এম. পি চৌধুরী ঃ
বাংলাদেশ গণতান্ত্রিকদেশ, ১৯৭১ সালের ১৩ ই ডিসেম্বর মরহুম শেখ মজিবর রহমানের জন্য ১টি মানচিত্র তৈরী হল যার নাম বাংলাদেশ, কিন্তু এ গণতান্ত্রিক দেশে এখন মজিবর রহমান কে হত্যার পর কি কোন ভাল কিছু আশা করা সম্ভব ? কিছু প্রশ্ন রইল আপনাদের কাছে বিশেষ করে যারা প্রশাসনের ও সচিব দায়িত্বে আছেন, তাদের নিকট ১/ আমরা কি ভাল আছি ২/ বেকার লোকের সংখ্যা এত কেন ? ৩/ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র/ছাত্রীদের আসন কম কেন ? ৪/ চাকুরীর সংখ্যা কম কেন ? ৫/ মাদক, অস্ত্র, চোরাচালানীর সংখ্যা বৃদ্ধি হচ্ছে কেন? ৬/ বাচ্চাদের বিনোদনের উপযুক্ত মাঠ নেই কেন ? ৮/ আদব-কায়দা স্নেœহ ভালবাসা মমতা শ্রদ্ধা নেই কেন ? ৯/ খুন, ধর্ষন, চাদাবাজি, দখলবাজদের শাস্তি হয় না কেন ? ১০/বাংলাদেশের প্রতিটি বর্ডার গার্ডদের চোখ ফাকি দিয়ে ডুকছে কার অনুমতিতে এবং তাদের বিচার ঘুষখোর হিসেবে হয় না কেন ? ১১/ রাজনীতির নানা পদ গ্রহনকারী দুষ্ট নেতাদের প্রশাসন শাস্তি দেয় না কেন ? ১২/ নির্বাচন আসলে নানা লোভনীয় অফার ও আশ্বাস দিয়ে নেতারা জয়ী হলে তা ভুলে যায় কেন? ১৩/প্রশাসন পারেন-৭২ ঘন্টার মধ্যে বাংলাদেশের সকল অপরাধীদের আইনের মাধ্যমে শাস্তি দিতে কিন্তু কেন তা সম্ভব হয়ে উঠে না কার জন্য ? ১৪/ ছোট আমাদের এই বাংলাদেশে এত ভয়ানক মাফিয়াদের অভায়রন্য কেন ? ১৫/ দেশে এত ধ্বংসাতœক রাজনীতি কেন হচ্ছে ? ১৬/ মামা-চাচা, খালুর জোড় না থাকলে এবং টাকা না ঘুষ দিতে পারলে, ভাল সার্টিফিকেটের দ্বারা চাকুরী হতে সাধারন মধ্যবিত্তরা বঞ্চিত হচ্ছে কেন ? ১৭/ পরনিন্দা ও পরচর্চা বেশী কেন ? ঝনের বাজারে এত চোরা ঝন কেন ? ১৮/ নেতাদের কাছে সন্ত্রাসী এবং সন্ত্রাসীদের নিকেট অস্ত্র কেন ? ১৯/ মুখে দাড়ি পাঞ্জাবী পড়ে মানুষ মসজিদে যেতে, বাইরে স্বাধীন ভাবে ঘুরতে ভয় পায় কেন ? ২০/ রাস্তাঘাট, হতে অলি গলিতে এমনকি চায়ের দোকানদার সহ হোটেলে মাদক ব্যাবসা রমরমা কেন ? ২১/ চাকুরীর নামে নারী শিশু পাচার হচ্ছে কেন ? ২৩/ আবাসিক হোটেলে ও বিভিন্ন ফ্লাটে নানা কতিপয় লোকজনদের সহযোগীতায় নারী ব্যাবসা জমজমাট কেন ? ২৪/ প্রাইভেট স্কুল ও কলেজে ভর্তি সেশন এর নামে হাজার/লক্ষ টাকা শুনতে হচ্ছে কেন ? ২৫/ খারাপ সন্তানদের মাতা-পিতা এবং নেতাদেও সন্তানদের এত অহংকার ও দ্বাপট কেন ? ২৬/ প্রশাসনের বিচার-নেতারা করেন কেন ? ২৭/ পেইডিং মামলায় আসল অপরাধীদেও নাম না দিয়ে ভাল নীরিহ সাধারন জনতাদের নাম বসিয়ে হয়রানীর শিকার হতে হচ্ছে কেন? ২৮/ খাদ্য দ্রব্য গুলোতে ফরমালিন ও ভেজাল কেন ? ২৯ / ভ্রাম্যমান আদালত প্রতিদিন তাদেও কর্তব্য চালিয়ে যেতে সক্ষম হচ্ছেন না কেন ? ৩০ /বিভিন্ন দিবসে নানা ভাবে হুমকি কেন ? আমার এ প্রশ্নের উত্তর সঠিক ভাবে জানা নেই তবে আমি কাউকে উদ্দেশ্য না করে লেখা গুলি লিখনী, ভুল হলে ক্ষমাপ্রার্থী, তবে আমার দীর্ঘ সাংবাদিকতার অভিজ্ঞতায় চিন্তা করে দেখলাম, আইনের উর্দ্ধে কেউ নন, একমাএ সৎ প্রসাশনিক কর্মকর্তা ও বিচক্ষন আদালত ও সৎ সচিব ব্যাক্তিবর্গ গন পারেন এই ছোট বাংলাদেশ হতে এই “কেন?” এর সঠিক উত্তর খুজে তার বাস্তবায়ন করে শেখ মজিবর রহমানের সোনার বাংলাদেশ উপহার দিয়ে সুন্দর সমাজ, পরিবেশ সহ আইনকে শ্রদ্ধার চোখে দেখতে সাধারন জনতাকে বাংলাদেশের মানুষ সোনার বাংলাদেশ দেশ দেখতে চায় এটা তাদের অধিকার এবং স্বপ্ন সরকার সহ সকল মাননীয় উর্ধতন প্রশানিক কর্মকর্তাদের কাছে মানবসেবা বড় সেবা যদি সৎভাবে তা গঠন করা যায়-মানুষ সামাজিক জীব বাংলাদেশ স্বাধীন গণতান্ত্রিক দেশ, অথচ আজ এই ২ টি কথা সত্যিকারের ভাবটা বোঝা মুশকিল, আমরা আমাদের নিজ চাহিদা মেটানোর কারণে সকল মানুষকে শ্রেণীকে আলাদা করে দেখা, ধনী ও গরীব এই মন্ত্রটাই বেশী। গণতান্ত্রিক দেশ অথচ কোথায় গণতন্ত্র তা বঙ্গবন্ধু ও শহীদ জিয়ার মৃত্যুর পর পরই হারিয়ে গেছে, সঠিকভাবে রাজনীতির অনুসরনকারীরা আজ ঝিমিয়ে আছেন, ক্যাডার রাজনীতিটাই চলমান আছে, সিনিয়ির নেতা বা নেতৃবৃন্দেদের বর্তমান নতুন প্রজন্মটা মূল্যায়ন করছে না, যদি করত তবে হয়ত এত ক্ষমতার লড়াই বা কালো অর্থ ছড়াছড়ি হত না, হয়তবা কোন সময়ের কোন কালে, গঠনতন্ত্রে ভুল ছিল, সামাজিক জীব হিসেবে খ্যাত মানুষগুলো অনৈতিক অসামাজিক কাজ নিয়ে বেশি চিন্তা ধারায়, মগ্ন, যার ফলে দেশের শুধু নয় এলাকাগুলোতে চলছে দাঙ্গা ও ক্ষমতার লড়াই। প্রশাসন পারে ২৪ ঘন্টার ভেতর সব দুর্নীতি দূর করতে অথচ তারা কাকে গ্রেফতার করবে, মোবাইল বেজে ওঠে ওসি, এসি, এএসপি, এসপির কাছে চলে আসে, ছাড়া পেয়ে সেই একই পেশায় ফিরে যায়, কেন আমাদের মাঝে ক্ষমতার অপশক্তি কাজ করে বেশ। ক্ষমতাবানদের উচিৎ ক্ষমতাকে অপশক্তিতে ব্যবহার না দেখিয়ে দেশের সাধারণ শ্রেণীর মানুষের কাজে ব্যবহার করলে হয়তবা আরও উন্নত হতো দেশটা ঠিক মালয়েশিয়ার মত হতো। মাদকদ্রব্য ব্যপারটা এমন ১টি বিষয় যা আমরা ফেলে দিলেও তা পারছি কিনা সন্দেহ। কারণ এটা ভাইরাস, যুব সমাজ বেপরোয়া চলাফেরা মা বাবার সন্তানদের প্রতি অযতœ অবহেলা অপরাধমূলক বন্ধু বান্ধবীরদের সঙ্গে, নানা ধরনের দামী মোবাইল কেনা, মোবাইল মেমোরিতে ওলটপালট অশ্লীলতা এগুলোর প্রতি যদি মা-বাবা একটু সচেতন হতেন তবে বোধ হয় যুবক, যুবতী সমাজগুলো ধ্বংসের পথে যেত না। আপনার সন্তান কোথায় যায় ? কার সঙ্গে মেশে ? কখন বাড়ি ফিরবে ? স্কুল, কলেজ বা কোচিং এসময় মত যাচ্ছে কিনা ? এ সকলগুলো ঠিকভাবে পরিচর্চা করলে আমার মনে হয় আপনার সন্তানটি খারাপ জিনিস বা মাদকদ্রব্যর বা সেক্সুয়্যাল বিষয়ের মতো মারাতœক বিষয়ে পা বাড়াবে না। আমরা পারি প্রশাসনের দিকে সাহায্যের হাতটা বাড়িয়ে সঠিকভাবে তার মূল্যায়নটা করতে, পুলিশকে সন্ত্রাসীদের উপর সকল ঠিকানা ও তথ্য প্রমাণ সংগ্রহ করে জানাতে হবে। অপরাধী সে যেই হোক তার জন্য কোন রিকোয়েষ্ট মোবাইল করে তদবীর করা যাবে না। অশিক্ষিত সোর্সরাই অপরাধ জগতের ডন । এটা কিছু অনৈতিক প্রশাসন কর্মকর্তারা স্বীকার করেন না, বাস্তবটা বড়ই নির্মম। নারী ও শিশু নিরাপত্তা দিতে হবে কথাটি সত্য। কিন্তু কিছু কিছু অনৈতিক উগ্র পুরুষরা তাদের লালশার শিকার করে এটা আমরা চাক্ষুশ প্রমাণিত। তাদেরকে একটু ভেবে দেখুন সত্য না মিথ্যা। অশালিন ও অনৈতিক আচরনকৃত ব্যাবহার ও পোষাক নারীদের আচরণ পরিবর্তন আনে বলে মনে করি, বোন স্ত্রী কন্যা সবার আছে। আমরা পরিবারের কর্তা অথবা ভাইয়া সদয় দৃষ্টি দিয়ে তাদেরকে ঐ সকল হতে বিরত রাখবো বলে মনে করি। দেশে নারী ও শিশু নির্যাতনের দরবার ও ধর্ষণ বিষয়টা কমে আসবে। সৎ ও সুন্দর চরিত্রবান যোগ্য নেতানেত্রী কে ? এটা জটিল জ্ঞানে বা অজান্তে কোন না কোন ছোট বড় অন্যায় করেছেন, তবে যদি ৮০ ভাগ কেউ দেশ ও সমাজের জন্য ন্যায়ে পথে নিজেকে উৎসর্গ করে তবে বাকী ২০ ভাগ অতীত হয়ে তিনি পবিত্র বা মহামানবের শিষ্য হতে পারবেন বলে মনে করি। একজন এমপি বা কমিশনারকে অবশ্যই শিক্ষিত হতে হবে। সে দরিদ্র হোক বা আর্থিক অসচ্ছলতায় থাকুক না কেন সততাই তার মূল শক্তি থাকবে। এটা অস্বীকার করার উপায় নেই এলাকার সর্বশ্রেণীর সকল ধর্মের সাথে, মানুষের সাথে সম্পর্ক ভালো রাখতে হবে। যেমনটি রেখেছিলেন বঙ্গবন্ধু, শহীদ জিয়া, মাওলানা ভাষানী, শেরে বাংলা ফজলুল হক, অন্যান্য আরও নাম জানা অজানা বিখ্যাত ব্যক্তিদের মতন। তাহলে হয়তবা পাবলিসিটি করার জন্য পোষ্টার, দেয়ালে লিখন বা ব্যনার অথবা স্টিকার কোথাও ঝুলতে হবে না। নামেই মানুষ না কর্মেই মানুষ, সেই যোগ্য ব্যক্তিকে চিনে নেবে। সত্য ও ন্যায়ের পথে যেই থাকুক একদিন সে তার দেশের ইতিহাসের নাম লিখবেই। বিডিয়ার হত্যাকান্ডটি মর্মান্তিক, সরকার সদয় বিবেচনায় রাখবেন বিচার কাজগুলো। নিরীহ ব্যক্তিরা সাজা না পায় বঙ্গবন্ধু হত্যাকারী শহীদ জিয়া হত্যাকারী, সাংবাদিক সাগর ও রুনি হত্যাকারী ও গ্রেনেড হামলার হত্যাকরীদের ফাসি দেয়া হোক তা বিশ্ববাসী দেখতে চায়। যখন আমি কলেজে পড়তাম তখন কোন এক সময় এক শিক্ষক আমাকে কথাটি বলছে, রাজনীতি দুই শ্রেনীর ব্যাক্তি করতে পারেন যার অনেক বিদ্যাবুদ্ধি ও অর্থ আছে তারা এবং দুই যারা নিজের জিবনকে জীবন মনে করে না, অনেকটা বেওয়ারিশদের মত। কথাগুলো বর্তমান সময়ে মনে পড়ে, বর্তমানে আমি দেখেছি রিকশওয়ালা, টেম্পু এমনকি গার্মেন্সের শ্রমিকেরা পর্যন্ত নেতা বনে যায় সমাজের শিক্ষিত লোকদের বিচার করে মূর্খ ও ধূর্ত সেই সকল ব্যাক্তিবর্গ। ঢাকা একটি জেলা ও রাজধানী অথচ এই রাজধানীর প্রতিটি ওয়ার্ডে সমাজ এলাকা ঘুরে দেখা যায় শিক্ষিত নেতাদের সংখ্যা শতকরা মাত্র ৫ জন বাকী ৯৫ জন অশিক্ষিত, আমি দেখেছি ভোটের আগে বস্তিতে গিয়ে যে কোন ভদ্রলোক নোংরা মানুষদের জড়িয়ে ধরে কিন্তু লোকটি যখন ভোট দিল, সেই সমাজপতি আর কাউকে চেনে না, হোক তিনি মন্ত্রীবর্গ, আমলা, সংসদ সদস্য এবং জনপ্রতিনিধি। সার্টিফিকেট নিতে, বিচার চাইতে সময়ের পর সময় চলে যায় অথচ লোকের দেখা মিলে না। তাই দেশের শাসন কাঠামো নষ্ঠ হতে চলেছে। অথচ দেখা যায় আপনাদের সন্তানেরা বাজে কাজে নিয়োজিত থাকে। আপনাদের সন্তানের দিকে একটু খেয়াল রাখলে বোধহয় আগামীতে সমাজ ও সঠিক পথে আনা সম্ভব। আপনারাতো খোলা মঞ্চে ভাষন দেন, অথচ ভাবুন না কেন আপনার ঘরেই একটা মঞ্চ, আপনি সঠিকযোগ্য একজন নেতা। আপনার ঘরটা কে আগে দেখুন না, কে কি করছে কাকে রাখা যায় কাকে ত্যাগ করা যায় তাহলেই তো বুঝবেন আপনার নীতিটা কোথায় বা কে আপনাকে কতটা মানছে ? নিজে ভাল তো জগৎ ভালো, অথচ আমরা কেউ কি বুকে হাত রেখে মুনকার ও নাকীরকে স্বাক্ষী করে বলতে পারবো যে, আমরা ভাল, মনে হয় না সততা বা সেই সৎ সাহস আমাদের আছে। জনপ্রতিনিধি যিনি জনগনকে পথ দেখাবেন সঠিকভাবে, সুন্দর সমাজ ও পরিবেশ গড়বেন অথচ আমরাই আমাদের চিনি না, চেনার চেষ্টা করি না শুধু নেতা হতে চাই, ক্ষমতার চেয়ার চাই, প্রশাসনকে ধমক দিয়ে বাপের সম্পত্তি বানাই, বাসায় ফ্রিজ ভরে ভালো খাবার চাই, পকেট ভরা টাকা চাই, বিদেশে দামী স্কুল, কলেজে ভর্তি হতে চাই। বিচারের নামে টাকা খাই, প্রতিপক্ষ কে থাকলে মামলায় জড়াই, প্রয়োজনে খুন করাই, কন্যাদের নামাজ পড়ার বদলে টি-শার্ট জিন্স অথবা থ্রী কোয়াটার প্যান্ট পড়াই, আদব শেখানোর বদলে বেয়াদব বানাই। শয়তানের বিধর্মীদের অনুসরন করি, আর এটাই আমাদের বৈশিষ্ট্য সুধী সমাজ ভেবে দেখুন আমার দেখা বহু নেতাকর্মীদের আমি খুব কাছ থেকে দেখেছি অথচ অবিশাস্য হলেও সত্য যে, নীতিবান আদর্শ সৎ যোগ্যমাপের শিক্ষিত লোক চোখে পড়ে না, হয়ত বা অল্প সময়ের জন্য খুব ভাল সমাধান ও চেহারা দেখেছি অথচ পরবর্তীদের একই এলাকার হতে অন্য এলাকাতে গেলেই শোনা যায় বিপরীত লোকের আসল চেহারাটা কত ভয়ঙ্কর তদন্ত করলেও একই রেজাল্ট পেয়ে গেছি। আমরা যদি সামাজিক জীব হয়ে থাকি তবে কেন আজ আমরা নানা নৈতিকতার সাথে যুক্ত আছি। কেন আজ আমরা মা-বাবাস্থানীয় মুরব্বীরা বা বয়োজ্যোষ্ঠ লোকদেরকে অসম্মান করছি। কেন কেউ উপদেশ দিলে বিপরীতে গালমন্দ করছি ? কেন আজ এলাকার অলিতে-গলিতে আজে বাজে আড্ডা ? কেন নেতা-নেত্রীদেরকে সাধারন লোক গালমন্দ করেন ? কেন দেশে খুন, ধর্ষন, ইভটিজিং বাড়ছে ? কেন সাংবাদিকদেরকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেওয়া হয় না? কেন আজ দ্রব্যমূল্যের দাম কমছে না ? কেন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বেতন বাড়ছে না ? কেন লেখার স্বাধীনতা অবরুদ্ধ করা হচ্ছে? কেন সন্ত্রাসীদের ধরেও ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে ? কেন ভারত, নেপাল, থাইল্যান্ড, বার্মা হতে নিজের দেশে মাদক ঢুকছে বিনমিয়ে নারী ও শিশু পাচারের মাধ্যমে বাংলাদেশের মান ক্ষুন্ন হচ্ছে, কেন আজ দেশে এত অশনি সংকেত ? কেন মানুষ মানুষকে আজ বিশ্বাস করছে না ? কেন আমরা ক্ষমতার জন্য লড়াই করছি ? আমরা ক্ষমতা পেলে তার অপব্যবহার করছি ? কেন আজ মুসলমান বলে একজন অন্য জনকে খুন করছি ? কেন পুলিশ প্রসাশনের বেতন বাড়ছে না? কেন মাদকের স্পট ও নারী ব্যাবসায় কতিপয় কিছু সন্ত্রাসী গড ফাদার স্থানীয় নেতা-নেত্রী এবং সোর্স জড়িত কেন আমরা আইন মানছি না ? কেন আজ সড়ক দুর্ঘটনা এবং ছিনতাই বাড়ছে ? কেন অস্ত্রবাজরা স্বাধীনভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছে ? কেন আজ মিডিয়ার নামে কতিপয় কিছু ব্যক্তিবর্গ অশালীন কাজকর্ম ঘটাচ্ছেন ? কেন বাড়ি ভাড়া বাড়ছে ? কেন বাড়িওয়ালা ভাড়াটিয়াদের সাথে দুর্বব্যবহার করছে ? কেন থানায় মামলা এবং জিডির সঠিক তদন্ত হয় না? কেন মোবাইলে একে অন্যকে হুমকি প্রদান করে? কেন পানি এবং বিদুৎ সংকট চলছে ? কেন সত্যিকারের নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন হচ্ছে না ? কেন টেন্ডারবাজীদের সন্ত্রাসী ক্ষমতা চলছে ? কেন সিটি কর্পোরেশন জোনগুলোতে ব্যাপক অনিয়ম চলছে ? কেন স্বদেশী পণ্য ব্যবহার বৃদ্ধি পাচ্ছে ? উপরোক্ত সকল প্রশ্নের জবাব কি কেউ সঠিক ও নির্ভুলভাবে দিতে পারবেন ? আমার মনে হয় না ? তবে আমরা যদি নিজেরাই নিজেকে ঠিকভাবে গোছাতে না পারি তাহলে অন্য কেউ বা কারই ক্ষমতা নেই আমাদের সভ্যতাকে ফিরিয়ে দিতে হবে। এ জন্য আমি দায়ি করছি অভিভাবক, প্রশাসন এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য, আমরা জন প্রতিনিধিসহ ডিস, টিভি, ভিসিডি, মোবাইল এবং শাসনহীন মাথাদেরকেই ? যদি তারা নোংরামী এবং অনৈতিকতার সকল কিছু বন্ধ করে দেই তাহলে এই দেশটা গণতান্ত্রিক স্বাধীন দেশে, ডিজিটাল দেশ, সুসভ্য জাতির আদর্শবা দেশ এবং দুর্নীতির বদলে সুনীতির দেশ হিসাবে বিশ্বের দরবারে স্থান পাবে এটাই বিশ্বাস করি।

