেছেন; ঐ ব্যক্তি ঈমানের স্বাদ উপভোগ করতে সক্ষম, যার মধ্যে এ তিনটি চরিত্র বিদ্যমান-(১) যার কাছে অপরাপর সমুদয় বস্তু হতে স্বয়ং আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (সঃ) বেশি প্রিয়, (২) যে কাউকে ভালবাসে তো আল্লাহর ওয়াস্তে ভালবাসে, (৩) ঈমান গ্রহণের পর পুনরায় কুফরীর দিকে ফিরে যাওয়া এমনভাবে অপছন্দ করে, যেমন সে অগ্নিতে নিক্ষিপ্ত হওয়া অপছন্দ করে। ১৬। হাদীসঃ হযরত নবী করীম (সঃ) ইরশাদ করেন, মদীনার আনসারকে ভালবাসা ঈমানের চিহ্ন এবং আনসারদের সাথে শত্রুতা পোষণ করা মোনাফেকীর চিহ্ন। ১৭। হাদীস : হযরত ওবাদা বিন সামেত (রাঃ)-যিনি একজন বদরী সাহাবী, তিনি আকাবার রাতের একজন নকীবও। ছিলেন, তিনি বলেন, ঐ রাতে হুযুর (সঃ) সাহাবীদেরকে (যাঁরা তাঁর আশেপাশে বসা ছিলেন) লক্ষ্য করে বলেছেন, তোমরা আমার কাছে এ কথার উপর বায়আত (অঙ্গীকার) গ্রহণ কর যে, তোমরা আল্লাহর ইবাদতে তাঁর সাথে কাউকে শরীক করবে না, চুরি করবে না, যেনা করবে না, তোমাদের সন্তান সন্ততিদেরকে হত্যা করবে না, মিথ্যা অপবাদ রটাবে না, যা তোমরা কারো উপস্থিতি বা অনুপস্থিতিতে করে থাক। কোন ভাল কাজে নাফরমানী করবে না। তোমাদের মধ্যে যারা এ ওয়াদাগুলো পূরণ করবে তাদের প্রতিদান আল্লাহর কাছে পাবে। কেউ যদি ভুলবশত এরূপ কোন অপরাধে জড়িয়ে পড়ে আর এ জন্য দুনিয়াতে তাকে কোন প্রকার শান্তি প্রদান করা হয়, তা হলে উক্ত শাস্তি তার জন্য কাফ্ফারা গণ্য হবে। আর যদি কেউ এরূপ কোন অপরাধ করার পর দুনিয়াতে আল্লাহ পাক তা গোপন রাখেন, তবে তা আল্লাহর উপর ন্যস্ত। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তাকে ক্ষমা করতে পারেন, অন্যথায় শাস্তিও দিতে পারেন। হযরত ওবাদা (রাঃ) বলেন, অতঃপর আমরা উপরোক্ত কথার উপর তাঁর নিকট বায়আত গ্রহণ করলাম।

