এতেই তিনি চটেছেন। আর নিজের টুইটার থেকে একটার পর একটা টুইট করে আজান নিয়ে বিষোদগার করেছেন।
অবশ্য তাকেও অনেকে একহাত নিয়েছেন। প্রশ্ন তুলেছেন, কারও ঘরে যদি উচ্চস্বরে সনু নিগমের গান বাজে, আর তাতে কারও ঘুম ভাঙে, তখন তিনি কী জবাব দিবেন?
সোমবার টুইটে সনু নিগম শুধু মুসলমান নয়, সব ধর্মের উপাসনালয়ে মাইক ব্যবহার বন্ধের দাবি জানান।
টুইটে মুসলিমদের ফজরের আজানের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করে সনু নিগম লেখেন, ‘ঈশ্বর সবার মঙ্গল করুন! আমি তো মুসলিম নই। তবে আমাকে কেন সকাল বেলা আজান শুনে ঘুম থেকে উঠতে হবে? বাধ্যতামূলক ধর্ম পালন ভারতে কবে বন্ধ হবে?’
এরপরের টুইট, ‘আমি মনে করি কোনো ধর্মালয়েই বিদ্যুৎ ও মাইক ব্যবহার করা ঠিক নয়।’
যুক্তি হিসেবে সনু উল্লেখ করেছেন, ইসলামের মহানবী মুহাম্মদ (সা.) যখন ইসলাম আনেন, তখন কোনো বিদ্যুৎ ছিল না। তাহলে আমরা কেন এখন সেটিকে ব্যবহার করে মানুষকে বিরক্ত করব?
অনেকেই তার এই মতামতের পক্ষে দাঁড়িয়েছেন। আবার অনেকে কড়া সমালোচনা করেছেন।
সনুর টুইটের জবাব হিসেবে প্রতিবাদকারীরা লিখেছেন, ‘আমার যদি সনু নিগমের গান শুনে ঘুম ভেঙে যায়, তাহলে কি করা উচিত?’
অনেকেরই মত, আসলে যখন গান দিয়ে কেউ আলোচনায় থাকতে পারছেন না, তখন বিতর্ক দিয়ে থাকতে হবে। এটাই তারকাদের একটা কৌশল!
সনু নিগম বাংলা গান দিয়ে তার ক্যারিয়ার শুরু করলেও হিন্দি গানে ব্যাপক সফলতা পান। অসংখ্য সিনেমার গানে তিনি প্লেব্যাক করেছেন।
সম্প্রতি তিনি ইন্ডিয়ান আইডল-৯ এ বিচারক হয়েছেন।
আজান নিয়ে সনু নিগমের বিষোদগার
একটি মসজিদ থেকে ভোরে ফজরের আজানে ঘুম ভাঙে ভারতের জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী সনু নিগমের।
Advertisement
Advertisement

