আজ রোববার (২ জুন) থেকে আগামী ২০ জুন পর্যন্ত
সৌদিতে অবস্থানকারী সবাইকে এ আইন মানতে হবে। নয়তো জরিমানাসহ কঠোর শাস্তি ভোগ করতে হবে।
খালিজ টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, সৌদি নাগরিক, পর্যটক, যে কোনো উদ্দেশ্যে সৌদিতে অবস্থানকারী ব্যক্তি
সবাই নতুন আইনের আওতাভুক্ত হবেন। তারা কেউ অনুমতি ছাড়া হজ করতে পারবেন না।
অনুমতি না নিয়ে হজ পালনকারীদের শনাক্তে কাজ করবে কর্তৃপক্ষ। এমন কাউকে পবিত্র নগরীতে পাওয়া গেলে ১০
হাজার সৌদি রিয়াল জরিমানা করা হবে।
এ ছাড়া কেউ অনুমতি হীন হজযাত্রীদের পরিবহনও করতে পারবেন না। করলে তা কে ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড দেওয়া
হবে। সঙ্গে ৫০ হাজার সৌদি রিয়াল পর্যন্ত জরিমানা করার বিধান রাখা হয়েছে। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় সাড়ে ১৫ লাখ
টাকার বেশি।
মক্কা নগরী, হজের কেন্দ্রীয় এলাকা, পবিত্র স্থান, হারামাইন ট্রেন স্টেশন, নিরাপত্তা চেকপয়েন্ট, স্ক্রিনিং সেন্টার এবং
অস্থায়ী নিরাপত্তা চেকপয়েন্ট এলাকায় অনুমতি ছাড়া কেউ যেতে পারবেন না।
নতুন আইন অনুযায়ী, বিধি লঙ্ঘনকারী প্রবাসী হলে তার কাছ থেকে জরিমানা আদায় করে নিজ দেশে পাঠানো হবে।
এমনকি ফের সৌদিতে প্রবেশও তার জন্য নিষিদ্ধ করা হতে পারে।
আইনে আরও বলা আছে, ভিজিট ভিসাধারীরা হজ করতে পারবেন না। তাদের হজ করার অনুমতি নেই। দর্শনার্থীদের ২
জুন থেকে ২১ জুন মক্কায় ভ্রমণ বা অবস্থান এড়াতে পরামর্শদেওয়া হয়েছে। নয়তো তাদেরও শাস্তির আওতায় আনা
হবে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভিজিট ভিসাসহ ২০ হাজারের বেশি দর্শনার্থী হজের বিধান লঙ্ঘন করেছে। তাদের মক্কায় থাকতে
নিষেধ করা হয়েছে।
এদিকে হজ ফ্লাইট শুরু হওয়ার পর এখন পর্যন্ত মোট ৫৫ হাজার ১১৬ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী সৌদি আরবে
পৌঁছেছেন।
রোববার (২ জুন) হজ পোর্টালের আইটি হেল্পডেস্কের প্রতিদিনের বুলেটিন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
অপরদিকে হজ পালন করতে গিয়ে সৌদি আরবে আরও এক বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। নিহতের নাম মো. নুরুল
আলম (৬১), তার বা ড়ি কক্সবাজারের রামুতে। এ নিয়ে সৌদি আরবে ৯ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী মারা গেলেন।
শুক্রবার (৩১ মে) মক্কায় মারা যান তিনি।
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে এবারের হজ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৬ জুন। হজযাত্রীদের সৌদি আরব যাওয়ার প্রথম ফ্লাইট শুরু
হয় গত ৯ মে। ফ্লাইট চলবে আগামী ১২ জুন পর্যন্ত। হজ শেষে আগামী ২০ জুন ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে। আগামী ২২
জুলাই বাংলাদেশে ফেরার ফ্লাইট শেষ হবে।

