সিরিজ-১ রাজধানীর ইউনাটেড হাসপাতালের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও প্রতারণার অভিযোগ

1
3018

এস.এম কামাল হোসেন
চিকিৎসার নাম করে রোগীর সাথে প্রতারণার অভিযোগ পাওয়া গেছে রাজধানীর ইউনাটেড হাসপাতালের বিরুদ্ধে।
অভিযোগে জানা যায় ঢাকাস্থ তুরস্কের দূতাবাসে কর্মরত আলী সুয়াভী কেসকিন নামক একজন কূটনৈতিক গত বছর ২৮ শে মে ইউনাইটেড হাসপাতালের গ্যাসট্রোয়েনট্রলজি ও হেপাটোলজি বিভাগে ইআরসিপি করার জন্য ভর্তি হন। একই দিনে ঐ বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডাঃ মোঃ মাহাবুব আলম আধুনিক যন্ত্র মুখ গহবর দিয়ে খাদ্য নালীতে প্রবেশ করান। চিকিৎসকের অদক্ষতার ফলে পেটের ভিতরের বিশেষ একটি অংশ কেটে যায় এর ফলে জনৈক কূটনৈতিকের অতিরিক্ত রক্ত ক্ষরণের ফলে অসুস্থ হয়ে পরেন। ইউনাইটেডের ডাক্তারগণ রোগীর অবস্থা বেগতিক দেখে দায়সারা তাকে ধানমন্ডির ল্যাবএইড হাসপাতালের স্থানান্তরিত করনে। ল্যাব এইড হাসপাতালের সার্জারী বিশেষজ্ঞ ডাঃ জুলফিকার রহমান খান রোগীর ভয়াবহ অবস্থা দেখে তাকে অপারেশনে অপবাগত জানান। পূনরায় তাকে ইউনাইটেড হাসপাতালে আনা হয়। ঐ অবস্থায় ইউনাইটেড হাসপাতালের কর্তৃপক্ষ তাকে ভর্তি না করে রোগীকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেন। তৎক্ষনাত বাংলাদেশে অবস্থিত তুরস্ক দূতাবাস কর্তৃপক্ষ পূনরায় ল্যাব এইডের সার্জারী বিশেষজ্ঞ ডাঃ জুলফিকার রহমানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি রোগীকে অপারেশনের জন্য সিঙ্গাপুরে মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে হস্থান্তরের পরামর্শ দিলে একই দিনে তাকে ঢাকা থেকে এয়ার এ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে নেয়া হয়।

Advertisement

সিঙ্গাপুরের বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের তত্ত্বাবধানে প্রায় ৩ মাস থাকার পর রোগী কিছুটা সুস্থ হয়ে তিনি তার নিজ দেশ তুরস্কে ফিরে যান। কিছু দিন পূর্বে তিনি ঢাকাস্থ তুরস্কের দূতাবাসে যোগ দেন এ প্রতিবেদকের সাথে আলাপ কালে কূটনৈতিক আলী সুয়াভী কেসকিন ইউনাটেড হাসপাতালের ডাক্তারদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে জানান তাদের অদক্ষতা ও অবহেলার জন্য আমি প্রায় মৃত্যুর দুয়ারে পৌছে দিয়েছিলাম। এখনও তিনি পুরোপুরি সুস্থ নন। আর্থিক ও শারিরিক অনেক ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে যা পূরণীয় নয়। তিনি ইউনাটেড হাসপাতালের বিরুদ্ধে সঠিক তদন্ত করে শাস্তি দেয়ার জন্য সরকারের যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন জানান।
উল্লেখ্য প্রায়শই রোগীদের জিম্মি করে টাকা আদায়ের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে এই হাসপাতালটির বিরুদ্ধে পরবর্তী সংখ্যায় আসছে বিস্তারিত।

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here