আরিফ, আরাফাত, আরমান (প্রকৃত নাম নয়) বয়সে সবাই শিশু। একই পাড়ায় একসঙ্গে বেড়ে ওঠার সুবাদে পরস্পরের বন্ধু। এর মধ্যে একজন দশম শ্রেণিতে, আরেকজন নবম শ্রেণিতে পড়ে। অন্যজনের কাঁচামালের ব্যবসা এক মাদক কারবারির মাধ্যমে ইয়াবা সেবন শুরু করে তারা।
একদিন বিক্রির জন্য তাদের কাছে ধরিয়ে দেয় ইয়াবা। এভাবে বেশ ভালোই চলছিল। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। পুলিশের হাতে ধরা পড়ে যায় তারা। উদ্ধার হয় ৫৫ পিস ইয়াবা। ঘটনাটি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার। গতকাল সোমবার সকালে পৌর এলাকার কলেজপাড়া থেকে পুলিশ তাদের আটক করে। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেছে। দুপুরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। আটক দুই শিশু কলেজপাড়ার ইস্পাহানি আইডিয়াল স্কুলে দশম ও নবম শ্রেণিতে পড়ে। তাদের বাড়িও কলেজপাড়ায়। আরেকজন কাউতলীতে কাঁচামালের ব্যবসা করে। নবীনগরের ওই শিশু কাউতলীতে পরিবার নিয়ে ভাড়া বাসায় থাকে। গতকাল সোমবার দুপুরে থানায় কথা হয় ওই তিন শিশুর সঙ্গে। তারা জানায়, বেশ কয়েক মাস আগে জেলার আখাউড়ার মনিয়ন্দ এলাকার এক ব্যক্তির সঙ্গে দেখা হয়। সে তাদের হাতে ইয়াবা তুলে দেয়। ওই ইয়াবা তারা সেবন করে। পরে লোকটি তাদের হাতে বিক্রির জন্য ইয়াবা তুলে দেয়। বিক্রি করতে গিয়েই তারা পুলিশের হাতে ধরা পড়ে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জিয়াউল হক বলেন, ‘পুলিশের অভিযানের মুখে মাদক কারবারিরা গাঢাকা দিয়েছে। তারা এখন স্কুল-কলেজগামী ছাত্রদের দিয়ে এ ব্যবসা করাচ্ছে। গ্রেপ্তারকৃতদের সেবনের জন্য ইয়াবা দেওয়ার বিনিময়ে ব্যবসা করাত।’

