কুমিল্লা প্রতিনিধি ঃ
কুমিল্লা তিতাস উপজেলার অপরাধের নরক রাজ্য মাছিমপুর গ্রামের মৃত নজরুল ইসলামের ছেলে সাবেক কৃষি মন্ত্রী, বিএনপি-র স্থায়ী কমিটির সদস্য এম. কে আনোয়ারের আপন ভাগিনা কথিত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী বিভিন্ন অপরাধ কর্মকান্ডের হোতা মাদক সম্রাট আলম সরকারের নেতৃত্বে তার পালিত ক্যাডার বাহিনী প্রকাশ্যে এলাকায় ইয়াবা, মদ, বিয়ার, ফেন্সিডিল, হেরোইন ও গাজা সহ মরন ঘাতি নেশা দ্রব্যাদি বিক্রয় করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই মরন নেশা মাদকের ছুবলে প্রতিদিনই আক্রান্ত হচ্ছে মাছিমপুর আর. আর ইনষ্টিটিউশনের ছাত্র-ছাত্রী সহ উঠতি বয়সের যুব সমাজ। এছাড়াও এলাকাবাসীর অভিযোগ সূত্রে জানা যায় অবৈধ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী আলম সরকারের বৈধ কোন আয়ের উৎস না থাকার কারণে তার লালিত সন্ত্রাসী বাহিনীর ক্যাডারদের দিয়ে এলাকায় চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, চাদাবাজী, অস্ত্রবাজী ও সংখ্যা লঘু রঞ্জিত ও ছয়ত্রিশ সাহার পরিবারের ঘর বাড়ী দখল করা সহ কয়েকটি নিরীহ মানুষের ভূমি দখল করেছেন। এছাড়া আলম সরকার শাসক দলের নাম ভেঙ্গে নিরীহ মানুষের প্রতি অন্যায় অত্যাচার, জোর, জুলুম করা সহ ঘুষ, দুর্নীতি ও টেন্ডার বাজী করা সহ নানাহ অপরাধ মূলক কর্মকান্ড করে এলাকায় ত্রাসের এক নরক রাজত্ব কায়েম করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এহেন অপরাধমূলক কর্মকান্ডের হাত থেকে পরিত্রান চেয়ে ইতি পূর্বে এলাকাবাসী গত ০৪/০৫/১৫ইং যাহার ডাইরী নং-৩৬২৬, তাং-১০/০৫/১৫ইং, ডাইরী নং-৩৮৩২, তাং-১৩/০৯/১৫ইং, ডাইরী নং-৭৮৪৯, তাং-১৭/১০/১৫ইং, ডাইরী নং- ৮৪৬০, তাং-১২/০১/২০১৬ইং, ডাইরী নং-৩০৩এ মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর দপ্তরে এলাকাবাসী একাধিবার অভিযোগ দায়ের করেছেন এবং উপরোক্ত অভিযোগ পত্রের কপি প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরেও দাখিল করেছেন বলে অভিযোগকারীদের সূত্রে জানা যায় এবং এতদসংঙ্গে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী আলম সরকার ও তার বাহিনীর ক্যাডারদের নানাহ অপকর্মের বিরুদ্ধে গত ৩০/০৩/১৫ইং দৈনিক আমার কাগজ, স্বাধীন সংবাদ, কালের ছবি ও ৩১/০৩/১৫ইং জনতা এবং ০৩/০৪/১৫ইং ডেসটিনি, এশিয়া বানী ও ০২/১০/১৫ এবং ০৩/১০/১৫ইং তারিখে দৈনিক সংবাদ সহ বিভিন্ন সংবাদ পত্রে একাধিকবার সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে বলে অভিযোগকারী ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে। উক্ত ভূমি দস্যু আলম সরকার ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর বিরুদ্ধে এত সব অভিযোগ দায়ের করা সত্বেও তাহা তোয়াক্কাই করছেন না মাদক সম্রাট আলম ও তার ক্যাডার বাহিনী। কোন এক বহাল তদবীরে প্রশাসনের নাকের ডগায় এখনো প্রকাশ্যেই আছেন ডাকাত বাহিনীর সর্দার আলম সরকার সহ তার বাহিনীর ক্যাডারা। এতে উৎসাহিত হয়ে সন্ত্রাসী উপজেলার মাছিমপুর গ্রামের মৃত নজরুল ইসলামের ছেলে কথিত অস্ত্রধারী দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী আলম সরকার (৪৩) এর নির্দেশে তার সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্য মৃত গনি মোল্লা ছেলে মোঃ মোবারক হোসেন প্রকাশে মোবা (৪৫), সহোদর ভাই মোঃ নবী হোসেন নবু (৪২), সহোদয় ভাই মোঃ ডালিম (৪০), মৃত জালাল উদ্দিনের ছেলে মোঃ আলমগীর হোসেন (৪৫), মৃত নজরুল ইসলামের ছেলে মোঃ ফারুক সরকার (৩৮), মোঃ অলিদ মিয়ার ছেলে মোঃ আকরাম হোসাইন (২৩), আঃ বাতেন প্রকাশ বাতু মিয়ার ছেলে মোঃ ডালিম মিয়া (৩৬), মোঃ মোবারক হোসেন মুবার ছেলে মোঃ রতন মিয়া (২২), মোঃ জসিম উদ্দিনের ছেলে মোঃ ফয়সাল (২৫), মৃত রশিদ মিয়ার ছেলে মোঃ নাজমুল হোসেন (৩৭) সহ অজ্ঞাত নামা আরো ৫০/৬০ জন সন্ত্রাসী গত ২৮/০৯/১৫ইং তারিখে হোমনার সংবাদ প্রতিনিধি এম. এ কাসেম ভূইয়াকে বেদম মারধর করে তার সঙ্গে থাকা নগদ টাকা, ২টি মোবাইল সেট সহ সাংবাদিকতার পরিচয়পত্র সহ গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রাদি লুটে নেয় উপরোক্ত আলম বাহিনীর সন্ত্রাসীরা। এদের বিরুদ্ধে সাংবাদিক এম. এ কাসেম ভূইয়া বাদি হয়ে থানায় ১টি মামলা দায়ের করেছেন। যাহা তিতাস থানার মামলা নং-০২, তাং- ০১/১০/২০১৫ইং, ধারা-১৪৩/৩২৩/৩৭৯/৩০৭/৫০৬/১১৪ দঃ বিঃ। এই মামলাটি চলমান রাখার কারণে কুমিল্লার বিজ্ঞ আদালতে মামলার ১নং আসামী আইনমান্যকারী আলম সরকারের হুকুমে উল্লেখিত আসামীরা গত ২৪/০৫/১৬ইং তারিখে আদালত প্রাঙ্গনে মামলার বাদী এম.এ কাসেম ভূইয়াকে বেদম মারধর করে তার সঙ্গে থাকা ল্যাপটপটি ভেঙ্গে গুড়া করে ফেলেছেন। তাৎক্ষনিক ওই সন্ত্রাসীদের হাত থেকে মোকদ্দমার বাদীকে উদ্ধার করেছেন কোতয়ালী থানার পুলিশ এবং এই ব্যাপারে কোতয়ালী থানায় ১টি অভিযোগ দায়ের করেছেন বাদী এম.এ কাসেম ভূইয়া এবং এই নিন্দনীয় ঘটনাটি গত ২৫/০৫/১৬ইং তারিখে দৈনিক সংবাদে প্রকাশিত হয়েছে। এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে মামলা বাদী সাংবাদিক এম. এ কাসেম ভূইয়া বিভিন্ন অপকান্ডের মামলার আসামী সাংবাদিক নির্যাতনকারী আলম সরকার ও তার বাহিনীর সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে গত ০১/০৯/১৬ইং তারিখে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবরে অভিযোগ দায়ের করেছেন। যাহার ডাইরী নং-১২১১৯ এবং ২৭/০৬/১৬ইং আই. জি.পি, ২৮/০৬/১৬ইং জাতীয় মানবাধিকার চেয়ারম্যান, ১১/০৭/১৬ইং পুলিশ সুপার, ১২/০৭/১৬ইং ও ২৪/ ০৭/১৬ইং জেলা প্রশাসক কুমিল্লাদ্বয় সহ ১৮/০৭/১৫ইং মাননীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী, অতি: পুলিশ মহা পরিদর্শক (এ.আই,জি), ঢাকা বরাবরে অভিযোগের কপি ডাকযোগে প্রেরণ করেছেন বলে অভিযোগ কারীর সূত্রে জানা যায়। এই সব ঘটনার অনুসন্ধানে গিয়ে এলাকাবাসী ও অভিযোগকারী সূত্রে আরোও জানা যায় সন্ত্রাসী বাহিনীর “গড ফাদার” অবৈধ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী আলম সরকারের সন্ত্রাসী বাহিনীর হাতে লাঞ্চিত হতে হচ্ছে এলাকার বুদ্ধিজীবি ও সুশিল সমাজ, ব্যবসায়ী, সংখ্যা লঘু পরিবার ও নিরীহ মানুষ সহ বাদ যাচ্ছে না জাতীর বিবেক সাংবাদিকরাও। এতেই সন্ত্রাসী বাহিনী ক্ষান্ত হচ্ছেন না বরং এলাকায় কোন সামাজিক, ধর্মীয় অনুষ্ঠানাদি করতে হলে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী আলম বাহিনীকে চাঁদা দিতে হয় বলে এলাকাবাসীর সূত্রে বেরিয়ে আসে এইসব কর্মকান্ডের ফিরিস্তি। তাই অভিলম্বে উল্লেখিত সন্ত্রাসী আলম বাহিনীর হাত থেকে পরিত্রান চায় এলাকাবাসী।
