অনুমোদন না থাকায় সাতটি অবৈধ ইটভাটা গুঁড়িয়ে দেয়া হলো

0
609

অনুমোদন না থাকায় এবং সনাতন পদ্ধতিতে ইট প্রস্তুত করায় মৌলভীবাজারের রাজনগর, কুলাউড়া ও জুড়ী উপজেলার সাতটি অবৈধ ইটভাটা গুঁড়িয়ে দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তিনটি ইটভাটাকে ৬০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

Advertisement

পরিবেশ অধিদফতরের সিলেট বিভাগীয় পরিচালক ইসরাত জাহান পান্নার নেতৃত্বে দুদিনব্যাপী (মঙ্গল ও বুধবার) অভিযান চালিয়ে এসব ইটভাটা গুঁড়িয়ে দেয়া হয়। অভিযানে পরিবেশ অধিদফতরের সিলেট ও মৌলভীবাজার কার্যালয়ের কর্মকর্তাসহ আর্মড পুলিশের একটি দল অংশ নেন।

পরিবেশ অধিদফতর জানায়, বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে হাকালুকি হাওরের তীরবর্তী এলাকার ইটভাটায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় জুড়ী উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান গুলশান আরা মিলির মালিকানাধীন এমকো ব্রিকস-১ ও এমকো ব্রিকস-২ এবং বাবুল আহমদের মালিকানাধীন বিএবি ব্রিকসকে ২০ লাখ টাকা করে ৪০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। সেই সঙ্গে পরিবেশ অধিদফতরের ছাড়পত্র না থাকায় ইটভাটাগুলোকে গুঁড়িয়ে দেয়া হয়।

এর আগে গতকাল মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজনগর উপজেলার সদর ইউনিয়নের মুরালী গ্রামে কাজী খন্দকার ব্রিকসে অভিযান চালিয়ে গুঁড়িয়ে দেয়া হয়। এ সময় ইটভাটার মালিক উপস্থিত না থাকায় পরিবেশ অধিদফতরের কার্যালয়ে হাজিরের নির্দেশ দেয়া হয়।

একই ইউনিয়নের কর্নিগ্রামে এসকে ব্রিকসকে নিয়ম না মেনে কাঠ পোড়ানো ও পরিবেশবান্ধব চুলা না থাকায় ২০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। তাৎক্ষণিক দুই লাখ টাকা আদায় করে বাকি টাকা নির্দিষ্ট সময়ে পরিশোধের নির্দেশ দেয়া হয়। একই সঙ্গে ইটভাটাকে গুঁড়িয়ে দেয়া হয়।

একই অভিযোগে ওই ইউনিয়নের এমআর ব্রিকস ইটভাটায় অভিযান চালিয়ে গুঁড়িয়ে দেয়া হয়। ওই দিন বিকেলে কুলাউড়া উপজেলার কৌলা এলাকায় মোনায়েম খানের খান ব্রিকসে অভিযান চালিয়ে গুঁড়িয়ে দেয়া হয়।

পরিবেশ অধিদফতরের মৌলভীবাজারের সহকারী পরিচালক বদরুল হুদা বলেন, পরিবেশ অধিদফতরের আইন অমান্য করে সনাতন পদ্ধতিতে ইটভাটাগুলো অবৈধভাবে ইট প্রস্তুত করে আসছিল। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ইটভাটাগুলো গুঁড়িয়ে দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তিনটি ইটভাটাকে ৬০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here