লক্ষ্মীপুরে কাজী শীহদুল ইসলাম পাপুল ও মনির আহমদকে অবাঞ্চিত ঘোষণা

0
700

লক্ষ্মীপুর-২ রায়পুর আসন থেকে সম্ভাব্য এমপি প্রার্থী ও রায়পুরের স্বঘোষিত ধনাঢ্য ব্যাক্তি কাজী শহীদ ইসলাম পাপুল ও আমেরিকা প্রবাসী মনির আহমদকে অবাঞ্চিত ঘোষনা করা হয়েছে।

Advertisement

মঙ্গলবার (১১ সেপ্টেম্বর) লক্ষ্মীপুর প্রেসক্লাবের কার্য নির্বাহী কমিটির সভায় সাময়িকভাবে প্রেসক্লাব আঙ্গিনায় তাদেরকে অবাঞ্চিত ঘোষনা করা হয়। স্ব ইচ্ছায় প্রেসক্লাবে এসে জেলায় কর্মরত শতাধিক সাংবাদিকদের সামনে ক্লাবের উন্নয়নে ও আজীবন সদস্য পদ লাভের জন্য ঘোষনা দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে প্রতারণার আশ্রয় নেওয়ার কারণে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে ক্লাব সুত্রে জানা যায়। জানা যায়, গত ২৪ মার্চ লক্ষ্মীপুর প্রেসক্লাবের হলরুমে সাংবাদিকদের সাথে মত বিনিময় সভায় ক্লাবের উন্নয়নের জন্য ১০ লাখ টাকা ও প্রতিবছর অসহায় সাংবাদিকদের কল্যাণের জন্য ১লাখ টাকা করে দেওয়ার ঘোষনা দেন পাপুল। যাহা বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচার করা হয়। এরপর পাপুলের কাছে ক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক টাকা চাইলে দিচ্ছি দিব বলে নানা তালবাহানা করে। সর্বশেষ গেলো রমজানের শেষে প্রেসক্লাবে এসে আবারো তার দেওয়া প্রতিশ্রতি ১ সপ্তাহের মধ্যে কার্যকর করার কথা জানান সাংবাদিকদের। এসময় প্রেসক্লাবের আজীবন সদস্য পদের ক্রেস্টও গ্রহন করেন তিনি। কিন্তু প্রতিশ্রুতি দেওয়া ওই অনুদান না দিয়ে প্রতারণার আশ্রয় নেন পাপুল। এতে লক্ষ্মীপুরের সাংবাদিক সমাজ ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন। তথ্য অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, পাপুল প্রথমে দানবীর রুপ নিয়ে লক্ষ্মীপুরের রায়পুরের উন্নয়ন করার নামে এলাকায় আসেন। তখন তিনি কোন নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করবেননা বলে গণমাধ্যমকে জানান। কিছুদিন পর মানব সেবার নাম করে মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে তিনি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, এতিমখানা, অন্ধ পরিবারসহ বিভিন্ন স্থানে লাখ লাখ টাকা অনুদানের ঘোষনা দিয়ে বেশ প্রশংসিত হন। জানা গেছে এসব প্রতিশ্রুতির অধিকাংশ বাস্তবায়ন না করে একইভাবে প্রতারণার আশ্রয় নেন বলে অভিযোগ উঠে। তার এসব ঘটনায় সাধারণ মানুষ এখন বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে বলে জানা যায়। এদিকে হঠাৎ জুলাই মাসে আমেরিকান প্রবাসী সদর উপজেলার চররুহিতা ইউনিয়নের বাসিন্দা মনির আহমদ প্রেসক্লাবে এসে আজীবন সদস্য পদ লাভের জন্য প্রেসক্লাবে ১ লাখ টাকা অনুদানের ঘোষনা দেন। যা পরদিন ক্লাব কর্তৃপক্ষকে ব্যাংক চেকের মাধ্যমে দেওয়ার কথা দেন তিনি। কিন্তু তিনিও তা না করে প্রতারণা করেন। এতে করে ক্লাবের কার্য নির্বাহী কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ কমিটির সদস্যরা তাদের দু’জনকে অবাঞ্চিত ঘোষনা করে কালো তালিকাভুক্ত করে প্রেসক্লাবে তাদের ছবি ঝুলিয়ে রাখার সিদ্ধান্ত নেন।

 

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here